বুধবার, ২১শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

windows 11 download

জব জনপ্রিয় বিডি
আপডেটঃ আগস্ট ১৩, ২০২৩ | ৩:১০ 74 ভিউ
জব জনপ্রিয় বিডি
আপডেটঃ আগস্ট ১৩, ২০২৩ | ৩:১০ 74 ভিউ
Link Copied!

লিক-এ সুরক্ষিত উইন্ডোজ 11 বুট এবং টিপিএম 2.0 কীভাবে বাইপাস করবেন!

ওহে ছেলেরা আপনারা এখনই উইন্ডোজ ১১ ইনস্টল করার চেষ্টা করছেন তবে আপনারা অনেকে উইন্ডোজ ১১ অফিসিয়াল আপডেট পাচ্ছেন না বা আপনি সম্ভবত উইন্ডোজ ১১ লিক বুই ব্যবহার করছেন..আপনি আপনার পিসিতে উইন্ডোজ ১১ অফিসিয়াল রিলিজ পাবেন কীভাবে .. আপনি যে অফিসিয়াল উইন্ডোজ ১১ ইনস্টল করতে পারবেন তা কোনও লিক বা ডেভ প্রিভিউ সংস্করণ নয় … ভিডিওতে আমি আপনাকে দুটি পদ্ধতি দেখিয়েছি একটি অফিশিয়াল উইন্ডোজ 11 আপডেটের সাথে অন্য একটি অফিশিয়াল উইন্ডোজ 11 এর সাথে রয়েছে যার জন্য আপনাকে ডাউনলোড করতে হবে উইন্ডোজ 11 অফিসিয়াল আইসো নীচে। উইন্ডোজ 11 অফিসিয়াল আইএসও

windows 11 download

windows 11 downloadhttps://techrifle.com/windows-11-iso-download/

PC Health Check Software: https://aka.ms/GetPCHealthCheckApp

ভার্চুয়াল বক্স লিঙ্ক: https://www.virtualbox.org/
উইন্ডোজ 11 প্রধান আইএসও ফাইল মিডিয়াফায়ার: https://bit.ly/35wp2iB
উইন্ডোজ 11 প্রধান আইএসও ফাইল গুগল ড্রাইভ: https://bit.ly/3iLHcEJ
Download Windows 11 Official ISO – https://bit.ly/3Aq8pTH
Step1
Download Windows 11 Iso:
Link 4: Download Windows 11 ISO: https://icedrive.net/1/287dLoHvkZ
Step2
Download Appraiserres.dll file: https://bit.ly/3jhzouD

windows 11 all in one iso file download 

ওহে সবাই! সুতরাং, যেমনটি আমি নিশ্চিত যে আপনি জানেন, উইন্ডোজ 11 কোনও পিসিতে ইনস্টল করবে না, মূলত সিকিউর বুট এবং টিপিএম ২.০ প্রয়োজন। তবে এর আশেপাশে উপায় আছে! আমি আজকের দেখাব! এটি ওবিএসের বিরতি দিয়ে একবারে করা হয়েছিল, তাই দয়া করে এটি মনে রাখবেন! দাবি অস্বীকার: এটি একটি পরিষ্কার ইনস্টলের জন্য। নিজের ঝুঁকিতে এটি করুন। আমি কোনও তথ্য ক্ষতির জন্য দায়ী নই! (লিঙ্কস 🙂 মিডিয়া তৈরির সরঞ্জাম:
Rufus
উইন্ডোজ 10 ইনস্টল করার জন্য বুকিংযোগ্য পেনড্রাইভ তৈরি করতে রূফাস সফ্টওয়্যার ব্যবহার করে আইএসও থেকে উইন্ডোজ 10 বুটেবল ইউএসবি তৈরি করা সহজ First প্রথমত, এখান থেকে রুফাস সফ্টওয়্যারটি ডাউনলোড করুন এবং ইনস্টল করুন। ইউএসবি পোর্টের মাধ্যমে সর্বনিম্ন 8 গিগাবাইট ফ্রি পেনড্রাইভ প্রবেশ করুন এবং আপনার হার্ড ডিস্ক থেকে আইএসও ফাইলটি নির্বাচন করুন। এবং উইন্ডোজ 10 এর জন্য পেনড্রাইভ বুট করার} সম্পূর্ণ টিউটোরিয়াল: |
LINKS

ট্যাগ:

দেশের বাজারে কমলো সোনার দাম

জব জনপ্রিয় বিডি
আপডেটঃ জানুয়ারি ২৬, ২০২৪ | ১০:৫০ 26 ভিউ
জব জনপ্রিয় বিডি
আপডেটঃ জানুয়ারি ২৬, ২০২৪ | ১০:৫০ 26 ভিউ
Link Copied!

জুমবাংলা ডেস্ক : রেকর্ড দাম হওয়ার পর দেশের বাজারে কিছুটা কমেছে সোনার দাম। সবচেয়ে ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম এক হাজার ২৮৪ টাকা কমিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে ভালো মানের (২২ ক্যারেট) এক ভরি সোনার দাম হয়েছে ৯৯ হাজার ৯৬০ টাকা।

বুধবার (২৭ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।

আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে নতুন এই দাম কার্যকর হবে।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার (পিওর গোল্ড) দাম কমার পরিপ্রেক্ষিতে এই দাম কমানো হয়েছে।

নতুন মূল্য অনুযায়ী ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম কমে ৯৮ হাজার ৯১১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ৮১ হাজার ৭৬৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

আর সনাতন পদ্ধতির এক ভরি সোনার দাম ৬৮ হাজার ১১৮ টাকা করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

সোনার দাম কমানো হলেও অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে রুপার দাম। ক্যাটাগরি অনুযায়ী বর্তমানে ২২ ক্যারেটের রুপার ভরি এক হাজার ৭১৫ টাকা।

কোমর ব্যথার কারণ ও দূর করার উপায়

জব জনপ্রিয় বিডি
আপডেটঃ জানুয়ারি ২৭, ২০২৪ | ১২:৫৭ 18 ভিউ
জব জনপ্রিয় বিডি
আপডেটঃ জানুয়ারি ২৭, ২০২৪ | ১২:৫৭ 18 ভিউ
Link Copied!

