বুধবার, ২১শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

How to earn more money ?

জব জনপ্রিয় বিডি
আপডেটঃ আগস্ট ১৩, ২০২৩ | ১২:৫২ 72 ভিউ
জব জনপ্রিয় বিডি
আপডেটঃ আগস্ট ১৩, ২০২৩ | ১২:৫২ 72 ভিউ
Link Copied!

Whether you’ve been hit by an unexpected bill or simply want to sock away more into savings, earning extra money isn’t hard nowadays. The internet makes it easy to find side hustles, gigs or freelance opportunities.

Depending on your expertise and the activity, making an extra $1,000 a month is not outside the realm of possibility. You simply have to know where to look and then commit to putting in the time and energy needed.

Here are 11 options to try if you need another $1,000 in your bank account this month.

বিজ্ঞাপন

  1. Do odd jobs.
  2. Teach or tutor.
  3. Sell your stuff.
  4. Freelance your skills.
  5. Deliver things.
  6. Get a second job.
  7. Rent your space.
  8. Serve as a community guide.
  9. Drive for a ride-hailing app.
  10. Take up dog walking or pet sitting.
  11. Negotiate with your current employer.

Here’s more about how to make each option work for you.

Do Odd Jobs

Doing odd jobs for other people has long been a way to earn extra money, but the digital age is making it easy to connect with those who need work done.

Vanessa Garcia first heard about the app TaskRabbit in 2017 when a friend mentioned it was a place to get paid to assemble furniture. “I signed up on the app immediately and found out you could do a lot more than just building IKEA furniture – everything from personal assistant work to event planning and staffing, and much more,” she says.

বিজ্ঞাপন

Today, Garcia is a full-time Tasker – as workers on TaskRabbit are called – who works in Los Angeles while pursuing an acting career. She offers 24 skills on the site and has found organizing, interior design and furniture assembly to be the most successful tasks for her.

She recommends people offer many skills, maintain a high level of professionalism and market themselves well. “It’s really important you talk about yourself in a way where (someone) would want to hire you,” she says.

Teach or Tutor

Online learning was popular before the coronavirus pandemic, but the past two years have shone a light on how much teaching can be done using the internet.

While virtual schools stateside will continue to need teachers, there are also opportunities for those who want to teach English or other subjects to students from around the world. Websites like Preply, VIPKid and QKids are a few examples of sites connecting students with English teachers. In many cases, classes are taught entirely in English.

Other earning opportunities include tutoring online or in-person via sites like Wyzant or Varsity Tutors. Those with skills or knowledge can also create and sell online courses through platforms like Udemy and Teachable.

 

ট্যাগ:

মাসিক কী?

জব জনপ্রিয় বিডি
আপডেটঃ জানুয়ারি ২৭, ২০২৪ | ১২:৪৫ 20 ভিউ
জব জনপ্রিয় বিডি
আপডেটঃ জানুয়ারি ২৭, ২০২৪ | ১২:৪৫ 20 ভিউ
Link Copied!

অষ্টম শ্রেণির একটি মেয়েকে তার ক’জন পুরুষ সহপাঠী জিজ্ঞাসা করে – ‘বল তো স্যানিটারি ন্যাপকিন আর নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বোসের মধ্যে মিল কোথায়?’ মেয়েটা মাথা নাড়ে৷ ‘এটাও জানিস না? উত্তর হলো – গিভ মি ব্লাড, আই উইল গিভ ইউ ফ্রিডম৷’

সে’দিনই মেয়েটা বুঝতে পারে, মেয়েদের ঋতুস্রাব বা মাসিক নিয়ে ছেলেরা কতটা কৌতূহলী৷ আর কৌতূহলই কারণেই হয়ত তারা মেয়েদের নিয়ে মজা করে, টিটকিরি দেয়৷ অথচ একটু খুলে বললেই তো ছেলেরা বুঝতে পারতো, জানতে পারতো এ সময় মেয়েদের ঠিক কী হয়, কেন হয়…৷

 

বিজ্ঞাপন

সহজ করে বললে, ‘মুন ক্যালেন্ডার’ বা চন্দ্রমাস অনুয়ায়ী, মেয়েদের জরায়ু যে পরিবর্তনের মধ্যে দিয়ে যায় এবং প্রতিমাসে হরমোনের প্রভাবে মেয়েদের যোনিপথ দিয়ে যে রক্ত ও জরায়ু নিঃসৃত তরল পদার্থ বের হয়ে আসে, মাসিক বা ঋতুস্রাব বলে৷ এখনও বুঝতে পারলেন না? তাহলে এই ভিডিওটি দেখুন৷

 

