বুধবার, ২১শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

All DC Office Job Circular 2024 – জেলা প্রশাসকের কার্যালয় নিয়োগ

জব জনপ্রিয় বিডি
আপডেটঃ জানুয়ারি ১৪, ২০২৪ | ১:৩১ 36 ভিউ
জব জনপ্রিয় বিডি
আপডেটঃ জানুয়ারি ১৪, ২০২৪ | ১:৩১ 36 ভিউ
Link Copied!

All DC Office job circular 2024 in Bangladesh has been published on their official website. District Commissioner DC Office job circular is very popular and attractive govt job circular 2024 in Bangladesh. DC Office job circular 2024 provides an excellent opportunity for Bangladeshi government job seekers. Here, you can find all DC Office job circular 2024 on our BD Job News website. To learn more about all DC Office job circular 2024 and District Commissioner Office job circular 2024, read this article carefully.

DC Office Job Circular 2024

DC Office job circular 2024 has been published by the authority on 21, 22, 27, 28 December 2023 & 12 January 2024. Interested men and women must apply for the District Commissioner Office job through post office within the deadline.The last date for application submission is 14, 15, 18, 21, 24 January & 10, 25 February 2024.

বিজ্ঞাপন

 

District Commissioner Office Job Circular 2024

District Commissioner Office Job Circular 2024 is one of the top government job circular in Bangladesh. District Commissioner Office is providing new government job opportunity through the DC Office Job Circular 2024. If you aspire to build a career in the government sector, then the District Commissioner Office Job Circular 2024 is the best choice for you.

বিজ্ঞাপন

 

District Commissioner Office Job Circular 2024 is a great opportunity for those seeking the best govt job in Bangladesh. Therefore, If you wish to work at the District Commissioner (DC Office), please read the detailed information before Sending your job application.

 

DC Office job circular offer financial stability, benefits and opportunities for career growth. You can earn a respectable living by working in the District Commissioner (DC) Office. If you want to create a bright future, you can apply for the DC Office Job Circular 2024.

 

All information about the DC Office Job Circular 2024

DC Office Job Circular 2024
Employer Name: District Commissioner Office (DC Office)
Post Name: Please find the DC Office job recruitment 2024 PDF document below
Job Location: Any district of Bangladesh
Posts Category: See job circular image
Total Posts: See job circular image
Job Type: Full time jobs
Job Category: All Govt Jobs.
Gender: Both male and female candidates are eligible to apply
Age Limitation: The age eligibility for general candidates is 18 to 30 years, with a maximum age of 32 years for quota holders
Educational Qualifications: Candidates who have passed SSC, HSC and Graduate degree pass are eligible to apply
required experience: Freshers are also eligible to apply for the position. See the DC Office job recruitment 2024 image below
Other Benefits: In accordance with government employment laws and regulations
Salary: As per Government pay scale
Job Application Process: Offline/Online. Post/Directly
Application Fee: 100 – 500 Taka
Application Fee Process: Pay order/Bank draft
Selection Process: As per the government job examination
Circular Source: Online.
Job Publish Date:  21, 22, 27, 28 December 2023 & 12 January 2024
Start Date of Application: Running.
Last Date of Application : 14, 15, 18, 21, 24 January & 10, 25 February 2024
Application Form Website: See below.

ট্যাগ:

মেয়েদের মাসিক এবং মাসিকের সময় ব্যাথা হলে করনীয় সম্পর্কে জানুন

জব জনপ্রিয় বিডি
আপডেটঃ জানুয়ারি ২৭, ২০২৪ | ১২:৪৯ 21 ভিউ
জব জনপ্রিয় বিডি
আপডেটঃ জানুয়ারি ২৭, ২০২৪ | ১২:৪৯ 21 ভিউ
Link Copied!

মাসিক কোন রোগ নয়। প্রতিটা নারীর জীবন চক্রের একটা অংশ। বাংলাদেশের প্রায় মহিলারা মাসিক সম্পর্কে অনেক সমালোচনার সম্মুখীন হয়ে থাকে। সারা দেশে প্রায় ৫৪ মিলিয়ন ঋতুস্রাব অথবা (মাসিক) মহিলা রয়েছে। তাই, প্রতিটা মেয়ে যাতে মাসিক বিষয়টাকে আতঙ্ক হিসেবে না দেখে স্বাভাবিক ভাবে দেখতে শিখে এবং সচেতন হয় সেই জন্য পরিবারের অবদান অনেক বেশি জরুরি। আমাদের দেশের বেশির ভাগ মহিলারই পিরিয়ড অথবা(মাসিক) সম্পর্কে জ্ঞানের অভাব রয়েছে।

মেয়েদের জরায়ু যে পরিবর্তনের মধ্যে দিয়ে যায় এবং প্রতিমাসে হরমোনের প্রভাবে মেয়েদের যোনিপথ দিয়ে যে রক্ত ও জরায়ু নিঃসৃত তরল পদার্থ বের হয়ে আসে তাকে ( মাসিক) বা ঋতুস্রাব বলে। 