কোমর ব্যথার সমস্যায় কমবেশি সকলেই ভুগে থাকেন, আসুন জেনে নিই কোমর ব্যথার কারণ ও দূর করার উপায়:-

কেন কোমর ব্যথা হয় :-

১) ভারী বস্তু তোলার কাজ করলে।

বিজ্ঞাপন

২) কোমরে চোট পেলে।

৩) অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে বা বসে কাজ করলে।

৪) নিয়মিত গাড়ি চালালে।

বিজ্ঞাপন

৫) সাধারণত কুঁজো হয়ে হাঁটলে বা বসলে।

৬) গর্ভধারণ সময়ে।

৭) হঠাৎ কোনো কারণে হাড়, মাংসপেশি, স্নায়ু—এই তিনটি উপাদানের সামঞ্জস্য নষ্ট হলে।

এই কোমর ব্যথা খুব সহজে দূর করা সম্ভব।যেমন:-

আদা যে কোনো ব্যথা কমাতে সক্ষম। আসুন জেনে নিই এই সমস্যা সমাধানে কার্যকরী আদা পানি বানানোর প্রক্রিয়াটি যা যা লাগবে

১) আদা

২) পরিষ্কার

৩) পাতলা কাপড়

৪) গরম পানি

কিভাবে তৈরি করবেন:-

প্রথমে আদা কুচি করে ফেলুন, এরপর আদা কুচিগুলো পাতলা কাপড়ে রাখুন কাপড়টির মুখ সুতা বা রশি দিয়ে বন্ধ করে দিন, একটা পুটলি বানিয়ে ফেলুন এবার চুলায় পানি গরম করতে দিন,এই পানির মধ্যে আদার পুটলিটা চিপে রস পানিতে দিন

রস ভাল করে চিপে ফেলার পর আদার পুটলিটা পানির মধ্যে দিয়ে দিন এবার একটি কাপড় গরম আদা,পানিতে চুবিয়ে নিন,এবার কাপড়টি থেকে ভাল করে পানি চিপড়িয়ে ফেলুন,এই আদা পানিতে চুবানো কাপড়টি ব্যথার জায়গায় রাখুন। লক্ষ্য রাখবেন কাপড়টা যেন খুব বেশি মোটা না হয়।

সারা রাত কাপড়টি ব্যথার জায়গায় রেখে দিন,সারা রাত সম্ভব না হলে কয়েক ঘণ্টা এটি ব্যথার জায়গায় রেখে দিন,দেখবেন কোমর ব্যথা গায়েব হয়ে গেছে,এটি আপনাকে দীর্ঘমেয়াদি আরাম দেবে।

এটি ঘরোয়া চিকিৎসা,সুতরাং যাদের অনেক বছরের পুরোনো ব্যথা তাদের ক্ষেত্রে যদি উপকার না হয় তাহলে ফিজিওথেরাপি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিবেন।

বাংলাদেশের সেরা বক্তা আলেমদের বক্তাদের তালিকা

জব জনপ্রিয় বিডি
আপডেটঃ জানুয়ারি ২৪, ২০২৪ | ৯:২৪ 25 ভিউ
জব জনপ্রিয় বিডি
আপডেটঃ জানুয়ারি ২৪, ২০২৪ | ৯:২৪ 25 ভিউ
Link Copied!

আসসালামু আলাইকুম আজকে আলোচনা করব জনপ্রিয় চল্লিশটি বাংলাদেশের সেরা আমাদের বক্তাদের তালিকা সম্পর্কে। আপনারা হয়তো অনেকেই জানেন যে ওয়াজ মাহফিল আমাদের ধর্মের ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের জীবনের একটি অংশ। তাই অজ মাহফিল সবারই পছন্দ। আজকে আলোচনা করব বাংলাদেশের ৪০ জন জনপ্রিয় আলেমদের বক্তাদের তালিকা সম্পর্কে।

এসবের সঙ্গে আরও জানতে পারবেন বাংলাদেশের সেরা বক্তাদের তালিকা সহ তারা কোথায় অবস্থান করেন কোন জেলায় অবস্থান করে সকল বিষয়ে আলোচনা করব তাদের শিক্ষা যোগ্যতা কত ইত্যাদি সম্পর্কে আলোচনা করব আপনারা সকলে মনোযোগ দিয়ে আমাদের এই পোস্ট এর সঙ্গে থাকুন।

আলেম কাকে বলে?

আলেম শব্দের অর্থ জ্ঞানী। শরিয়তের পরিভাষায় আলেম বলা হয়, যিনি দ্বীন ও শরিয়তের গভীর জ্ঞান রাখেন ও সেই জ্ঞান অনুযায়ী আমল করেন। পাশাপাশি সুন্নতের অনুসরণে নিজের জীবনকে পরিচালিত করেন এবং আল্লাহর ভয়ে সদা সন্ত্রস্ত থাকেন।

দ্বীনি ইলম শিক্ষার জন্য জরুরি একটি শর্ত হচ্ছে, সনদ থাকা। অর্থাৎ কোনো আলেমের কাছ থেকে ইলম শিক্ষা করা। বইপুস্তক দ্বীন শিক্ষার মাধ্যম হলেও মূলত দ্বীনি ইলম পাওয়া যায় উস্তাদের কাছ থেকেই। এভাবে ইলম শিক্ষা করা সরাসরি রাসুল (সা.) এর কাছ থেকে শিক্ষা করার মতোই। কারণ এই সনদ রাসুল (সা.) পর্যন্ত পৌঁছে।

বিজ্ঞাপন

আলেম কাকে বলে জেনে নিনঃ

সাধারণত আলেম এমন ব্যক্তিকে বোঝানো হয় যারা দ্বীনি প্রতিষ্ঠান থেকে কোরআন শরীফে ইসলামী সম্পর্কে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি প্রাপ্ত ব্যক্তিদের আলেম বলা হয়ে থাকে। আলেম শব্দের অর্থ হচ্ছে জ্ঞানী।

 

বিজ্ঞাপন

আলেম হওয়ার জরুরী বিষয় হচ্ছে সনদ থাকা। একজন তিনি ব্যক্তি যদি কোন আলেম থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে থাকেন তাকে আলেম বলা হয়।

 

নিচে উল্লেখিত বিষয়গুলো আলোচনা করা হবে বাংলাদেশের সেরা আলেম এর তালিকা সম্পর্কে। প্রিয় পাঠক আপনারা সকলে মনোযোগ দিয়ে আমাদের এই আলোচনা গুলো পড়ে নিন এবং আমাদের সঙ্গে থাকুন।

 

