বুধবার, ২১শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

মিলনের সময় নারীদের করণীয় । লজ্জা নয় জানুন

জব জনপ্রিয় বিডি
আপডেটঃ জানুয়ারি ২৪, ২০২৪ | ৯:১২ 31 ভিউ
জব জনপ্রিয় বিডি
আপডেটঃ জানুয়ারি ২৪, ২০২৪ | ৯:১২ 31 ভিউ
Link Copied!

স্বামী স্ত্রীর মেলামেশার সময়, স্ত্রী সহবাসের সময়, মিলনের সময় নারীর করণীয় সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব। মিলনের সময়  নারীদেরকে কোন কোন বিষয়গুলো গুরুত্ব বেশি দেওয়া দরকার।আমাদের এই পোস্টের মাধ্যমে মিলনের সময় নারীদের করণীয় সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য আলোচনা করব।

সহবাসের সময় আরো আকর্ষণীয়, আনন্দময়, দীর্ঘতম করার কিছু ঔষধ দেওয়া থাকবে সেই বিষয়ে জেনতে পাবেন।

 মিলনের সময় নারীর করণীয় কি জেনে নিনঃ

স্বামী স্ত্রীর মেলামেশার সময় নারীর করণীয় হচ্ছে যে বিষয়গুলো তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে স্বামী যদি মিলনের আগ্রহ প্রকাশ করে স্ত্রীকে মিলনের সাড়া দেওয়া উচিত। এর কারণ হচ্ছে পুরুষদের  মিলন চাহিদা অনেক পরিমাণে বেশি। মহিলাদের ক্ষেত্রে অনেক কম।

বিজ্ঞাপন

নারীরা মিলন না করে থাকতে পারে কিন্তু পুরুষদের পক্ষ থেকে এটা কোনভাবেই সম্ভব না। এজন্য আপনার উচিত সাধ্যমতো তাকে সন্তুষ্ট রাখার জন্য। এবং স্বামী যখন মিলন করতে চাবে স্বামীর কথা সাড়া দেওয়ার দরকার।

স্ত্রী যদি তার শারীরিক মিলনের জন্য ইচ্ছা প্রকাশ করেন। শারীরিক মিলন মিলন ইচ্ছা যদি স্বামীর না থাকে তাহলে আপনি আপনার স্বামীকে আকুতি-মিনতি করতে পারেন। প্রথমে আপনি আপনাকে পরিপাটি করে নিন এবং একটু সাজুগুজু করার চেষ্টা করুন নানান ধরনের পোশাকে সাজিয়ে নিতে পারেন পোশাকগুলো পুরুষের মধ্যে কামভাব তৈরি করে। স্বামীকে মিলনের ইচ্ছা জাগানোর জন্য আপনি বিভিন্ন ধরনের পোশাক পড়তে থাকুন। পরতে পারবেন যেমন নাইট ড্রেস ব্যবহার করতে পারেন।

 

বিজ্ঞাপন

মিলনের সময় মহিলাদের করনীয় কিঃ

কিছু কিছু নারীরা রয়েছে যারা মিলনের জন্য খুব আগ্রহ অনুভব কিন্তু কিছু করার থাকেনা কারণ কিছু কিছু পুরুষ রয়েছেন যাদের এই ইচ্ছাটুকু কখনো তারা অনুভব করতে পারে না কারণ এমন কিছু পুরুষ রয়েছেন যারা স্ত্রীর সঙ্গে তেমন ভালো ব্যবহার করেন না তার ফলে মিলনের সময় দিকটা তারা কখনও বেছে নিতে পারেন। স্ত্রীদের ইচ্ছা থাকার শর্তেও সামিরা মেলামেশা করতে ইচ্ছুক নয়। সে ক্ষেত্রে স্ত্রীরা যে কাজগুলো করবেন সেই বিষয়গুলো জেনে নিন।

স্বামীর মধ্যে এক প্রকার আগ্রহ সৃষ্টি করার জন্য। আপনি কিছু কাজ করতে পারেন সেগুলো জেনে নিন।ঋতুভেদে গমনের সময় যৌন উত্তেজক পোশাক ব্যবহার করতে পারেন। পোশাক পরার ক্ষেত্রে সবচেয়ে  বেশি হয় আপনি যদি বিকিনি ব্যবহার করতে পারেন।  বিকিনি এটা ব্যবহার করার পরে আপনার স্বামী আপনার প্রতি আগ্রহ অনেকটাই কমে যায়।