ভিডিওটি দেখার পর মাসিক নিয়ে আপনার আর কোনো সংকোচ থাকবে না৷ মাসিক ব্যাপারটা নোংরা অথবা ঋতুস্রাবের সময় মেয়েরা দুর্বল হয়ে পড়ে, এমন ধারণাও আর থাকবে না আপনার৷ কখনোই মনে হবে না যে, ঋতুস্রাবের মধ্যে কোনো ‘অপবিত্রতা’ লুকিয়ে আছে৷ এটা ভুললে তো চোলবে না যে, এই ঋতুচক্রের ফলেই কিন্তু আপনি এই পৃথিবীতে এসেছেন৷

বিজ্ঞাপন

 

ডিজি/এআই

মেয়েদের মাসিক এবং মাসিকের সময় ব্যাথা হলে করনীয় সম্পর্কে জানুন

জব জনপ্রিয় বিডি
আপডেটঃ জানুয়ারি ২৭, ২০২৪ | ১২:৪৯ 21 ভিউ
জব জনপ্রিয় বিডি
আপডেটঃ জানুয়ারি ২৭, ২০২৪ | ১২:৪৯ 21 ভিউ
Link Copied!

মাসিক কোন রোগ নয়। প্রতিটা নারীর জীবন চক্রের একটা অংশ। বাংলাদেশের প্রায় মহিলারা মাসিক সম্পর্কে অনেক সমালোচনার সম্মুখীন হয়ে থাকে। সারা দেশে প্রায় ৫৪ মিলিয়ন ঋতুস্রাব অথবা (মাসিক) মহিলা রয়েছে। তাই, প্রতিটা মেয়ে যাতে মাসিক বিষয়টাকে আতঙ্ক হিসেবে না দেখে স্বাভাবিক ভাবে দেখতে শিখে এবং সচেতন হয় সেই জন্য পরিবারের অবদান অনেক বেশি জরুরি। আমাদের দেশের বেশির ভাগ মহিলারই পিরিয়ড অথবা(মাসিক) সম্পর্কে জ্ঞানের অভাব রয়েছে।

মেয়েদের জরায়ু যে পরিবর্তনের মধ্যে দিয়ে যায় এবং প্রতিমাসে হরমোনের প্রভাবে মেয়েদের যোনিপথ দিয়ে যে রক্ত ও জরায়ু নিঃসৃত তরল পদার্থ বের হয়ে আসে তাকে ( মাসিক) বা ঋতুস্রাব বলে। 

মাসিকের সময় মেয়েদের নানা রকম সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাছাড়া মাসিক হওয়ার আগে, পরে, চলাকালীন সময়ে এবং মাসিক বন্ধ হওয়ার পরও অনেকের মাথা ব্যথা, মাইগ্রেন, কোমড় ব্যাথা, পা ব্যাথা, বমিভাব, ওজন বাড়া, মেজাজ খারাপ, ঘুমের ব্যাঘাত, বার বার টয়লেটে যাওয়া, ত্বকের সমস্যা – এই রকম নানা ধরনের সমস্যা হয়ে থাকে মূলত শরীরের হরমোনজনিত কারণে।

বিজ্ঞাপন

দুই মাসিকের মধ্যবর্তী সময় যদি বার বার পরিবর্তন হতে থাকে, তাহলে তাকে অনিয়মিত মাসিক বলে। অনিয়মিত মাসিক দুই ভাবে হতে পারে। যেমন:

১.ঘন ঘন

২.দেরিতে

বিজ্ঞাপন

মাসিকের চক্র হিসাব করতে হলে যা করতে হবে;

এক মাসিকের প্রথম দিন থেকে আরেক মাসিকের প্রথম দিন পর্যন্ত যে সময়টা সেটাই হলো এক মাসিক চক্র। সাধারণত ২৮ দিন পর পর মাসিক হয়। যদিও ২১ দিন থেকে ৩৫ দিন অন্তর স্বাভাবিকতার তারতম্য হতে পারে। এক বার মাসিক হলে সাধারণত ২-৮ দিন থাকে এবং এক মাসিকের মোট ৫-৮০ মিলি পর্যন্ত রক্ত যেতে পারে। এই তিনটার যেকোনো একটার অনিয়ম মানে অনিয়মিত মাসিক।

বিভিন্ন বয়সে বিভিন্ন কারণে অনিয়মিত মাসিক হয়ে থাকে। যেমন ;