হাক্কানি আলেম কাকে বলে জেনে নিনঃ

আলেম ব্যক্তিদের চেনার সবথেকে বড় উপায় হচ্ছে তাদের চেহারায় পোশাকে সুন্নতের ছাপ দেখা যায় তাদেরকে আলেম ব্যক্তি হিসেবে তুলে ধরা হয়। একজন সাধারণ ব্যক্তি দ্বীনদার বেগ হিসেবে তাদেরকে চেহারা পোশাক ইত্যাদি এসবের মধ্য দিয়ে তাদেরকে বোঝা যায় আলেম ব্যক্তি। হাক্কানি আলেম দাওয়াত ও তাবলীগ মন্তব্য রাখেন। তাদের আচরণ ব্যবহার সবকিছুতে বোঝা যায় অতিরিক্ত গুন যদি কোন আলেমের মধ্যে দেখা যায় তাহলে তাকে হাক্কানি আলেম বলে বোঝানো হয়েছে।

 

বাংলাদেশের হাক্কানী আলেমদের নাম নিচে বিস্তারিত জেনে নিন।

 

বাংলাদেশের সেরা বক্তাদের তালিকা সম্পর্কে জেনে নিন/ বাংলাদেশ সেরা আলেমদের তালিকা জেনে নিন

বাংলাদেশ অনেক আলেম অলা একই রকম রয়েছে। তাদের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে বাংলাদেশের মানুষকে ইসলামের পথে নিয়ে আসা। এখন আলোচনা করব বাংলাদেশের সেরা আলেমদের তালিকা সম্পর্কে। বাংলাদেশ হাক্কানী আলেমদের নাম নিয়েছে আপনারা জানতে পারবেন তা জেনে নিন।

 

১. নামঃ মুফতি আমির হামজা

 

উনার শিক্ষাগত যোগ্যতা আল-কোরআন শীর্ষক অনার্স এবং মাস্টার্স সম্পন্ন করেন কুমিল্লা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কুষ্টিয়া।

তার জন্মস্থানঃ কুষ্টিয়া জেলায়

২. নামঃ মাওলানা সা শায়খআহমাদুল্লাহ

 

শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ দাওরায়ে হাদিস কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ইফতা খুলনা দারুল ইনম

জন্মস্থানঃ বশিকপুর লক্ষীপুর বাংলাদেশ

৩. নামঃ মুফতি রেজাউল করীম পীর সাহেব চরমোনাই

 

শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ কামিল হাদিস চরমোনাই আলিয়া মাদ্রাসা ইফতার সাগরদী আলিয়া মাদ্রাসা বরিশাল

জন্মস্থানঃ চরমোনাই গ্রাম, কীর্তনখোলা বরিশাল জেলায়

৪. নামঃ ডঃ এনাম আল্লাহু আব্বাসী আব্বাসী হুজুর নামে পরিচিত

 

শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ এইচএসসি পর্যন্ত বিজ্ঞান বিভাগে পড়াশোনা করেছেন মিশকাত দারুন আরশাদ থিসিস লখনৌ বিশ্ববিদ্যালয় তিতাস সালাত ওমর করাচি

জন্মস্থানঃ পাঠানটুলি আব্বাসী মঞ্জুর জয়পুর দরবার সিদ্ধিরগঞ্জ থানা নারায়ণগঞ্জ

৫. নামঃ মাওলানা মামুনুল হক

 

শিক্ষাগত যোগ্যতাৎ পবিত্র কোরআনে হাফেজ ঢাকার লালবাগ জামতারা জামে মসজিদ মাদ্রাসা মিক জামাত প্রথম স্থান অধিকার লাভ করেন জামাত তৃতীয় স্থান দাখিল প্রথম স্থান তারপর উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এসএসসি ও এইচএসসি অর্থনীতি অনার্স মাস্টার্স করে থাকেন এশিয়ান ইউনিভার্সিটি

জন্মস্থানঃ মাওলানা মুমিনুল হকের জন্মস্থান আজিমপুর ঢাকা।

৬. নামঃ মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারী

 

শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারী দাখিল পরীক্ষায় জিপিএ 5 দারুন্ন জান্নাত সিদ্দিকিয়া জামিল মাদ্রাসা দেমরা ঢাকা আলিম পরীক্ষায় গোল্ডেন জিপিএ 5 আন্ডার গ্রাজুয়েট আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয় মিশর post-graduate ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটি মালয়েশিয়া এমফিল এবং মালয়েশিয়া ইন্টার্নেশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট।

জন্মস্থানঃ মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারীর জন্ম স্থান ঢাকা।

৭. নামঃ মাওলানা হাফিজুর রহমান সিদ্দিকী

 

শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ চরমোনাই মাদরাসায় পড়াশোনা

জন্মস্থানঃ কুয়াকাটা বরিশাল

৮. নামঃ আল্লামা শাহ আহমদ শফী

 

শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ মাদ্রাসা শিক্ষা 10 বছর বয়সে হাটহাজারী আল জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মাদ্রাসা ভর্তি হন হাজার হাজার১৯৪১ সালে উচ্চ শিক্ষার জন্য ভারতে যান তাফসীর হাদীস অধ্যয়ন দারুল উলুম দেওবন্দ মাদ্রাসা

জন্মস্থানঃ চট্টগ্রামে রাঙ্গুনিয়া থানা টিলা গ্রামে অবস্থিত।

৯. নামঃ প্রিন্সিপাল মাওলানা হাবিবুর রহমান

 

শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ শিক্ষাজীবন শুরু রুস্তমপুর কাওমী মাদ্রাসা। হাজার ১৯৭০ সালে ফুলবাড়িয়া আলিয়া মাদ্রাসা থেকে ফাজিল পাস করেন।১৯৭৩ সালে সিলেট সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা থেকে আলিম পরীক্ষায় প্রথম স্থান অধিকার করেন।

জন্মস্থানঃ ফুলবাড়ী ইউনিয়ন গোপালগঞ্জ জেলা সিলেট

১০. নামঃ আল্লামা ফরিদ উদ্দিন ইমাম শোলাকিয়া মাদ্রাসা

 

শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ শিক্ষার হাতে ঘড়ি পিতার নিকট পরে ভর্তি হন সিরাজগঞ্জ জেলায় জামিয়া এমদাদিয়া এরপর উচ্চ শিক্ষা গ্রহণের জন্য পাড়ি জমান ভারতের দারুল উলুম দেওবন্দ১৯৭৬ সালের প্রথম স্থান অধিকার করেন তাদের হাদীস সম্পূর্ণ করেন।