নাইট ড্রেস ব্যবহার করতে পারেন নাইট্রেট ব্যবহার করলে আপনি যদি না একদিন ব্যবহার করে স্বামীর সাথে একত্রে স্বয়ং করেন তাহলে আপনার স্বামীর মধ্যে নিষ্পত্তি একটি কামোদ্দীপক তৈরি হবে এবং আপনাকে সহবাসের জন্য স্বামী আপনাকে আমন্ত্রণ জানাবে।

 মিলনের সময় স্বামীর করণীয় কিঃ

আপনি যদি চান দৈনিক সহবাস করতে সে ক্ষেত্রে অবশ্যই আপনাকে একটি কাজ করতে হবে সেটা হচ্ছে আপনার স্ত্রীকে সঠিকভাবে যৌন আনন্দ  দিতে হবে।

আমাদের দেশে বেশির ভাগ পুরুষ নিজের বীর্যপাত ঘটে ফেলতে চান। কিন্তু নিজের দিক দিক থেকে চাইলে হবেনা আপনার স্ত্রীর দিক থেকে একটু ভাবতে হবে। স্ত্রীর অর্গাজমআমার স্ত্রীকে নানানভাবে তৃপ্তি করার চেষ্টা করতে হবে। জন্য স্বামীদেরকে অবশ্যই উচিত হবে স্ত্রীর অর্গাজমকরানো।

যৌনাঙ্গ দেখিয়ে দুর্বলতা থাকে সে ক্ষেত্রে অল্পতে বীর্যপাত হওয়ার সম্ভাবনা হয়ে যায়। অল্প কিছুক্ষণের মধ্যে যদি বীর্যপাত হয়ে যায় তাহলে চিন্তার কোন কারণ নেই। এইসব গুলো নিয়ে অনেকেই ভুগে থাকেন সেগুলো থেকে আপনি কিভাবে মুক্তি পাবেন জেনে নিন। বিভিন্ন প্রকার  মেডিসিন  ব্যবহার করে আপনি আপনার যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে পারেন।

যৌনঙ্গ দুর্বল থাকলে আপনি ভিটামিন এ ক্যাপসুল খেতে পারেন এর সঙ্গে আরও বিভিন্ন ধরনের ঔষধ সেবন করে আপনি আপনার যৌনাঙ্গ শক্তি বৃদ্ধি করতে পারেন এটা ভাবার কোন কারণ নেই এবং টেনশন করার কোন কারন নেই।

মিলনের সময় নারীদের করণীয় কিঃ

প্রত্যেক নারীদের মিলনের সময় স্বামীকে বিভিন্নভাবে আকর্ষণীয় করতে হবে ।  সব সময় চেষ্টা করতে হবে আকুতি মিনতি করে যেভাবেই হোক স্বামীর মিলনের সময়ে সঠিক ভাবে উপভোগ করতে পারেন।

একটি বিষয়কে গুরুত্ব দেওয়া খুবই দরকার আপনাকে মনে রাখতে হবে একজন মহিলা ইচ্ছে করলে দীর্ঘক্ষণ মিলন করতে পারেন।

তাই ধৈর্য্য না হারিয়ে আপনি অনেকক্ষণ যাবৎ সহবাস করুন। মহিলাদের পক্ষে দীর্ঘক্ষণ সহবাস করা সম্ভব কিন্তু পুরুষদের ক্ষেত্রে বীর্যপাত হয়ে যায় সে ক্ষেত্রে তারা আবার করতে পারেন না।

মহিলাদের উচিত পুরুষদেরকে সহবাস করার সাহায্য করা। প্রত্যেক মহিলাদের উচিত তারা যেন স্বামীদেরকে মিলনের সময় অনেক তৃপ্তি আনন্দ দেওয়ার চেষ্টা করেন।

সহবাসের সময় নারীর করণীয় কি   জেনে নিনঃ

শারীরিক মেলামেশার সময় স্বামী-স্ত্রী দুজনেই অনেক ধরনের গল্প করতে পারেন। যার ফলে যৌন মিলনের সময় বৃদ্ধি পাবে এবার স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে এক প্রকার আলোড়ন সৃষ্টি হয়। এজন্য সহবাস করার সময় অবশ্যই আপনাকে অনেক রকমের আনন্দময় গল্প করার দরকার। দুজনের মধ্যে নানা ধরনের গল্প খুবই দরকার।