১.সাবালিকা হউয়ার প্রথম ১-২ বছর ডিম্বাশয়ের অপরিপক্বতার জন্য।

২.মেনোপজ হউয়ার আগের ৪-৫ বছর হরমোনের তারতম্যের জন্য।

৩.কিছু কিছু পিল খাওয়ার সময় পাশ্বপ্রতিক্রিয়ার জন্য।

৪.বুকের দুধ খাওয়ানো অবস্থায় হরমোনের তারতম্যের জন্য।

৫.খুব বেশি ব্যায়াম করলে।

৬.অতিরিক্ত টেনশন করলে।

৭.হঠাৎ ওজন খুব বেড়ে বা কমে গেলে।

৮.হরমোনজনিত রোগ পিসিওএস হলে।

৯.থাইরয়েড রোগীদের।

১০.স্ত্রী রোগ যেমন – জরায়ুর পলিপ, জরায়ুর প্রদাহ রোগ হলে।

মাসিক নিয়মিত হওয়া অনেক জরুরি। কারণ- অনিয়মিত মাসিকের সাথে অনেক দীর্ঘমেয়াদী স্বাস্থ্য সমস্যা জড়িত বলেই মাসিক নিয়মিত হওয়া জরুরি। মেয়েদের ঘুম, পরিপাক, বাচ্চা হওয়া সবই এর সাথে জড়িত।

পিরিয়ডের সময় সব ধরনের খাবার খাওয়া যাবে না। আর পিরিয়ডের সময় শারীরিক কষ্ট কমাতে ডায়েটের দিকে নজর রাখা প্রয়োজন। এই সময় কী ধরনের খাবার খাওয়া হচ্ছে, তার উপর শরীরের ভালো মন্দ অনেকাংশেই নির্ভর করে।

দুধ, চিজ বা দইঃ

পিরিয়ডের সময় দুধ,চিজ বা দইয়ের মতো ডেইরি প্রডাক্ট বেশি মাত্রায় খেলে বিশেষ কিছু হরমোনের ক্ষরন এতো মাত্রায় বেড়ে যায় যা শারীরিক কষ্ট ছাড়াতে সময় লাগে না। তাই এই সময় দুধ এবং দুধ থেকে বানানো খাবার যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলাই ভালো।

জাঙ্ক ফুডঃ

 

জাঙ্ক ফুড শরীরের জন্য ভালো নয়। আর এই সময় জাঙ্ক ফুড শরীরের জন্য আরো ক্ষতিকারক। পিরিয়ডের সময় ফ্রায়েড খাবার খেলে শরীরের মারাত্মক ক্ষতি করে।

 

লবণঃ

পিরিয়ডের সময় বেশি মাত্রায় লবণ রয়েছে এমন খাবার খেলে শরীরের অনেক ক্ষতি করে থাকে।

 

খালি পেটঃ

 

পিরিয়ডের সময় খালি পেটে একেবারেই থাকা উচিত না। এই সময় যেহেতু মাত্রাতিরিক্ত এনার্জি লস হয় তাই এই ঘাটতি পূরণে ঠিকমতো খাওয়া খুবই জরুরি।

কোল্ড ড্রিংকঃ

একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, এই সময় এই ধরনের পানিয় খেলে ইউরেটাইন ওয়ালে রক্ত থেকে যায়। এমনটা হতে থাকলে ৫-১০ বসর পর গিয়ে ক্যান্সারের ঝুঁকি অধিক মাত্রায় বেড়ে যায়।

 

 

 

শরীরচর্চাঃ

 

এই সময় অল্প বিস্তর শরীরচর্চা করা যেতে পারে। আর যদি পেটে এবং পিঠে ব্যাথা থাকে তাহলে একেবারেই শরীরচর্চা করা যাবে না।তাছাড়াও, এই সময় রাত জাগলে কাজ করার ক্ষমতা একেবারেই কমে যায়। সেই সাথে অসুস্থ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা আরো অনেক বেড়ে যায়। আর ঘুম না আসাতে শরীর এতোটাই ক্লান্তি হয়ে যায় যে, দৈনন্দিন কাজেও ব্যাঘাত আসতে শুরু করে দেয়। যার কারণে পিরিয়ডের সময় রাত জাগা একেবারেই চলবে না।

 

 

 

টক খাবারঃ

 

মাসিকের সময় সাধারণত কোন টক খাবার খেলে রক্তপাত কিংবা ব্যাথা বাড়ে না। টক জাতীয় খাবারের সাথে পিরিয়ডের কোন সম্পর্ক নেই।কিন্তু বিশেষ ধরনের টক খাবার খেলে ব্যাথা এবং রক্তপাত দুটোই বাড়তে পারে। সেই বিশেষ টক খাবার হচ্ছে লবণ যুক্ত টক খাবার।

 

 

 

কফিঃ

 

মাসিকের সময় উষ্ণ পানি পান করা উপকারী হলেও কফির ক্ষেত্রে এটি ব্যতিক্রম। শুধু কফি নয় ক্যাফেইন সসম্পর্কিত যেকোনো খাবার মাসিকের সময় এড়িয়ে চলা উচিত। কেননা কফি রক্ত চলাচলে ব্যাঘাত ঘটিয়ে থাকে এতে করে মাসিকের ব্যাথা আরো বাড়তে পারে।

 

 

 

 

 