জন্মস্থানঃ কিশোরগঞ্জ জেলায় পাকুন্দিয়া উপজেলা হিজলিয়া গ্রাম

১১. নামঃ মুফতি আব্দুস সালাম চাটগামী

 

শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ হাজার ১৯৫৮ সালে প্রাথমিক পড়াশোনা শেষ করে বাবুনগর মাদ্রাসা ভর্তি হন দাওরায়ে হাদিস ১৯৬৭ পাকিস্তানের জামিয়াতুল ইসলামিয়া হাদীছ শরীফ-এ পড়াশোনা করেন শিক্ষা জীবনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সব পরীক্ষায় প্রথম স্থান অধিকার করেন মাশাল্লাহ।

জন্মস্থানঃ চট্টগ্রামে আনোয়ার থানা নদিয়া গ্রাম

১২. নামঃ শাইখুল হাদিস আব্দুল্লাহ পাহাড়পুরী

 

শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ প্রাথমিক লেখাপড়ায় পাহাড়পুর এমদাদুল মাদ্রাসায় দাওয়াতের হাদিস মিশকাত লালবাগ ঢাকা

জন্মস্থানঃ পাহাড়পুর

১৩. নামঃ মুফতি ইমরান হুসাইন কাসেমী

 

জন্মস্থানঃ মিরপুর ঢাকা

১৪. নামঃ মুফতি লুৎফর রহমান ফরাজী

 

জন্মস্থানঃ পশ্চিম রামপুরা ঢাকা

শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ এবং মুফাসসিরের কোরআন

১৫. নামঃ মুফতি ইজহারুল ইসলাম চৌধুরী

 

জন্মস্থানঃ চট্টগ্রাম

শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ আল-জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলূম মুঈনুল ইসলাম এবং জামিয়া আল ইসলামিয়া অধ্যয়ন করেন।

১৬. নামঃ মুফতি রফিকুল ইসলাম সিরাজী

 

জন্মস্থানঃ খুলনা

১৭. নামঃ মুফতি ইমরান হোসাইন কাসেমী

 

জন্মস্থান মিরপুর ঢাকা

১৮. নামঃ আব্দুল্লাহ আল আমিন

 

জন্মস্থানঃ ঢাকা

১৯. নামঃ মাওলানা তারেক মনোয়ার

 

জন্মস্থানঃ লক্ষ্মীপুর

শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ প্রাথমিক শিক্ষা লক্ষ্মীপুরে উচ্চশিক্ষা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ ঢাকা আলিয়া থেকে হাদিস কামিল ডিগ্রী অর্জন করেছেন।

২০. নামঃ আব্দুল্লাহ হাই মুহাম্মাদ সাইফুল্লাহ

 

  •  জন্মস্থানঃ নওগাঁ জেলা
  •  শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ মাদ্রাসা জামিয়া সালাফিয়া কারমাইকেল কলেজ রংপুর

 

২১. নামঃ মুফতি আব্দুল কুদ্দুস

 

  •  জন্মস্থানঃ খুলনা

 

২২. নামঃ আলী আকবর সিদ্দিকী

 

  •  জন্মস্থানঃ হবিগঞ্জ

 

২৩. নামঃ মাওলানা খোরশেদ আলম কাসেমী

 

  •  জন্মস্থানঃ ঢাকা

 

২৪. নামঃ মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব

 

  •  জন্মস্থানঃ ব্রাহ্মণবাড়িয়া

 

২৫. নামঃ মাওলানা মুজিবুর রহমান

 

  •  জন্মস্থানঃ চাঁদপুর

 

২৬. নামঃ আল্লামা ডঃ মোস্তফা আহমেদ

 

  •  জন্মস্থানঃ ঢাকা

 

২৭. নামঃ মাওলানা আজিজুল ইসলাম  জালালি

 

  •  জন্মস্থানঃ ব্রাহ্মণবাড়িয়া

 

২৮. নামঃ মাওলানা মেরাজুল হক কাসেমী

 

  • জন্মস্থানঃ ব্রাহ্মণবাড়িয়া

 

২৯. নামঃ মাওলানা আব্দুল বাসেত খান

 

  • জন্মস্থানঃ  সিরাজগঞ্জ
  • ৩০ নামঃ মুফতি মনসুরুল করিম
  •  জন্মস্থানঃ ব্রাহ্মণবাড়িয়া

 

৩১. মুফতি  আব্দুল্লাহ খালেক সাহেব

 

  • জন্মস্থানঃ শরীয়তপুর
  • ৩২ নামঃ মুফতি মাহমুদ উল্লাহ আতিকী
  • জন্মস্থানঃ ঢাকা
  • ৩৩ নামঃ মুফতি ওসমান গনি মুছাপুরী
  •  জন্মস্থানঃ মাগুরা

৩৪. নামঃ মাওলানা আবু নাঈম মোঃ তানভীর

  •  জন্মস্থানঃ চাঁদপুর
  • ৩৫ নামঃ মুফতি শিহাববুদ্দিন
  •  জন্মস্থানঃ চাঁদপুর

৩৬. নামঃ মাওলানা আশরাফ আলী

  • জন্মস্থানঃ হবিগঞ্জ
  • ৩৭ নামঃ মাওলানা জাকারিয়া
  • জন্মস্থানঃ নাটোর জেলায়

৩৮. নামঃ মুফতি আমজাদ হোসাইন আশরাফী

  • জন্মস্থান ব্রাহ্মণবাড়িয়া
  • ৩৯ নামঃ মুফতি আনোয়ার হোসেন  চিশতী
  • জন্মস্থানঃ   নর্সিংদি
  • ৪০ নামঃ মাওলানা আতিকুর রহমান
  • জন্মস্থানঃ ব্রাহ্মণবাড়িয়া

 

স্ত্রী সহবাসের সুন্নাত নিয়ম

জব জনপ্রিয় বিডি
আপডেটঃ জানুয়ারি ২৭, ২০২৪ | ১২:৫৯ 17 ভিউ
জব জনপ্রিয় বিডি
আপডেটঃ জানুয়ারি ২৭, ২০২৪ | ১২:৫৯ 17 ভিউ
Link Copied!