মাসিকের সময় মেয়েদের নানা রকম সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাছাড়া মাসিক হওয়ার আগে, পরে, চলাকালীন সময়ে এবং মাসিক বন্ধ হওয়ার পরও অনেকের মাথা ব্যথা, মাইগ্রেন, কোমড় ব্যাথা, পা ব্যাথা, বমিভাব, ওজন বাড়া, মেজাজ খারাপ, ঘুমের ব্যাঘাত, বার বার টয়লেটে যাওয়া, ত্বকের সমস্যা – এই রকম নানা ধরনের সমস্যা হয়ে থাকে মূলত শরীরের হরমোনজনিত কারণে।

বিজ্ঞাপন

দুই মাসিকের মধ্যবর্তী সময় যদি বার বার পরিবর্তন হতে থাকে, তাহলে তাকে অনিয়মিত মাসিক বলে। অনিয়মিত মাসিক দুই ভাবে হতে পারে। যেমন:

১.ঘন ঘন

২.দেরিতে

বিজ্ঞাপন

মাসিকের চক্র হিসাব করতে হলে যা করতে হবে;

এক মাসিকের প্রথম দিন থেকে আরেক মাসিকের প্রথম দিন পর্যন্ত যে সময়টা সেটাই হলো এক মাসিক চক্র। সাধারণত ২৮ দিন পর পর মাসিক হয়। যদিও ২১ দিন থেকে ৩৫ দিন অন্তর স্বাভাবিকতার তারতম্য হতে পারে। এক বার মাসিক হলে সাধারণত ২-৮ দিন থাকে এবং এক মাসিকের মোট ৫-৮০ মিলি পর্যন্ত রক্ত যেতে পারে। এই তিনটার যেকোনো একটার অনিয়ম মানে অনিয়মিত মাসিক।

বিভিন্ন বয়সে বিভিন্ন কারণে অনিয়মিত মাসিক হয়ে থাকে। যেমন ;

১.সাবালিকা হউয়ার প্রথম ১-২ বছর ডিম্বাশয়ের অপরিপক্বতার জন্য।

২.মেনোপজ হউয়ার আগের ৪-৫ বছর হরমোনের তারতম্যের জন্য।

৩.কিছু কিছু পিল খাওয়ার সময় পাশ্বপ্রতিক্রিয়ার জন্য।

৪.বুকের দুধ খাওয়ানো অবস্থায় হরমোনের তারতম্যের জন্য।

৫.খুব বেশি ব্যায়াম করলে।

৬.অতিরিক্ত টেনশন করলে।

৭.হঠাৎ ওজন খুব বেড়ে বা কমে গেলে।

৮.হরমোনজনিত রোগ পিসিওএস হলে।

৯.থাইরয়েড রোগীদের।

১০.স্ত্রী রোগ যেমন – জরায়ুর পলিপ, জরায়ুর প্রদাহ রোগ হলে।

মাসিক নিয়মিত হওয়া অনেক জরুরি। কারণ- অনিয়মিত মাসিকের সাথে অনেক দীর্ঘমেয়াদী স্বাস্থ্য সমস্যা জড়িত বলেই মাসিক নিয়মিত হওয়া জরুরি। মেয়েদের ঘুম, পরিপাক, বাচ্চা হওয়া সবই এর সাথে জড়িত।

পিরিয়ডের সময় সব ধরনের খাবার খাওয়া যাবে না। আর পিরিয়ডের সময় শারীরিক কষ্ট কমাতে ডায়েটের দিকে নজর রাখা প্রয়োজন। এই সময় কী ধরনের খাবার খাওয়া হচ্ছে, তার উপর শরীরের ভালো মন্দ অনেকাংশেই নির্ভর করে।

দুধ, চিজ বা দইঃ

পিরিয়ডের সময় দুধ,চিজ বা দইয়ের মতো ডেইরি প্রডাক্ট বেশি মাত্রায় খেলে বিশেষ কিছু হরমোনের ক্ষরন এতো মাত্রায় বেড়ে যায় যা শারীরিক কষ্ট ছাড়াতে সময় লাগে না। তাই এই সময় দুধ এবং দুধ থেকে বানানো খাবার যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলাই ভালো।

জাঙ্ক ফুডঃ

 

জাঙ্ক ফুড শরীরের জন্য ভালো নয়। আর এই সময় জাঙ্ক ফুড শরীরের জন্য আরো ক্ষতিকারক। পিরিয়ডের সময় ফ্রায়েড খাবার খেলে শরীরের মারাত্মক ক্ষতি করে।

 

লবণঃ

পিরিয়ডের সময় বেশি মাত্রায় লবণ রয়েছে এমন খাবার খেলে শরীরের অনেক ক্ষতি করে থাকে।