পিরিয়ডের সময় পেট ব্যাথা হলে ব্যাথানাশক ঔষধ না খেয়ে ঘরোয়া উপায়ে ব্যাথা কমানো উচিত। এতে করে স্বাস্থ্যের কোন ক্ষতি হওয়ার ঝুঁকি অনেক কম থাকে।

 

 

 

মাসিকের সময় অতিরিক্ত পেট ব্যাথা করলে ” হট ওয়াটার ” ব্যাগে গরম পানি ভরে তলপেটে চাপ দিয়ে রাখা যেতে পারে। এতে করে ব্যাথানাশক ঔষধ না খেয়ে এই উপায়ে ব্যাথা অনেক কমানো সম্ভব।

 

 

ব্যাথা কমাতে আদা চা খাওয়া বেশ উপকারী। আদা প্রোস্টাগ্লান্ডিনের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে এবং ক্যামোমাইল ব্যাথা কমাতে সাহায্য করে থাকে। ব্যাথানাশক হিসেবে এই চা বেশ উপকারী।

মৌরিঃ

 

এই দানাদার মসলাতে রয়েছে বিভিন্ন রকম উপাদান যা মাসিকের ব্যাথা কমাতে সাহায্য করে। মাসিকের ব্যাথা বাড়লেই অল্প করে মুখে নিয়ে চিবিয়ে নিতে হবে অথবা পানিতে ফুটিয়ে অল্প করে চা এর মতো ফুটিয়ে পান করলেও অনেক উপকার পাওয়া যায়।

 

 

 

দারুচিনিঃ

 

মাসিকের সময় জমাট বাধা রক্তপাতের জন্য ব্যাথা ও অস্বস্তি বেড়ে যায়। দারুচিনিতে রয়েছে আঁশ ক্যালসিয়াম, আয়রন। খানিকটা পানিতে আধা-চা চামচ দারুচিনি গুলিয়ে রেখে কিছুক্ষন পর পর অল্প করে পান করলেই অনেক উপকার পাওয়া যাবে।

 

 

 

অর্গাজমঃ

 

মাসিকের সময় শারীরিক মিলন নিয়ে অনেক দ্বিধার মধ্যে থাকে মেয়েরা। কিন্তু এক গবেষণায় দেখা গেছে অর্গাজম পিরিয়ডের ব্যাথা কমাতে সাহায্য করে থাকে। কারণ এতে ভালোলাগার অনুভূতি বেড়ে যায় এতে করে রক্তচলাচলও বেড়ে যায়। ফলে মাসিকের ব্যাথা কমে আসে।

 

 

 

মাসের নির্দিষ্ট কয়েকদিন প্রত্যেক প্রাপ্ত বয়স্ক নারীকে কিছুটা শারীরিক ও মানসিক সমস্যার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়। মাসিকের এই সময়টাতে দেখা দেয় পুষ্টির অনেক ঘাটতিও। যার কারণে এই সময় খাবার নির্বাচনে সর্তক হতে হয়। মাসিকের সময় এমন খাবার খেতে হবে যেটা শরীরের বাড়তি পুষ্টি যোগাতে সহায়তা করবে।সুস্থ ও কর্মক্ষম থাকতে হলে নিচের খাবাগুলো অবশ্যই খেতে হবে ;

 

 

 

পানিঃ

 

মাসিকের সময় রক্তপাতের সাথে সাথে শরীর থেকে অনেক পানি বেড়িয়ে যায়। এই অভাব পূরণ করতে হলে প্রচুর পানি পান করতে হবে। চা, কফি, সফট্ ড্রিংস্ক এই ধরনের কোমল পানিয় দারা এই অভাব পূরণ করা যাবে না। শুধুমাএ পানি দিয়েই এই অভাব পূরণ করতে হবে।

 

আয়রন সমৃদ্ধ খাবারঃ

 

যেসব খাবারে প্রচুর আয়রন পাওয়া যায় যেমন – মাছ, মাংস, ডিম,পুঁই শাক, ডাটা শাক,ফুলকপির পাতা, ধনে পাতা, কচুশাক, তরমুজ, কালোজাম, খেজুর, পাঁকা তেতুল ও আমড়া এই জাতীয় খাবার খেতে হবে বেশি করে। এই খাবারগুলো শরীরের আয়রনের ঘাটতি অনেকটা পূরণ করবে।

 

 

 

মাছঃ

 

সামুদ্রিক মাছে থাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, মিনারেল, ফ্যাটি এসিড ইত্যাদি। এগুলো মাসিকের সময় শরীরের ক্ষয় পূরণ করতে সাহায্য করে এবং ব্যাথা কমাতেও সহায়তা করে থাকে।

 

 

 

ফলঃ

 