দৈনিক মিলনের সময় নারীর করণীয় কি জেনে নিনঃ

আরো নানা কার্যক্রম করতে পারেন দৈনিক মেলামেশার সময়। আপনি চাইলে মিলনের সময় কনডম ব্যবহার করতে পারেন। কনডম ব্যবহার করার জন্য দীর্ঘ সময় আবার করতে পারবেন। এর কারণে আপনাকে অবশ্যই অতিরিক্ত ঔষধ খেতে হবে না।

স্বামী মিলনের সময় নারীর করণীয় কি জেনে নিনঃ

একজন নারীর উচিত শারীরিক মিলনের সময় পুরুষ কে সর্বোচ্চ ভাবে সাহায্য করা। নারী যদি সহবাসের সময় পুরুষের সর্বোচ্চ সাহায্য করে থাকেন তাহলে তারা অনেক বেশি তৃপ্তি পেতে থাকেন। এজন্য নারীদেরকে আগে আগ্রহ জাগাতে হবে। প্রত্যেক নারীর উচিত তাদের সঙ্গীর জন্য সঠিক ভাবে সাহায্য করে থাকে সহবাস করার জন্য।

 মিলনের সময় নারীর করণীয় কি জেনে নিনঃ

সহবাস করার জন্য একজন নারী তার স্বামীর জন্য কি করনীয় সে সম্পর্কে যা করা লাগবে সব করার দরকার। দুইজন দুজনে মিলামিশা প্রচুর পরিমাণ গল্প করতে হবে এবং যত পারেন ভালোবাসার গল্প করুন।

নতুন এক গবেষণায় জানানো হয়েছে যে, নারীরা যৌন কর্মের সময় যদি তাদের দৈনিক অনুভূতিগুলো তে আরো বেশি গুরুত্ব দেয় আরো বেশি সেক্সি হওয়ার চেষ্টা করে চিন্তাভাবনা করেন তবে চরম যৌনসুখ উপভোগ করতে পারবেন। অবশ্যই শারীরিক মিলন করার সময় আপনাকে অবশ্যই ভালোবাসার গল্প এবং কিভাবে তৃপ্তি মেটাবে সেই গল্পগুলো আপনি করুন।

গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে যেসব নারীরা প্রতিবার যৌনতার চরম সুখের সন্ধান পায় তাদের চিন্তাই স্মৃতি বিষয়গুলো বেশি বেশি কাজ করে থাকে। কিছু কিছু নারী রয়েছেন যাদের মাথায় এ বিষয়ে কোনো চিন্তাভাবনা আসেনি তাদের ক্ষেত্রে একটু বিষয়টা অন্যরকম।গবেষণা 251 জন ফরাসি নারীর ওপর পরিচালিত হয়ে তাদের বয়স 18 থেকে 67 বছর ছিলেন।

 

সর্বপ্রথম 176 জন নারীকে বেছে নেওয়া হয় যারা প্রতিবার সেক্সের ক্ষেত্রে চরম সুখ পেয়েছেন। 75 শতংশ নারীরা অন্য দলে যারা নিয়মিত সুপর্ণা। অংশগ্রহণকারী সবাই নিয়মিত সেক্স করতেন। চিন্তা আছে বিষয়ে তাদের নানা করা।

 

অনেক সময় দেখা যায় সহবাসের সময় পরিতিপ্তি হয় না। অতএব যারা এ চিন্তা থেকে বিরত থাকেন তাদের তৃপ্তি টা অনেক ভালো হয়

 

সম্ভোগের আগে স্বামীর কর্তৃব্যঃ

এক কথায় মনে রাখতে হবে যে কোন প্রকার বল প্রবল করা আদৌ বাঞ্ছনীয় নয়।

চুম্বন, আলিঙ্গন, নিপীড়ন ইত্যাদি নানাভাবে স্ত্রীর মনে পূর্ণ কামাব জাগিয়ে তারপর তার সঙ্গে সহবাসে রত হওয়া প্রতিটি পুরুষের কর্তব্য।

ধীরে ধীরে মারিও আত্মসমপর্ণ না করা পর্যন্ত তার সঙ্গে কখনো সহবাসে তৃপ্তি হওয়া উচিত নয়।

নারীরা কখনো নিজের যৌন উত্তেজনাকে মুখে প্রকাশ করবে না। আপনাকে লক্ষ্য গুলো দেখে বুঝে নিতে হবে।