 

খালি পেটঃ

 

পিরিয়ডের সময় খালি পেটে একেবারেই থাকা উচিত না। এই সময় যেহেতু মাত্রাতিরিক্ত এনার্জি লস হয় তাই এই ঘাটতি পূরণে ঠিকমতো খাওয়া খুবই জরুরি।

কোল্ড ড্রিংকঃ

একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, এই সময় এই ধরনের পানিয় খেলে ইউরেটাইন ওয়ালে রক্ত থেকে যায়। এমনটা হতে থাকলে ৫-১০ বসর পর গিয়ে ক্যান্সারের ঝুঁকি অধিক মাত্রায় বেড়ে যায়।

 

 

 

শরীরচর্চাঃ

 

এই সময় অল্প বিস্তর শরীরচর্চা করা যেতে পারে। আর যদি পেটে এবং পিঠে ব্যাথা থাকে তাহলে একেবারেই শরীরচর্চা করা যাবে না।তাছাড়াও, এই সময় রাত জাগলে কাজ করার ক্ষমতা একেবারেই কমে যায়। সেই সাথে অসুস্থ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা আরো অনেক বেড়ে যায়। আর ঘুম না আসাতে শরীর এতোটাই ক্লান্তি হয়ে যায় যে, দৈনন্দিন কাজেও ব্যাঘাত আসতে শুরু করে দেয়। যার কারণে পিরিয়ডের সময় রাত জাগা একেবারেই চলবে না।

 

 

 

টক খাবারঃ

 

মাসিকের সময় সাধারণত কোন টক খাবার খেলে রক্তপাত কিংবা ব্যাথা বাড়ে না। টক জাতীয় খাবারের সাথে পিরিয়ডের কোন সম্পর্ক নেই।কিন্তু বিশেষ ধরনের টক খাবার খেলে ব্যাথা এবং রক্তপাত দুটোই বাড়তে পারে। সেই বিশেষ টক খাবার হচ্ছে লবণ যুক্ত টক খাবার।

 

 

 

কফিঃ

 

মাসিকের সময় উষ্ণ পানি পান করা উপকারী হলেও কফির ক্ষেত্রে এটি ব্যতিক্রম। শুধু কফি নয় ক্যাফেইন সসম্পর্কিত যেকোনো খাবার মাসিকের সময় এড়িয়ে চলা উচিত। কেননা কফি রক্ত চলাচলে ব্যাঘাত ঘটিয়ে থাকে এতে করে মাসিকের ব্যাথা আরো বাড়তে পারে।

 

 

 

 

 

পিরিয়ডের সময় পেট ব্যাথা হলে ব্যাথানাশক ঔষধ না খেয়ে ঘরোয়া উপায়ে ব্যাথা কমানো উচিত। এতে করে স্বাস্থ্যের কোন ক্ষতি হওয়ার ঝুঁকি অনেক কম থাকে।

 

 

 

মাসিকের সময় অতিরিক্ত পেট ব্যাথা করলে ” হট ওয়াটার ” ব্যাগে গরম পানি ভরে তলপেটে চাপ দিয়ে রাখা যেতে পারে। এতে করে ব্যাথানাশক ঔষধ না খেয়ে এই উপায়ে ব্যাথা অনেক কমানো সম্ভব।

 

 

ব্যাথা কমাতে আদা চা খাওয়া বেশ উপকারী। আদা প্রোস্টাগ্লান্ডিনের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে এবং ক্যামোমাইল ব্যাথা কমাতে সাহায্য করে থাকে। ব্যাথানাশক হিসেবে এই চা বেশ উপকারী।

মৌরিঃ

 

এই দানাদার মসলাতে রয়েছে বিভিন্ন রকম উপাদান যা মাসিকের ব্যাথা কমাতে সাহায্য করে। মাসিকের ব্যাথা বাড়লেই অল্প করে মুখে নিয়ে চিবিয়ে নিতে হবে অথবা পানিতে ফুটিয়ে অল্প করে চা এর মতো ফুটিয়ে পান করলেও অনেক উপকার পাওয়া যায়।

 

 

 

দারুচিনিঃ

 

মাসিকের সময় জমাট বাধা রক্তপাতের জন্য ব্যাথা ও অস্বস্তি বেড়ে যায়। দারুচিনিতে রয়েছে আঁশ ক্যালসিয়াম, আয়রন। খানিকটা পানিতে আধা-চা চামচ দারুচিনি গুলিয়ে রেখে কিছুক্ষন পর পর অল্প করে পান করলেই অনেক উপকার পাওয়া যাবে।

 

 

 

অর্গাজমঃ

 