শরীরের আয়রনের ঠিকমতো শোষণ ও ঠিকমতো কার্যকরিতার জন্য ভিটামিন-সি জরুরি। কিছু সহজলভ্য ফল যেমন- পেয়ারা, আমলকি, লেবু, জলপাই, পাঁকা পেঁপে,জাম্বুরা,আনারস ইত্যাদিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-সি পাওয়া যায়। মাসিকের সময় এই ফলগুলো খাওয়ার অভ্যাস রাখা অনেক জরুরি।

 

 

 

সবুজ-শাকসবজিঃ

 

সবুজ শাক-সবজিতে আছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন যা শরীরের ক্ষয় পূরণ করতে সহায়তা করে। এটি শুধুমাএ আয়রন ও ভিটামিন-বি এ পরিপূর্ণ নয়, বরং উচ্চমাত্রায় আশঁও আছে এতে যা কিনা হজমে সহায়তা করে থাকে। ভালোভাবে হজম হওয়া পিরিয়ডের সময় সুস্থ থাকার একটি অপরিহার্য শর্ত। তাই প্রতিবেলার খাবারে অবশ্যই সবুজ শাক-সবজি রাখতে হবে।

 

কলাঃ

 

কলা পটাশিয়ামের ও ভিটামিনের খুব ভালো উৎস যা মাসিকের সময় শরীরের জন্য খুব জরুরি। কলা মাসিকের সময় বিষ্নন্নতা কমাতেও সহায়ক। মাসিকের সময় কলা প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় রাখা অনেক জরুরি।

 

 

 

প্রোটিনঃ

 

ডাল, ডিম, মাছ, মাংসে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন থাকে। তাই মাসিকের সময় এই জাতীয় খাবার গুলা খাওয়া অনেক জরুরি। প্রোটিন ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণ করে এবং মিষ্টি জাতীয় খাবার খাওয়ার আগ্রহ কমিয়ে দেয়।

 

 

 

 

 

 

 

পিরিয়ড বা মাসিকের মতো একটা স্বাভাবিক আর প্রাকৃতিক বিষয় নিয়ে লজ্জা আর সংকোচনের শেষ নেই বাংলাদেশের সমাজে। গবেষকরা বলেছে, বাংলাদেশের নারী স্বাস্থ্য,বিশেষ করে নারীর প্রজনন স্বাস্থ্য এবং মাসিকের সময় পরিচ্ছন্নতা ও নিরাপদ ব্যবস্থাপনা না থাকার কারণে নানা রকম অসুখ বিসুখও হচ্ছে।

 

 

 

বাংলাদেশে ২০১৪ সালে সংকার এবং আইসিডিডিআরবির চালানো ন্যাশনাল হাইজিন সার্ভেতে বলা হয়েছে মাসিকের সময় পরিচ্ছন্নতা এবং স্বাস্থ্য ঝুঁকি নিয়ে প্রায় কোন ধারণাই নেই বেশির ভাগ নারীর। বাংলাদেশের মেয়েরা মাসিকের সময় মূলত দুইটা জিনিস বেশি ব্যবহার করেন, তা হচ্ছে- পুরনো কাপড় এবং স্যানিটারি ন্যাপকিন। ২০১৪ সালে ন্যাশনাল হাইজিন সার্ভেতে দেখা গেছে, বাংলাদেশের শতকরা ৮৬ ভাগ নারী এখনো মাসিকের সময় পুরনো কাপড় বা ন্যাকড়া ব্যবহার করে। এর কারণ পুরনো কাপড় সহজলভ্য এবং এজন্য কোন খরচ গুনতে হয় না। তবে পুরনো কাপড়রের পরিচ্ছন্নতা নিয়ে সব সময়ই চিকিৎসক ও গবেষকরা উদ্বেগ প্রকাশ করে এসেছে। মাসিকের সময় কেবলমাত্র পরিচ্ছন্নতা এবং সচেতনতার অভাবে নারীর প্রজনন স্বাস্থ্য ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। ডা.তিশান মাহফুজ বলেছেন, পরিষ্কার করে ব্যবহার করতে পারলে কাপড় ক্ষতিকর নয়।

 

 

 

শারীরিক অস্বস্তির পাশাপাশি নানা রকম কুসংস্কারের কারণে প্রাচীন কাল থেকেই মাসিক মেয়েদের জন্য গোপন ও লজ্জাজনক। মাসিক হলে ঘর থেকে বের হউয়া যাবে না, শরীরে পানি লাগানো যাবে না, চুল ভেজানো যাবে না, বিছানায় শোয়া যাবে না…. এছাড়াও আরো কত কি!!! কিন্তু এ সবই ভুল ধারণা। এই সময় ঘরের কোনায় না থেকে বাহিরের আলোর সংস্পর্শে থাকা উচিত। নিয়মিত গোসল করা ও পরিষ্কার কাপড় পরা উচিত।