সহবাসের সঠিক নিয়ম হলো স্ত্রী নিচে থাকবে আর স্বামী ঠিক তার উপরি ভাবে থেকে সহবাস করবে। মহান আল্লাহ তায়ালা সহবাসের নিয়ম এভাবেই সুরা আরাফের ১৮৯ নম্বর আয়াতে

বলেছেন فَلَمَّا تَغَشَّاهَا حَمَلَتْ حَمْلاً خَفِيفًا فَمَرَّتْ بِهِ فَلَمَّا أَثْقَلَت دَّعَوَا اللّهَ رَبَّهُمَا لَئِنْ آتَيْتَنَا صَالِحاً لَّنَكُونَنَّ مِنَ الشَّاكِرِينَ (

অতঃপর পুরুষ যখন নারীকে আবৃত করল, তখন, সে গর্ভবতী হল। অতি হালকা গর্ভ। সে তাই নিয়ে চলাফেরা করতে থাকল। ( সুরা আরাফ: ১৮৯ অংশ)

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞ ডাক্তারগন এটিই বার বার বলে থাকেন।

বিধায় স্পষ্ট নিয়ম হলো স্ত্রী নিচে থাকবে স্বামি উপরে থাকবে। আর তাতেই স্ত্রী গর্ভধারন করবে।

সতর্কতা : এমন যেন না হয় যে স্ত্রী স্বামীর উপর থেকে বসে সহবাস করছে আর সেসময় স্বামীর বীর্যপাত হয়ে গেল। তাহলে ডাক্তারী চিকিৎসা মতে তখন বীর্য পুরো বের হয়না ভেতরে বিশেষ জায়গায় থেকে যায় আর তাতে পুরুষের ভেতর পাথর তৈরি হয়ে বড় ধরনের রোগ হবার আশংকা থাকে। তাছাডা স্ত্রী গর্ভধারণও করেনা।যদিও ইদানিং অনেক নিয়ম নেটে দেখানো হয় এ গুলো সঠিক নিয়ম নয় এগুলোতে প্রশান্তি নেই।

বিজ্ঞাপন

সহবাসের আরো কিছু সুন্নত নিয়ম হলো।

  1. স্ত্রী সহবাসের আগে ভাল করে দাতঁ ব্রাশ বা মিসওয়াক করবে।
  2. স্বামীও ভাল করে দাঁত মেসওয়াক বা ব্রাশ করবে। সিগারেট বা কোন বদ নেশার দুর্গন্ধ নিয়ে স্ত্রীর কাছে যাবে না।
  3. স্বামী স্ত্রী সহবাসের পুর্বে উভয় উজু করে নিবে
  4. বিসমিল্লাহ বলে আরম্ভ করা মুস্তাহাব। শুরুতে ভুলে গেলে বীর্যপাত হবার পর বিসমিল্লাহ পড়বে ।
  5. স্ত্রীগন শরিরে সুগন্ধি টেলকম পাউডার বা সুগন্ধি লাগিয়ে নিবে। স্বামীও আতর বা সুগন্ধি লাগিয়ে নিবে ।
  6. সহবাসের সময় কেবলা মুখি হয়ে করবেনা।
  7. সহবাসের সময় একেবারে উলঙ্গ হয়ে পড়বেনা। যদি তৃপ্তি না আসে তাহলে উপরে কোন কাপড় বা চাদর দিয়ে ঢেকে নিবে।
  8. বীর্যপাত হয়ে গেলে সাথে সাথে স্ত্রীর উপর থেকে নেমে পড়বেনা। বরং কিছু সময় তার উপর শুয়ে থাকবে। আবার পুরো শরিরের ভর তার উপর ছেড়ে দিবে না যাতে তার কষ্ট না হয় সেদিকে খেয়াল রাখা সুন্নত।
  9. সহবাসের পর দোয়া পড়বে। অথবা বাংলাতে বলবে হে আল্লাহ বিতারিত শয়তান থেকে আপনার কাছে আমরা আশ্রয় চাচ্ছি হে আল্লাহ আমাদেরকে নেক সন্তান দান করুন ও আপনার নেয়ামত দ্বারা পরিপূর্ন করুন। তাহলে এই সহবাস দ্বারা যদি সন্তান লাভ হয় তাহলে শয়তান সে বাচ্চার কোন ক্ষতি করতে পারবেনা ।
  10. কোন ভাবেই পায়ূ পথে সঙ্গমের চিন্তা ও করবেনা এটা মহাপাপ, যেটা কোরআন হাদিসে কঠিন ভাবে নিষেধ করা হয়েছে।তা ছাডা ডাক্তারী সাইন্স মতে উভয়ের এমন কঠিন ব্যধির আশংকা রয়েছে যার চিকিৎসা পৃথিবীর কোন ডাক্তার ও করতে পারবেনা।
  11. কোন আবস্হায় নেশা জাতীয় খাদ্যে বা পানীয় খেয়ে বা পান করে সহবাস করবেনা।
  12. কারো সামনে এমনকি নিজের আডাই/ তিন বছরের জাগ্রত শিশুর সামনে ও নয়।

মেয়েদের মাসিক এবং মাসিকের সময় ব্যাথা হলে করনীয় সম্পর্কে জানুন

জব জনপ্রিয় বিডি
আপডেটঃ জানুয়ারি ২৭, ২০২৪ | ১২:৪৯ 21 ভিউ
জব জনপ্রিয় বিডি
আপডেটঃ জানুয়ারি ২৭, ২০২৪ | ১২:৪৯ 21 ভিউ
Link Copied!

মাসিক কোন রোগ নয়। প্রতিটা নারীর জীবন চক্রের একটা অংশ। বাংলাদেশের প্রায় মহিলারা মাসিক সম্পর্কে অনেক সমালোচনার সম্মুখীন হয়ে থাকে। সারা দেশে প্রায় ৫৪ মিলিয়ন ঋতুস্রাব অথবা (মাসিক) মহিলা রয়েছে। তাই, প্রতিটা মেয়ে যাতে মাসিক বিষয়টাকে আতঙ্ক হিসেবে না দেখে স্বাভাবিক ভাবে দেখতে শিখে এবং সচেতন হয় সেই জন্য পরিবারের অবদান অনেক বেশি জরুরি। আমাদের দেশের বেশির ভাগ মহিলারই পিরিয়ড অথবা(মাসিক) সম্পর্কে জ্ঞানের অভাব রয়েছে।

মেয়েদের জরায়ু যে পরিবর্তনের মধ্যে দিয়ে যায় এবং প্রতিমাসে হরমোনের প্রভাবে মেয়েদের যোনিপথ দিয়ে যে রক্ত ও জরায়ু নিঃসৃত তরল পদার্থ বের হয়ে আসে তাকে ( মাসিক) বা ঋতুস্রাব বলে। 