মাসিকের সময় শারীরিক মিলন নিয়ে অনেক দ্বিধার মধ্যে থাকে মেয়েরা। কিন্তু এক গবেষণায় দেখা গেছে অর্গাজম পিরিয়ডের ব্যাথা কমাতে সাহায্য করে থাকে। কারণ এতে ভালোলাগার অনুভূতি বেড়ে যায় এতে করে রক্তচলাচলও বেড়ে যায়। ফলে মাসিকের ব্যাথা কমে আসে।

 

 

 

মাসের নির্দিষ্ট কয়েকদিন প্রত্যেক প্রাপ্ত বয়স্ক নারীকে কিছুটা শারীরিক ও মানসিক সমস্যার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়। মাসিকের এই সময়টাতে দেখা দেয় পুষ্টির অনেক ঘাটতিও। যার কারণে এই সময় খাবার নির্বাচনে সর্তক হতে হয়। মাসিকের সময় এমন খাবার খেতে হবে যেটা শরীরের বাড়তি পুষ্টি যোগাতে সহায়তা করবে।সুস্থ ও কর্মক্ষম থাকতে হলে নিচের খাবাগুলো অবশ্যই খেতে হবে ;

 

 

 

পানিঃ

 

মাসিকের সময় রক্তপাতের সাথে সাথে শরীর থেকে অনেক পানি বেড়িয়ে যায়। এই অভাব পূরণ করতে হলে প্রচুর পানি পান করতে হবে। চা, কফি, সফট্ ড্রিংস্ক এই ধরনের কোমল পানিয় দারা এই অভাব পূরণ করা যাবে না। শুধুমাএ পানি দিয়েই এই অভাব পূরণ করতে হবে।

 

আয়রন সমৃদ্ধ খাবারঃ

 

যেসব খাবারে প্রচুর আয়রন পাওয়া যায় যেমন – মাছ, মাংস, ডিম,পুঁই শাক, ডাটা শাক,ফুলকপির পাতা, ধনে পাতা, কচুশাক, তরমুজ, কালোজাম, খেজুর, পাঁকা তেতুল ও আমড়া এই জাতীয় খাবার খেতে হবে বেশি করে। এই খাবারগুলো শরীরের আয়রনের ঘাটতি অনেকটা পূরণ করবে।

 

 

 

মাছঃ

 

সামুদ্রিক মাছে থাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, মিনারেল, ফ্যাটি এসিড ইত্যাদি। এগুলো মাসিকের সময় শরীরের ক্ষয় পূরণ করতে সাহায্য করে এবং ব্যাথা কমাতেও সহায়তা করে থাকে।

 

 

 

ফলঃ

 

শরীরের আয়রনের ঠিকমতো শোষণ ও ঠিকমতো কার্যকরিতার জন্য ভিটামিন-সি জরুরি। কিছু সহজলভ্য ফল যেমন- পেয়ারা, আমলকি, লেবু, জলপাই, পাঁকা পেঁপে,জাম্বুরা,আনারস ইত্যাদিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-সি পাওয়া যায়। মাসিকের সময় এই ফলগুলো খাওয়ার অভ্যাস রাখা অনেক জরুরি।

 

 

 

সবুজ-শাকসবজিঃ

 

সবুজ শাক-সবজিতে আছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন যা শরীরের ক্ষয় পূরণ করতে সহায়তা করে। এটি শুধুমাএ আয়রন ও ভিটামিন-বি এ পরিপূর্ণ নয়, বরং উচ্চমাত্রায় আশঁও আছে এতে যা কিনা হজমে সহায়তা করে থাকে। ভালোভাবে হজম হওয়া পিরিয়ডের সময় সুস্থ থাকার একটি অপরিহার্য শর্ত। তাই প্রতিবেলার খাবারে অবশ্যই সবুজ শাক-সবজি রাখতে হবে।

 

কলাঃ

 

কলা পটাশিয়ামের ও ভিটামিনের খুব ভালো উৎস যা মাসিকের সময় শরীরের জন্য খুব জরুরি। কলা মাসিকের সময় বিষ্নন্নতা কমাতেও সহায়ক। মাসিকের সময় কলা প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় রাখা অনেক জরুরি।

 

 

 

প্রোটিনঃ

 

ডাল, ডিম, মাছ, মাংসে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন থাকে। তাই মাসিকের সময় এই জাতীয় খাবার গুলা খাওয়া অনেক জরুরি। প্রোটিন ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণ করে এবং মিষ্টি জাতীয় খাবার খাওয়ার আগ্রহ কমিয়ে দেয়।

 

 

 

 

 

 

 

পিরিয়ড বা মাসিকের মতো একটা স্বাভাবিক আর প্রাকৃতিক বিষয় নিয়ে লজ্জা আর সংকোচনের শেষ নেই বাংলাদেশের সমাজে। গবেষকরা বলেছে, বাংলাদেশের নারী স্বাস্থ্য,বিশেষ করে নারীর প্রজনন স্বাস্থ্য এবং মাসিকের সময় পরিচ্ছন্নতা ও নিরাপদ ব্যবস্থাপনা না থাকার কারণে নানা রকম অসুখ বিসুখও হচ্ছে।