প্রতি মাসে নিয়ম করে এই নির্দিষ্ট কয়েকদিন প্রতিটি মেয়ের জীবনেই পার করতে হয়। প্রকৃতির নিয়ম মেনেই এই চক্র চলে। এটি নারীর শরীরবৃওীয় অধিকার । এটি সুস্থতার একটি অংশ। তাই মাসিক নিয়ে এখন মনে আর কোন অজ্ঞতা, দ্বিধা, লজ্জা পুষে রাখা চলবে না। বয়ঃসন্ধির আগেই পরিবারের মেয়ে শিশুটির পাশাপাশি ছেলে শিশুটিকেও মাসিক সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা দিতে হবে। এভাবেই আসতে আসতে সমাজ থেকে পিরিয়ড বা মাসিক নিয়ে সকল ভুল ধারণা দূর করা সম্ভব।

পেটের চর্বি কমানর সহজ কিছু ব্যায়াম

জব জনপ্রিয় বিডি
আপডেটঃ জানুয়ারি ২৭, ২০২৪ | ১২:৫৬ 21 ভিউ
জব জনপ্রিয় বিডি
আপডেটঃ জানুয়ারি ২৭, ২০২৪ | ১২:৫৬ 21 ভিউ
Link Copied!

পেটের চর্বি কি আপনার ঘুম হারার করে দিয়েছে? আজকাল ছোট বর অনেকেই এই সমস্যায় জর্জরিত। কিন্তু আশার বেপার হচ্ছে এটা খুব সহজেই দূরকরা যায়। সুধু দরকার খাদ্যাভ্যাসের কিছু পরিবর্তন সাথে কিছু ব্যায়াম।

কেউ যদি মনে করে সুধু খাবার কম খেলেই পেটের চর্বি কমে যাবে, তাহলে এটা ভুল। এটা আপনার শরীরের মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে। তাই ডায়েট আর ব্যায়াম পাশাপাশি রাখতে হবে। চেষ্টা করুন প্রতিদিন কিছু সময় ব্যায়ামের পিছে ব্যয় করতে, যদি পেটের চর্বি কমাতে চান।

এখানে আমরা কিছু পেটের চর্বি কমানর সাধারণ ব্যায়ামের মধ্যে ১ম টি নিয়ে আলোচনা করব।

বিজ্ঞাপন

 

এটা হচ্ছে ক্রাঞ্চেস (Crunches)

পেটের চর্বি কমানর জন্য এর চেয়ে ভাল ব্যায়াম আর আছে বলে মনে হয় না। দ্রুত চর্বি কমানর জন্য ক্রাঞ্চেসই সব চেয়ে ভাল ব্যায়াম।

বিজ্ঞাপন

কিভাবে করবেন

১। সমতল মেটে পা ভাজ করে খাড়া অবস্থায় মাটির সাথে রেখে চিত হয়ে শুয়ে পরুন (চিত্র ১)। অথবা পা ৯০ডিগ্রি ভাজ করে মাটি থেকে উপরেও রাখতে পারেন (চিত্র ২)

২। হাতগুলো ভাজ করে মাথার পিছনে রাখতে পারেন। অথবা ভাজ করা হাতগুলো বুকের উপড়ে রাখতে পারেন

৩। শ্বাস নিন সাথে সাথে আপার বডি কিছুটা উপড়ের দিকে উঠানর চেষ্টা করুন

৪। আবার শ্বাস নিন সাথে সাথে আপার বডি আগের পজিশনে নিয়ে আসুন

৫। এভাবে ১০বার করুন

৬। পুর প্রক্রিয়া ২-৩বার করুন।

সতর্কতা

১। ক্রাঞ্চেস করার সমায় খেয়াল রাখতে হবে যেন কোনভাবেই পিঠে ব্যাথা না লাগে। আপার বডি কয়েক ইঞ্চি উপড়ে উঠালেই হবে।

২। খেয়াল রাখতে হবে যেন কোনভাবেই ঘাড়ে ব্যাথা না লাগে।

ত্বক ফর্সা করার উপায়

জব জনপ্রিয় বিডি
আপডেটঃ জানুয়ারি ২৭, ২০২৪ | ১:১০ 16 ভিউ
জব জনপ্রিয় বিডি
আপডেটঃ জানুয়ারি ২৭, ২০২৪ | ১:১০ 16 ভিউ
Link Copied!