মাসিকের সময় মেয়েদের নানা রকম সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাছাড়া মাসিক হওয়ার আগে, পরে, চলাকালীন সময়ে এবং মাসিক বন্ধ হওয়ার পরও অনেকের মাথা ব্যথা, মাইগ্রেন, কোমড় ব্যাথা, পা ব্যাথা, বমিভাব, ওজন বাড়া, মেজাজ খারাপ, ঘুমের ব্যাঘাত, বার বার টয়লেটে যাওয়া, ত্বকের সমস্যা – এই রকম নানা ধরনের সমস্যা হয়ে থাকে মূলত শরীরের হরমোনজনিত কারণে।

বিজ্ঞাপন

দুই মাসিকের মধ্যবর্তী সময় যদি বার বার পরিবর্তন হতে থাকে, তাহলে তাকে অনিয়মিত মাসিক বলে। অনিয়মিত মাসিক দুই ভাবে হতে পারে। যেমন:

১.ঘন ঘন

২.দেরিতে

বিজ্ঞাপন

মাসিকের চক্র হিসাব করতে হলে যা করতে হবে;

এক মাসিকের প্রথম দিন থেকে আরেক মাসিকের প্রথম দিন পর্যন্ত যে সময়টা সেটাই হলো এক মাসিক চক্র। সাধারণত ২৮ দিন পর পর মাসিক হয়। যদিও ২১ দিন থেকে ৩৫ দিন অন্তর স্বাভাবিকতার তারতম্য হতে পারে। এক বার মাসিক হলে সাধারণত ২-৮ দিন থাকে এবং এক মাসিকের মোট ৫-৮০ মিলি পর্যন্ত রক্ত যেতে পারে। এই তিনটার যেকোনো একটার অনিয়ম মানে অনিয়মিত মাসিক।

বিভিন্ন বয়সে বিভিন্ন কারণে অনিয়মিত মাসিক হয়ে থাকে। যেমন ;

১.সাবালিকা হউয়ার প্রথম ১-২ বছর ডিম্বাশয়ের অপরিপক্বতার জন্য।

২.মেনোপজ হউয়ার আগের ৪-৫ বছর হরমোনের তারতম্যের জন্য।

৩.কিছু কিছু পিল খাওয়ার সময় পাশ্বপ্রতিক্রিয়ার জন্য।

৪.বুকের দুধ খাওয়ানো অবস্থায় হরমোনের তারতম্যের জন্য।

৫.খুব বেশি ব্যায়াম করলে।

৬.অতিরিক্ত টেনশন করলে।

৭.হঠাৎ ওজন খুব বেড়ে বা কমে গেলে।

৮.হরমোনজনিত রোগ পিসিওএস হলে।

৯.থাইরয়েড রোগীদের।

১০.স্ত্রী রোগ যেমন – জরায়ুর পলিপ, জরায়ুর প্রদাহ রোগ হলে।

মাসিক নিয়মিত হওয়া অনেক জরুরি। কারণ- অনিয়মিত মাসিকের সাথে অনেক দীর্ঘমেয়াদী স্বাস্থ্য সমস্যা জড়িত বলেই মাসিক নিয়মিত হওয়া জরুরি। মেয়েদের ঘুম, পরিপাক, বাচ্চা হওয়া সবই এর সাথে জড়িত।

পিরিয়ডের সময় সব ধরনের খাবার খাওয়া যাবে না। আর পিরিয়ডের সময় শারীরিক কষ্ট কমাতে ডায়েটের দিকে নজর রাখা প্রয়োজন। এই সময় কী ধরনের খাবার খাওয়া হচ্ছে, তার উপর শরীরের ভালো মন্দ অনেকাংশেই নির্ভর করে।

দুধ, চিজ বা দইঃ

পিরিয়ডের সময় দুধ,চিজ বা দইয়ের মতো ডেইরি প্রডাক্ট বেশি মাত্রায় খেলে বিশেষ কিছু হরমোনের ক্ষরন এতো মাত্রায় বেড়ে যায় যা শারীরিক কষ্ট ছাড়াতে সময় লাগে না। তাই এই সময় দুধ এবং দুধ থেকে বানানো খাবার যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলাই ভালো।

জাঙ্ক ফুডঃ

 

জাঙ্ক ফুড শরীরের জন্য ভালো নয়। আর এই সময় জাঙ্ক ফুড শরীরের জন্য আরো ক্ষতিকারক। পিরিয়ডের সময় ফ্রায়েড খাবার খেলে শরীরের মারাত্মক ক্ষতি করে।

 

লবণঃ

পিরিয়ডের সময় বেশি মাত্রায় লবণ রয়েছে এমন খাবার খেলে শরীরের অনেক ক্ষতি করে থাকে।

 

খালি পেটঃ

 

পিরিয়ডের সময় খালি পেটে একেবারেই থাকা উচিত না। এই সময় যেহেতু মাত্রাতিরিক্ত এনার্জি লস হয় তাই এই ঘাটতি পূরণে ঠিকমতো খাওয়া খুবই জরুরি।

কোল্ড ড্রিংকঃ

একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, এই সময় এই ধরনের পানিয় খেলে ইউরেটাইন ওয়ালে রক্ত থেকে যায়। এমনটা হতে থাকলে ৫-১০ বসর পর গিয়ে ক্যান্সারের ঝুঁকি অধিক মাত্রায় বেড়ে যায়।

 

 

 

শরীরচর্চাঃ

 

এই সময় অল্প বিস্তর শরীরচর্চা করা যেতে পারে। আর যদি পেটে এবং পিঠে ব্যাথা থাকে তাহলে একেবারেই শরীরচর্চা করা যাবে না।তাছাড়াও, এই সময় রাত জাগলে কাজ করার ক্ষমতা একেবারেই কমে যায়। সেই সাথে অসুস্থ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা আরো অনেক বেড়ে যায়। আর ঘুম না আসাতে শরীর এতোটাই ক্লান্তি হয়ে যায় যে, দৈনন্দিন কাজেও ব্যাঘাত আসতে শুরু করে দেয়। যার কারণে পিরিয়ডের সময় রাত জাগা একেবারেই চলবে না।

 

 

 

টক খাবারঃ

 