 

 

 

বাংলাদেশে ২০১৪ সালে সংকার এবং আইসিডিডিআরবির চালানো ন্যাশনাল হাইজিন সার্ভেতে বলা হয়েছে মাসিকের সময় পরিচ্ছন্নতা এবং স্বাস্থ্য ঝুঁকি নিয়ে প্রায় কোন ধারণাই নেই বেশির ভাগ নারীর। বাংলাদেশের মেয়েরা মাসিকের সময় মূলত দুইটা জিনিস বেশি ব্যবহার করেন, তা হচ্ছে- পুরনো কাপড় এবং স্যানিটারি ন্যাপকিন। ২০১৪ সালে ন্যাশনাল হাইজিন সার্ভেতে দেখা গেছে, বাংলাদেশের শতকরা ৮৬ ভাগ নারী এখনো মাসিকের সময় পুরনো কাপড় বা ন্যাকড়া ব্যবহার করে। এর কারণ পুরনো কাপড় সহজলভ্য এবং এজন্য কোন খরচ গুনতে হয় না। তবে পুরনো কাপড়রের পরিচ্ছন্নতা নিয়ে সব সময়ই চিকিৎসক ও গবেষকরা উদ্বেগ প্রকাশ করে এসেছে। মাসিকের সময় কেবলমাত্র পরিচ্ছন্নতা এবং সচেতনতার অভাবে নারীর প্রজনন স্বাস্থ্য ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। ডা.তিশান মাহফুজ বলেছেন, পরিষ্কার করে ব্যবহার করতে পারলে কাপড় ক্ষতিকর নয়।

 

 

 

শারীরিক অস্বস্তির পাশাপাশি নানা রকম কুসংস্কারের কারণে প্রাচীন কাল থেকেই মাসিক মেয়েদের জন্য গোপন ও লজ্জাজনক। মাসিক হলে ঘর থেকে বের হউয়া যাবে না, শরীরে পানি লাগানো যাবে না, চুল ভেজানো যাবে না, বিছানায় শোয়া যাবে না…. এছাড়াও আরো কত কি!!! কিন্তু এ সবই ভুল ধারণা। এই সময় ঘরের কোনায় না থেকে বাহিরের আলোর সংস্পর্শে থাকা উচিত। নিয়মিত গোসল করা ও পরিষ্কার কাপড় পরা উচিত।

প্রতি মাসে নিয়ম করে এই নির্দিষ্ট কয়েকদিন প্রতিটি মেয়ের জীবনেই পার করতে হয়। প্রকৃতির নিয়ম মেনেই এই চক্র চলে। এটি নারীর শরীরবৃওীয় অধিকার । এটি সুস্থতার একটি অংশ। তাই মাসিক নিয়ে এখন মনে আর কোন অজ্ঞতা, দ্বিধা, লজ্জা পুষে রাখা চলবে না। বয়ঃসন্ধির আগেই পরিবারের মেয়ে শিশুটির পাশাপাশি ছেলে শিশুটিকেও মাসিক সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা দিতে হবে। এভাবেই আসতে আসতে সমাজ থেকে পিরিয়ড বা মাসিক নিয়ে সকল ভুল ধারণা দূর করা সম্ভব।

মাসিক কী?

জব জনপ্রিয় বিডি
আপডেটঃ জানুয়ারি ২৭, ২০২৪ | ১২:৪৫ 20 ভিউ
জব জনপ্রিয় বিডি
আপডেটঃ জানুয়ারি ২৭, ২০২৪ | ১২:৪৫ 20 ভিউ
Link Copied!

অষ্টম শ্রেণির একটি মেয়েকে তার ক’জন পুরুষ সহপাঠী জিজ্ঞাসা করে – ‘বল তো স্যানিটারি ন্যাপকিন আর নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বোসের মধ্যে মিল কোথায়?’ মেয়েটা মাথা নাড়ে৷ ‘এটাও জানিস না? উত্তর হলো – গিভ মি ব্লাড, আই উইল গিভ ইউ ফ্রিডম৷’

সে’দিনই মেয়েটা বুঝতে পারে, মেয়েদের ঋতুস্রাব বা মাসিক নিয়ে ছেলেরা কতটা কৌতূহলী৷ আর কৌতূহলই কারণেই হয়ত তারা মেয়েদের নিয়ে মজা করে, টিটকিরি দেয়৷ অথচ একটু খুলে বললেই তো ছেলেরা বুঝতে পারতো, জানতে পারতো এ সময় মেয়েদের ঠিক কী হয়, কেন হয়…৷

 