ফর্সা নয়। বরং নজর দিন কীভাবে আপনার নিজস্ব রঙ আরও সুন্দর, মসৃণ ও উজ্জল দেখাবে। ত্বকের বলিরেখা, অ্যাকনে, ট্যান নিরাময়ের দিকে বেশি নজর দিন। মেনে চলুন কয়েকটি সহজ অভ্যাস। ছোট ছোট বদল এনেই পাবেন উপকার।

ত্বক উজ্জ্বল করার ৮টি সহজ উপায়

  • প্রতিদিন ৩-৪ লিটার জল পান করুন। ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখতে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
  • রাতে একটানা ন্যূনতম ৮ ঘণ্টা ঘুমনোর চেষ্টা করুন। এতে ক্ষতিগ্রস্থ কোষ মেরামত হবে, নতুন স্কিন সেল গঠন বাড়বে।
  • খাওয়াদাওয়া ঠিক করুন। একটি বা দুটি ফল খান প্রতিদিন। পাতিলেবু খান। পাতে রাখুন প্রচুর মরসুমি শাক-সবজি। তেল-মশা, মিষ্টি জাতীয় খাবার কম খান।
  • নিয়মিত হালকা ব্যায়াম করুন। স্কিপিং, জগিং, ফ্রি হ্যান্ড এক্সারসাইজের মতো ব্যায়াম করুন। এতে রক্তসঞ্চালন বাড়বে। ত্বক টানটান, উজ্জ্বল থাকবে।
  • রোদের প্রভাবে ত্বকের অনেক ক্ষতি হয়। তবে, কাজের জন্য বের হলে অবশ্যই ছাতা, সানগ্লাস ব্যবহার করুন। SPF 50-র সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন। সানস্ক্রিন মেখে অনেকের ঘাম হয়, কারণ তাঁদের সেই ব্র্যান্ডটি স্যুট করে না। এক্ষেত্রে কয়েকটি ছোট স্যাম্পেল ট্রায়াল-অ্যান্ড-এরর করে যাচাই করে নিন। আপনার ত্বকে স্যুট করে, এমন সানস্ক্রিন সারাদিন মেখে থাকলেও সমস্যা হবে না।
  • ঘুম থেকে উঠে, বাইরে থেকে এসে ও রাতে ঘুমের আগে- দিনে তিনবার ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। মুখ ধোওয়ার পর অবশ্যই কোনও হালকা ময়েশ্চরাইজার ব্যবহার করুন।
  • সপ্তাহে ১-২ দিন স্ক্রাব করুন। ত্বকের মৃত কোষ উঠে যাবে। তবে ব্রণ থাকলে সেই স্থানটা এড়িয়ে যান।
  • ব্রণ, অ্যাকনের সমস্যা থাকলে খুঁটবেন না। মুখে হাত দেওয়াই বন্ধ করে দিন।

বিজ্ঞাপন

স্ত্রী সহবাসের সুন্নাত নিয়ম

জব জনপ্রিয় বিডি
আপডেটঃ জানুয়ারি ২৭, ২০২৪ | ১২:৫৯ 17 ভিউ
জব জনপ্রিয় বিডি
আপডেটঃ জানুয়ারি ২৭, ২০২৪ | ১২:৫৯ 17 ভিউ
Link Copied!

সহবাসের সঠিক নিয়ম হলো স্ত্রী নিচে থাকবে আর স্বামী ঠিক তার উপরি ভাবে থেকে সহবাস করবে। মহান আল্লাহ তায়ালা সহবাসের নিয়ম এভাবেই সুরা আরাফের ১৮৯ নম্বর আয়াতে

বলেছেন فَلَمَّا تَغَشَّاهَا حَمَلَتْ حَمْلاً خَفِيفًا فَمَرَّتْ بِهِ فَلَمَّا أَثْقَلَت دَّعَوَا اللّهَ رَبَّهُمَا لَئِنْ آتَيْتَنَا صَالِحاً لَّنَكُونَنَّ مِنَ الشَّاكِرِينَ (

অতঃপর পুরুষ যখন নারীকে আবৃত করল, তখন, সে গর্ভবতী হল। অতি হালকা গর্ভ। সে তাই নিয়ে চলাফেরা করতে থাকল। ( সুরা আরাফ: ১৮৯ অংশ)

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞ ডাক্তারগন এটিই বার বার বলে থাকেন।

বিধায় স্পষ্ট নিয়ম হলো স্ত্রী নিচে থাকবে স্বামি উপরে থাকবে। আর তাতেই স্ত্রী গর্ভধারন করবে।

সতর্কতা : এমন যেন না হয় যে স্ত্রী স্বামীর উপর থেকে বসে সহবাস করছে আর সেসময় স্বামীর বীর্যপাত হয়ে গেল। তাহলে ডাক্তারী চিকিৎসা মতে তখন বীর্য পুরো বের হয়না ভেতরে বিশেষ জায়গায় থেকে যায় আর তাতে পুরুষের ভেতর পাথর তৈরি হয়ে বড় ধরনের রোগ হবার আশংকা থাকে। তাছাডা স্ত্রী গর্ভধারণও করেনা।যদিও ইদানিং অনেক নিয়ম নেটে দেখানো হয় এ গুলো সঠিক নিয়ম নয় এগুলোতে প্রশান্তি নেই।