মাসিকের সময় সাধারণত কোন টক খাবার খেলে রক্তপাত কিংবা ব্যাথা বাড়ে না। টক জাতীয় খাবারের সাথে পিরিয়ডের কোন সম্পর্ক নেই।কিন্তু বিশেষ ধরনের টক খাবার খেলে ব্যাথা এবং রক্তপাত দুটোই বাড়তে পারে। সেই বিশেষ টক খাবার হচ্ছে লবণ যুক্ত টক খাবার।

 

 

 

কফিঃ

 

মাসিকের সময় উষ্ণ পানি পান করা উপকারী হলেও কফির ক্ষেত্রে এটি ব্যতিক্রম। শুধু কফি নয় ক্যাফেইন সসম্পর্কিত যেকোনো খাবার মাসিকের সময় এড়িয়ে চলা উচিত। কেননা কফি রক্ত চলাচলে ব্যাঘাত ঘটিয়ে থাকে এতে করে মাসিকের ব্যাথা আরো বাড়তে পারে।

 

 

 

 

 

পিরিয়ডের সময় পেট ব্যাথা হলে ব্যাথানাশক ঔষধ না খেয়ে ঘরোয়া উপায়ে ব্যাথা কমানো উচিত। এতে করে স্বাস্থ্যের কোন ক্ষতি হওয়ার ঝুঁকি অনেক কম থাকে।

 

 

 

মাসিকের সময় অতিরিক্ত পেট ব্যাথা করলে ” হট ওয়াটার ” ব্যাগে গরম পানি ভরে তলপেটে চাপ দিয়ে রাখা যেতে পারে। এতে করে ব্যাথানাশক ঔষধ না খেয়ে এই উপায়ে ব্যাথা অনেক কমানো সম্ভব।

 

 

ব্যাথা কমাতে আদা চা খাওয়া বেশ উপকারী। আদা প্রোস্টাগ্লান্ডিনের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে এবং ক্যামোমাইল ব্যাথা কমাতে সাহায্য করে থাকে। ব্যাথানাশক হিসেবে এই চা বেশ উপকারী।

মৌরিঃ

 

এই দানাদার মসলাতে রয়েছে বিভিন্ন রকম উপাদান যা মাসিকের ব্যাথা কমাতে সাহায্য করে। মাসিকের ব্যাথা বাড়লেই অল্প করে মুখে নিয়ে চিবিয়ে নিতে হবে অথবা পানিতে ফুটিয়ে অল্প করে চা এর মতো ফুটিয়ে পান করলেও অনেক উপকার পাওয়া যায়।

 

 

 

দারুচিনিঃ

 

মাসিকের সময় জমাট বাধা রক্তপাতের জন্য ব্যাথা ও অস্বস্তি বেড়ে যায়। দারুচিনিতে রয়েছে আঁশ ক্যালসিয়াম, আয়রন। খানিকটা পানিতে আধা-চা চামচ দারুচিনি গুলিয়ে রেখে কিছুক্ষন পর পর অল্প করে পান করলেই অনেক উপকার পাওয়া যাবে।

 

 

 

অর্গাজমঃ

 

মাসিকের সময় শারীরিক মিলন নিয়ে অনেক দ্বিধার মধ্যে থাকে মেয়েরা। কিন্তু এক গবেষণায় দেখা গেছে অর্গাজম পিরিয়ডের ব্যাথা কমাতে সাহায্য করে থাকে। কারণ এতে ভালোলাগার অনুভূতি বেড়ে যায় এতে করে রক্তচলাচলও বেড়ে যায়। ফলে মাসিকের ব্যাথা কমে আসে।

 

 

 

মাসের নির্দিষ্ট কয়েকদিন প্রত্যেক প্রাপ্ত বয়স্ক নারীকে কিছুটা শারীরিক ও মানসিক সমস্যার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়। মাসিকের এই সময়টাতে দেখা দেয় পুষ্টির অনেক ঘাটতিও। যার কারণে এই সময় খাবার নির্বাচনে সর্তক হতে হয়। মাসিকের সময় এমন খাবার খেতে হবে যেটা শরীরের বাড়তি পুষ্টি যোগাতে সহায়তা করবে।সুস্থ ও কর্মক্ষম থাকতে হলে নিচের খাবাগুলো অবশ্যই খেতে হবে ;

 

 

 

পানিঃ

 

মাসিকের সময় রক্তপাতের সাথে সাথে শরীর থেকে অনেক পানি বেড়িয়ে যায়। এই অভাব পূরণ করতে হলে প্রচুর পানি পান করতে হবে। চা, কফি, সফট্ ড্রিংস্ক এই ধরনের কোমল পানিয় দারা এই অভাব পূরণ করা যাবে না। শুধুমাএ পানি দিয়েই এই অভাব পূরণ করতে হবে।

 

আয়রন সমৃদ্ধ খাবারঃ

 

যেসব খাবারে প্রচুর আয়রন পাওয়া যায় যেমন – মাছ, মাংস, ডিম,পুঁই শাক, ডাটা শাক,ফুলকপির পাতা, ধনে পাতা, কচুশাক, তরমুজ, কালোজাম, খেজুর, পাঁকা তেতুল ও আমড়া এই জাতীয় খাবার খেতে হবে বেশি করে। এই খাবারগুলো শরীরের আয়রনের ঘাটতি অনেকটা পূরণ করবে।

 

 

 

মাছঃ

 

সামুদ্রিক মাছে থাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, মিনারেল, ফ্যাটি এসিড ইত্যাদি। এগুলো মাসিকের সময় শরীরের ক্ষয় পূরণ করতে সাহায্য করে এবং ব্যাথা কমাতেও সহায়তা করে থাকে।

 

 

 

ফলঃ

 

শরীরের আয়রনের ঠিকমতো শোষণ ও ঠিকমতো কার্যকরিতার জন্য ভিটামিন-সি জরুরি। কিছু সহজলভ্য ফল যেমন- পেয়ারা, আমলকি, লেবু, জলপাই, পাঁকা পেঁপে,জাম্বুরা,আনারস ইত্যাদিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-সি পাওয়া যায়। মাসিকের সময় এই ফলগুলো খাওয়ার অভ্যাস রাখা অনেক জরুরি।

 

 

 

সবুজ-শাকসবজিঃ

 

সবুজ শাক-সবজিতে আছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন যা শরীরের ক্ষয় পূরণ করতে সহায়তা করে। এটি শুধুমাএ আয়রন ও ভিটামিন-বি এ পরিপূর্ণ নয়, বরং উচ্চমাত্রায় আশঁও আছে এতে যা কিনা হজমে সহায়তা করে থাকে। ভালোভাবে হজম হওয়া পিরিয়ডের সময় সুস্থ থাকার একটি অপরিহার্য শর্ত। তাই প্রতিবেলার খাবারে অবশ্যই সবুজ শাক-সবজি রাখতে হবে।