বিজ্ঞাপন

সহজ করে বললে, ‘মুন ক্যালেন্ডার’ বা চন্দ্রমাস অনুয়ায়ী, মেয়েদের জরায়ু যে পরিবর্তনের মধ্যে দিয়ে যায় এবং প্রতিমাসে হরমোনের প্রভাবে মেয়েদের যোনিপথ দিয়ে যে রক্ত ও জরায়ু নিঃসৃত তরল পদার্থ বের হয়ে আসে, মাসিক বা ঋতুস্রাব বলে৷ এখনও বুঝতে পারলেন না? তাহলে এই ভিডিওটি দেখুন৷

 

ভিডিওটি দেখার পর মাসিক নিয়ে আপনার আর কোনো সংকোচ থাকবে না৷ মাসিক ব্যাপারটা নোংরা অথবা ঋতুস্রাবের সময় মেয়েরা দুর্বল হয়ে পড়ে, এমন ধারণাও আর থাকবে না আপনার৷ কখনোই মনে হবে না যে, ঋতুস্রাবের মধ্যে কোনো ‘অপবিত্রতা’ লুকিয়ে আছে৷ এটা ভুললে তো চোলবে না যে, এই ঋতুচক্রের ফলেই কিন্তু আপনি এই পৃথিবীতে এসেছেন৷

বিজ্ঞাপন

 

ডিজি/এআই

স্ত্রী সহবাসের সুন্নাত নিয়ম

জব জনপ্রিয় বিডি
আপডেটঃ জানুয়ারি ২৭, ২০২৪ | ১২:৫৯ 18 ভিউ
জব জনপ্রিয় বিডি
আপডেটঃ জানুয়ারি ২৭, ২০২৪ | ১২:৫৯ 18 ভিউ
Link Copied!

সহবাসের সঠিক নিয়ম হলো স্ত্রী নিচে থাকবে আর স্বামী ঠিক তার উপরি ভাবে থেকে সহবাস করবে। মহান আল্লাহ তায়ালা সহবাসের নিয়ম এভাবেই সুরা আরাফের ১৮৯ নম্বর আয়াতে

বলেছেন فَلَمَّا تَغَشَّاهَا حَمَلَتْ حَمْلاً خَفِيفًا فَمَرَّتْ بِهِ فَلَمَّا أَثْقَلَت دَّعَوَا اللّهَ رَبَّهُمَا لَئِنْ آتَيْتَنَا صَالِحاً لَّنَكُونَنَّ مِنَ الشَّاكِرِينَ (

অতঃপর পুরুষ যখন নারীকে আবৃত করল, তখন, সে গর্ভবতী হল। অতি হালকা গর্ভ। সে তাই নিয়ে চলাফেরা করতে থাকল। ( সুরা আরাফ: ১৮৯ অংশ)

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞ ডাক্তারগন এটিই বার বার বলে থাকেন।

বিধায় স্পষ্ট নিয়ম হলো স্ত্রী নিচে থাকবে স্বামি উপরে থাকবে। আর তাতেই স্ত্রী গর্ভধারন করবে।

সতর্কতা : এমন যেন না হয় যে স্ত্রী স্বামীর উপর থেকে বসে সহবাস করছে আর সেসময় স্বামীর বীর্যপাত হয়ে গেল। তাহলে ডাক্তারী চিকিৎসা মতে তখন বীর্য পুরো বের হয়না ভেতরে বিশেষ জায়গায় থেকে যায় আর তাতে পুরুষের ভেতর পাথর তৈরি হয়ে বড় ধরনের রোগ হবার আশংকা থাকে। তাছাডা স্ত্রী গর্ভধারণও করেনা।যদিও ইদানিং অনেক নিয়ম নেটে দেখানো হয় এ গুলো সঠিক নিয়ম নয় এগুলোতে প্রশান্তি নেই।