বিজ্ঞাপন

সহবাসের আরো কিছু সুন্নত নিয়ম হলো।

  1. স্ত্রী সহবাসের আগে ভাল করে দাতঁ ব্রাশ বা মিসওয়াক করবে।
  2. স্বামীও ভাল করে দাঁত মেসওয়াক বা ব্রাশ করবে। সিগারেট বা কোন বদ নেশার দুর্গন্ধ নিয়ে স্ত্রীর কাছে যাবে না।
  3. স্বামী স্ত্রী সহবাসের পুর্বে উভয় উজু করে নিবে
  4. বিসমিল্লাহ বলে আরম্ভ করা মুস্তাহাব। শুরুতে ভুলে গেলে বীর্যপাত হবার পর বিসমিল্লাহ পড়বে ।
  5. স্ত্রীগন শরিরে সুগন্ধি টেলকম পাউডার বা সুগন্ধি লাগিয়ে নিবে। স্বামীও আতর বা সুগন্ধি লাগিয়ে নিবে ।
  6. সহবাসের সময় কেবলা মুখি হয়ে করবেনা।
  7. সহবাসের সময় একেবারে উলঙ্গ হয়ে পড়বেনা। যদি তৃপ্তি না আসে তাহলে উপরে কোন কাপড় বা চাদর দিয়ে ঢেকে নিবে।
  8. বীর্যপাত হয়ে গেলে সাথে সাথে স্ত্রীর উপর থেকে নেমে পড়বেনা। বরং কিছু সময় তার উপর শুয়ে থাকবে। আবার পুরো শরিরের ভর তার উপর ছেড়ে দিবে না যাতে তার কষ্ট না হয় সেদিকে খেয়াল রাখা সুন্নত।
  9. সহবাসের পর দোয়া পড়বে। অথবা বাংলাতে বলবে হে আল্লাহ বিতারিত শয়তান থেকে আপনার কাছে আমরা আশ্রয় চাচ্ছি হে আল্লাহ আমাদেরকে নেক সন্তান দান করুন ও আপনার নেয়ামত দ্বারা পরিপূর্ন করুন। তাহলে এই সহবাস দ্বারা যদি সন্তান লাভ হয় তাহলে শয়তান সে বাচ্চার কোন ক্ষতি করতে পারবেনা ।
  10. কোন ভাবেই পায়ূ পথে সঙ্গমের চিন্তা ও করবেনা এটা মহাপাপ, যেটা কোরআন হাদিসে কঠিন ভাবে নিষেধ করা হয়েছে।তা ছাডা ডাক্তারী সাইন্স মতে উভয়ের এমন কঠিন ব্যধির আশংকা রয়েছে যার চিকিৎসা পৃথিবীর কোন ডাক্তার ও করতে পারবেনা।
  11. কোন আবস্হায় নেশা জাতীয় খাদ্যে বা পানীয় খেয়ে বা পান করে সহবাস করবেনা।
  12. কারো সামনে এমনকি নিজের আডাই/ তিন বছরের জাগ্রত শিশুর সামনে ও নয়।

শিরোনাম:
বয়স্ক ভাতা আবেদন ফরম ডাউনলোড এবং পূরণ করে আবেদন করার নিয়ম সর্দিতে নাক বন্ধ হয়ে থাকলে দ্রুত যা করবেন ত্বক ফর্সা করার উপায় স্ত্রী সহবাসের সুন্নাত নিয়ম কোমর ব্যথার কারণ ও দূর করার উপায় পেটের চর্বি কমানর সহজ কিছু ব্যায়াম মেয়েদের মাসিক এবং মাসিকের সময় ব্যাথা হলে করনীয় সম্পর্কে জানুন মাসিক কী? দেশের বাজারে কমলো সোনার দাম বাংলাদেশের সেরা বক্তা আলেমদের বক্তাদের তালিকা অনলাইন থেকে আনলিমিটেড টাকা ইনকাম করার সহজ উপায় বাংলাদেশে মিলনের সময় নারীদের করণীয় । লজ্জা নয় জানুন এশার নামাজ কয় রাকাত অভিজ্ঞতা ছাড়াই চাকরি দেবে এসিআই মোটরস ৩৫টি বাদে সব কোম্পানির ফ্লোর প্রাইস উঠে গেল বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অভিজ্ঞতা ছাড়াই চাকরি দেবে এসিআই মোটরস 2024 শুভ রমজান শুভেচ্ছা বার্তা ও স্ট্যাটাস | 2024 Ramadan Mubarak Bengali Status ২০২৪ সালের রমজান ক্যালেন্ডার সময়সূচী-Ramadan Calendar 2024 ঢাকায় নিয়োগ দেবে মধুমতি ব্যাংক, আবেদন করন অনলাইনে