 

কলাঃ

 

কলা পটাশিয়ামের ও ভিটামিনের খুব ভালো উৎস যা মাসিকের সময় শরীরের জন্য খুব জরুরি। কলা মাসিকের সময় বিষ্নন্নতা কমাতেও সহায়ক। মাসিকের সময় কলা প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় রাখা অনেক জরুরি।

 

 

 

প্রোটিনঃ

 

ডাল, ডিম, মাছ, মাংসে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন থাকে। তাই মাসিকের সময় এই জাতীয় খাবার গুলা খাওয়া অনেক জরুরি। প্রোটিন ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণ করে এবং মিষ্টি জাতীয় খাবার খাওয়ার আগ্রহ কমিয়ে দেয়।

 

 

 

 

 

 

 

পিরিয়ড বা মাসিকের মতো একটা স্বাভাবিক আর প্রাকৃতিক বিষয় নিয়ে লজ্জা আর সংকোচনের শেষ নেই বাংলাদেশের সমাজে। গবেষকরা বলেছে, বাংলাদেশের নারী স্বাস্থ্য,বিশেষ করে নারীর প্রজনন স্বাস্থ্য এবং মাসিকের সময় পরিচ্ছন্নতা ও নিরাপদ ব্যবস্থাপনা না থাকার কারণে নানা রকম অসুখ বিসুখও হচ্ছে।

 

 

 

বাংলাদেশে ২০১৪ সালে সংকার এবং আইসিডিডিআরবির চালানো ন্যাশনাল হাইজিন সার্ভেতে বলা হয়েছে মাসিকের সময় পরিচ্ছন্নতা এবং স্বাস্থ্য ঝুঁকি নিয়ে প্রায় কোন ধারণাই নেই বেশির ভাগ নারীর। বাংলাদেশের মেয়েরা মাসিকের সময় মূলত দুইটা জিনিস বেশি ব্যবহার করেন, তা হচ্ছে- পুরনো কাপড় এবং স্যানিটারি ন্যাপকিন। ২০১৪ সালে ন্যাশনাল হাইজিন সার্ভেতে দেখা গেছে, বাংলাদেশের শতকরা ৮৬ ভাগ নারী এখনো মাসিকের সময় পুরনো কাপড় বা ন্যাকড়া ব্যবহার করে। এর কারণ পুরনো কাপড় সহজলভ্য এবং এজন্য কোন খরচ গুনতে হয় না। তবে পুরনো কাপড়রের পরিচ্ছন্নতা নিয়ে সব সময়ই চিকিৎসক ও গবেষকরা উদ্বেগ প্রকাশ করে এসেছে। মাসিকের সময় কেবলমাত্র পরিচ্ছন্নতা এবং সচেতনতার অভাবে নারীর প্রজনন স্বাস্থ্য ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। ডা.তিশান মাহফুজ বলেছেন, পরিষ্কার করে ব্যবহার করতে পারলে কাপড় ক্ষতিকর নয়।

 

 

 

শারীরিক অস্বস্তির পাশাপাশি নানা রকম কুসংস্কারের কারণে প্রাচীন কাল থেকেই মাসিক মেয়েদের জন্য গোপন ও লজ্জাজনক। মাসিক হলে ঘর থেকে বের হউয়া যাবে না, শরীরে পানি লাগানো যাবে না, চুল ভেজানো যাবে না, বিছানায় শোয়া যাবে না…. এছাড়াও আরো কত কি!!! কিন্তু এ সবই ভুল ধারণা। এই সময় ঘরের কোনায় না থেকে বাহিরের আলোর সংস্পর্শে থাকা উচিত। নিয়মিত গোসল করা ও পরিষ্কার কাপড় পরা উচিত।

প্রতি মাসে নিয়ম করে এই নির্দিষ্ট কয়েকদিন প্রতিটি মেয়ের জীবনেই পার করতে হয়। প্রকৃতির নিয়ম মেনেই এই চক্র চলে। এটি নারীর শরীরবৃওীয় অধিকার । এটি সুস্থতার একটি অংশ। তাই মাসিক নিয়ে এখন মনে আর কোন অজ্ঞতা, দ্বিধা, লজ্জা পুষে রাখা চলবে না। বয়ঃসন্ধির আগেই পরিবারের মেয়ে শিশুটির পাশাপাশি ছেলে শিশুটিকেও মাসিক সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা দিতে হবে। এভাবেই আসতে আসতে সমাজ থেকে পিরিয়ড বা মাসিক নিয়ে সকল ভুল ধারণা দূর করা সম্ভব।

শিরোনাম:
বয়স্ক ভাতা আবেদন ফরম ডাউনলোড এবং পূরণ করে আবেদন করার নিয়ম সর্দিতে নাক বন্ধ হয়ে থাকলে দ্রুত যা করবেন ত্বক ফর্সা করার উপায় স্ত্রী সহবাসের সুন্নাত নিয়ম কোমর ব্যথার কারণ ও দূর করার উপায় পেটের চর্বি কমানর সহজ কিছু ব্যায়াম মেয়েদের মাসিক এবং মাসিকের সময় ব্যাথা হলে করনীয় সম্পর্কে জানুন মাসিক কী? দেশের বাজারে কমলো সোনার দাম বাংলাদেশের সেরা বক্তা আলেমদের বক্তাদের তালিকা অনলাইন থেকে আনলিমিটেড টাকা ইনকাম করার সহজ উপায় বাংলাদেশে মিলনের সময় নারীদের করণীয় । লজ্জা নয় জানুন এশার নামাজ কয় রাকাত অভিজ্ঞতা ছাড়াই চাকরি দেবে এসিআই মোটরস ৩৫টি বাদে সব কোম্পানির ফ্লোর প্রাইস উঠে গেল বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অভিজ্ঞতা ছাড়াই চাকরি দেবে এসিআই মোটরস 2024 শুভ রমজান শুভেচ্ছা বার্তা ও স্ট্যাটাস | 2024 Ramadan Mubarak Bengali Status ২০২৪ সালের রমজান ক্যালেন্ডার সময়সূচী-Ramadan Calendar 2024 ঢাকায় নিয়োগ দেবে মধুমতি ব্যাংক, আবেদন করন অনলাইনে