বিজ্ঞাপন

সহবাসের আরো কিছু সুন্নত নিয়ম হলো।

  1. স্ত্রী সহবাসের আগে ভাল করে দাতঁ ব্রাশ বা মিসওয়াক করবে।
  2. স্বামীও ভাল করে দাঁত মেসওয়াক বা ব্রাশ করবে। সিগারেট বা কোন বদ নেশার দুর্গন্ধ নিয়ে স্ত্রীর কাছে যাবে না।
  3. স্বামী স্ত্রী সহবাসের পুর্বে উভয় উজু করে নিবে
  4. বিসমিল্লাহ বলে আরম্ভ করা মুস্তাহাব। শুরুতে ভুলে গেলে বীর্যপাত হবার পর বিসমিল্লাহ পড়বে ।
  5. স্ত্রীগন শরিরে সুগন্ধি টেলকম পাউডার বা সুগন্ধি লাগিয়ে নিবে। স্বামীও আতর বা সুগন্ধি লাগিয়ে নিবে ।
  6. সহবাসের সময় কেবলা মুখি হয়ে করবেনা।
  7. সহবাসের সময় একেবারে উলঙ্গ হয়ে পড়বেনা। যদি তৃপ্তি না আসে তাহলে উপরে কোন কাপড় বা চাদর দিয়ে ঢেকে নিবে।
  8. বীর্যপাত হয়ে গেলে সাথে সাথে স্ত্রীর উপর থেকে নেমে পড়বেনা। বরং কিছু সময় তার উপর শুয়ে থাকবে। আবার পুরো শরিরের ভর তার উপর ছেড়ে দিবে না যাতে তার কষ্ট না হয় সেদিকে খেয়াল রাখা সুন্নত।
  9. সহবাসের পর দোয়া পড়বে। অথবা বাংলাতে বলবে হে আল্লাহ বিতারিত শয়তান থেকে আপনার কাছে আমরা আশ্রয় চাচ্ছি হে আল্লাহ আমাদেরকে নেক সন্তান দান করুন ও আপনার নেয়ামত দ্বারা পরিপূর্ন করুন। তাহলে এই সহবাস দ্বারা যদি সন্তান লাভ হয় তাহলে শয়তান সে বাচ্চার কোন ক্ষতি করতে পারবেনা ।
  10. কোন ভাবেই পায়ূ পথে সঙ্গমের চিন্তা ও করবেনা এটা মহাপাপ, যেটা কোরআন হাদিসে কঠিন ভাবে নিষেধ করা হয়েছে।তা ছাডা ডাক্তারী সাইন্স মতে উভয়ের এমন কঠিন ব্যধির আশংকা রয়েছে যার চিকিৎসা পৃথিবীর কোন ডাক্তার ও করতে পারবেনা।
  11. কোন আবস্হায় নেশা জাতীয় খাদ্যে বা পানীয় খেয়ে বা পান করে সহবাস করবেনা।
  12. কারো সামনে এমনকি নিজের আডাই/ তিন বছরের জাগ্রত শিশুর সামনে ও নয়।

কোমর ব্যথার কারণ ও দূর করার উপায়

জব জনপ্রিয় বিডি
আপডেটঃ জানুয়ারি ২৭, ২০২৪ | ১২:৫৭ 18 ভিউ
জব জনপ্রিয় বিডি
আপডেটঃ জানুয়ারি ২৭, ২০২৪ | ১২:৫৭ 18 ভিউ
Link Copied!

কোমর ব্যথার সমস্যায় কমবেশি সকলেই ভুগে থাকেন, আসুন জেনে নিই কোমর ব্যথার কারণ ও দূর করার উপায়:-

কেন কোমর ব্যথা হয় :-

১) ভারী বস্তু তোলার কাজ করলে।

বিজ্ঞাপন

২) কোমরে চোট পেলে।

৩) অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে বা বসে কাজ করলে।

৪) নিয়মিত গাড়ি চালালে।

বিজ্ঞাপন

৫) সাধারণত কুঁজো হয়ে হাঁটলে বা বসলে।

৬) গর্ভধারণ সময়ে।

৭) হঠাৎ কোনো কারণে হাড়, মাংসপেশি, স্নায়ু—এই তিনটি উপাদানের সামঞ্জস্য নষ্ট হলে।

এই কোমর ব্যথা খুব সহজে দূর করা সম্ভব।যেমন:-

আদা যে কোনো ব্যথা কমাতে সক্ষম। আসুন জেনে নিই এই সমস্যা সমাধানে কার্যকরী আদা পানি বানানোর প্রক্রিয়াটি যা যা লাগবে

১) আদা

২) পরিষ্কার

৩) পাতলা কাপড়

৪) গরম পানি

কিভাবে তৈরি করবেন:-

প্রথমে আদা কুচি করে ফেলুন, এরপর আদা কুচিগুলো পাতলা কাপড়ে রাখুন কাপড়টির মুখ সুতা বা রশি দিয়ে বন্ধ করে দিন, একটা পুটলি বানিয়ে ফেলুন এবার চুলায় পানি গরম করতে দিন,এই পানির মধ্যে আদার পুটলিটা চিপে রস পানিতে দিন

রস ভাল করে চিপে ফেলার পর আদার পুটলিটা পানির মধ্যে দিয়ে দিন এবার একটি কাপড় গরম আদা,পানিতে চুবিয়ে নিন,এবার কাপড়টি থেকে ভাল করে পানি চিপড়িয়ে ফেলুন,এই আদা পানিতে চুবানো কাপড়টি ব্যথার জায়গায় রাখুন। লক্ষ্য রাখবেন কাপড়টা যেন খুব বেশি মোটা না হয়।

সারা রাত কাপড়টি ব্যথার জায়গায় রেখে দিন,সারা রাত সম্ভব না হলে কয়েক ঘণ্টা এটি ব্যথার জায়গায় রেখে দিন,দেখবেন কোমর ব্যথা গায়েব হয়ে গেছে,এটি আপনাকে দীর্ঘমেয়াদি আরাম দেবে।

এটি ঘরোয়া চিকিৎসা,সুতরাং যাদের অনেক বছরের পুরোনো ব্যথা তাদের ক্ষেত্রে যদি উপকার না হয় তাহলে ফিজিওথেরাপি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিবেন।

সর্দিতে নাক বন্ধ হয়ে থাকলে দ্রুত যা করবেন

জব জনপ্রিয় বিডি
আপডেটঃ জানুয়ারি ২৭, ২০২৪ | ১:১৫ 16 ভিউ
জব জনপ্রিয় বিডি
আপডেটঃ জানুয়ারি ২৭, ২০২৪ | ১:১৫ 16 ভিউ
Link Copied!

শীতে সর্দি-কাশি, জ্বরের প্রকোপ বাড়ে। একই সঙ্গে নাক বন্ধের সমস্যা তো আছেই। নাক বন্ধ হয়ে গেলে কোনো কাজেই মন বসে না। শ্বাস নিতে সমস্যা হয়। মাথা ধরে থাকে সারাক্ষণ।

খাওয়া-দাওয়াতেও অরুচি আসে। বন্ধ নাক খোলার জন্য অনেকেই নানা রকম ড্রপ ব্যবহার করেন। এতে যে সব সময় সুফল পাওয়া যায়, তা নয়।

চিকিৎসকদের মতে, প্রতিদিন নাকের ড্রপ ব্যবহার করলে তা অভ্যাসে পরিণত হয়ে যায়। তখন আর নাকের ড্রপ না নিলে ঘুম আসতে চায় না।

বিজ্ঞাপন

তার চেয়ে বরং বন্ধ নাক খোলার জন্য ঘরোয়া উপায়ে ভরসা রাখতে পারেন। জেনে নিন তেমনই কয়েকটি ঘরোয়া উপায়-

আদা-পুদিনার চা

 

বিজ্ঞাপন

এক কাপ পানি আদা থেঁতো করে দিয়ে ফুটিয়ে নিন মিনিট পাঁচেক। চা ছেঁকে নিয়ে তাতে কয়েকটা তাজা পুদিনা পাতা দিন। হালকা গরম থাকা অবস্থায় পান করুন। এতে আরাম পাবেন।

গোলমরিচ

 

হাতের তালুতে অল্প একটু গোলমরিচ গুঁড়া ও সামান্য সরিষার তেল দিন। আঙুলে এই মিশ্রণ লাগিয়ে নাকের কাছে ধরুন।

 

এতে হাঁচি হবে ও একই সঙ্গে নাক পরিষ্কার হয়ে যাবে। সরিষার তেল নাকে দিয়ে টানলেও বন্ধ নাক খুলে যায় ও নাক পরিষ্কার হয়।

 

গরম পানিতে গোসল

নিয়মিত গরম পানিতে গোসল করতে পারেন। এতেও বন্ধ নাক খুলে যাবে। এর পাশাপাশি, যতটা সম্ভব গরম পানীয় পান করুন।

 

সূত্র: বোল্ডস্কাই

শিরোনাম:
বয়স্ক ভাতা আবেদন ফরম ডাউনলোড এবং পূরণ করে আবেদন করার নিয়ম সর্দিতে নাক বন্ধ হয়ে থাকলে দ্রুত যা করবেন ত্বক ফর্সা করার উপায় স্ত্রী সহবাসের সুন্নাত নিয়ম কোমর ব্যথার কারণ ও দূর করার উপায় পেটের চর্বি কমানর সহজ কিছু ব্যায়াম মেয়েদের মাসিক এবং মাসিকের সময় ব্যাথা হলে করনীয় সম্পর্কে জানুন মাসিক কী? দেশের বাজারে কমলো সোনার দাম বাংলাদেশের সেরা বক্তা আলেমদের বক্তাদের তালিকা অনলাইন থেকে আনলিমিটেড টাকা ইনকাম করার সহজ উপায় বাংলাদেশে মিলনের সময় নারীদের করণীয় । লজ্জা নয় জানুন এশার নামাজ কয় রাকাত অভিজ্ঞতা ছাড়াই চাকরি দেবে এসিআই মোটরস ৩৫টি বাদে সব কোম্পানির ফ্লোর প্রাইস উঠে গেল বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অভিজ্ঞতা ছাড়াই চাকরি দেবে এসিআই মোটরস 2024 শুভ রমজান শুভেচ্ছা বার্তা ও স্ট্যাটাস | 2024 Ramadan Mubarak Bengali Status ২০২৪ সালের রমজান ক্যালেন্ডার সময়সূচী-Ramadan Calendar 2024 ঢাকায় নিয়োগ দেবে মধুমতি ব্যাংক, আবেদন করন অনলাইনে