প্রত্যেক নারীদের কর্তব্য সর্বদা প্রতিশ্রদ্ধা ও ভালোবাসা ফুটিয়ে তোলার জন্য।।

নারীদের কর্তব্য হচ্ছে স্বামীর জন্য চুম্বন ও দংশন আলিঙ্গনের প্রতিউত্তর দেওয়া।

নারীর উত্তেজনা ধীরে ধীরে আসে-আবার তা ধীরে ধীরে তৃপ্ত হয়। পুরুষের উত্তেজনা আসে অকস্মাৎ আবার তা অকস্মাৎ শেষ হয়। তাই নারীর পূর্ণ কামভাব না জাগিয়ে সঙ্গমে মিলিত হলে নারী পূর্ণ তৃপ্তি পেতে পারে না। এরকম করা রিধিবিরুদ্ধৃ। এতে নারী পূর্ণ তৃপ্তি পায় না- এর জন্যে সে পর-পুরুষ পর্যন্ত গমন করতে পারে। দাম্পত্য জীবনে অনেক বিপর্যয় এর জন্যে আসতে পারে।

নারীর পূর্ণ কামভাব জাগলে পতিকে কৌশলে তা বুঝিয়ে দেওয়া দরকার।

পতিকে ঘৃণা করা, তাকে নানা কু-কথা ইত্যাদি বলা কখনই উচিত নয়। সহবাসের অনিচ্ছা থাকলে তা তাকে বুঝিয়ে বলা উচিত। ঘৃণা বা বিরক্তিসূচক তিরস্কার করা কখনও উচিত নয়। এতে পতির মনে দুঃখ ও বিরক্তি জাগতে পারে।

পতির কর্তব্য হলো, পত্নীকে প্রিয়তমা জ্ঞানে বা সত্যিকারের ধর্মপত্নী জ্ঞানে নিজের তৃপ্তির সঙ্গে সঙ্গে তারও দৈহিক ও মানসিক তৃপ্তি বিধান করা। নিজের কামনা পরিতৃপ্ত করাই সম্ভোগের একমাত্র লক্ষ্য হওয়া উচিত নয়।

স্ত্রীকে দ্রুত তৃপ্তির উপায় জেনে নিনঃ

নারীরা একটু ঘুমাবারপর রাত্রির দ্বিতীয় প্রহর শ্রেষ্ঠ মৈথুন সময়।

দিনের বেলা মেলামেশা করা উচিত না।

ভোরবেলা মেলামেশা করলে শরীরের অনেক ক্ষতি হতে পারে।

রাগী অবস্থায় কখনো সহবাস করা উচিত না।

গালে, ঠোঁটে ঘন ঘন চুম্বন করা।

স্ত্রীর ঊরুদেশ জোরে জোরে মৈথুনের আগে ঘর্ষণ করা।

সম্ভোগের আগে যোনিদেশ, ভগাঙ্কুর কামাদ্রি আলতো ভাবে ঘর্ষণ করা।

ভগাঙ্কুর মর্দন।

মৈথুনকালে স্তন মর্দ্দন।

কোন ঋতু মৈথুনের পক্ষে কতটা উপযোগী তা জেনে নিনঃ

বসন্তকাল 90 %

90% শরৎকাল 70 %

বর্ষাকাল 50%

হেমন্তকাল 40%

গ্রীষ্মকাল 30%

শীতকাল 20 %

শারীরিক মিলনের পরে করনীয় কিঃ

প্রবেশ করার পর নারী ও পুরুষ একটি কাজ করা খুবই জরুরী সেটা হচ্ছে পরিমাণমতো গরম দুধ খাওয়া। সহবাসের শক্তি যোগাতে সাহায্য করবে।

 

বাদাম দুই তোলা ভালভাবে বেটে নিয়ে তা মিশ্রি সংযোগে মৈথুনের পর গরম করে খেলে বিশেষ উপকার হয়।

ঘি, দু মিশ্রি কিংবা গুড়ের সঙ্গে মিশিয়ে সেবন করলে সহজে ক্ষয় পূরণ হয়।

মুগের ডাল ভালভাবে বেটে নিয়ে ভেজে নিন, পরে মিশ্রি কিংবা চিনি মিশিয়ে নাড়ার মত করে চার তোলার মত মৈথুনের পর খেয়ে নিলে উপকার হয়।

সহবাসের সঙ্গে সঙ্গে পুরুষাঙ্গ ধৌত করলে নপুংষকতার লক্ষণ প্রকাশ পায়। সেজন্য রতিক্রিয়ার কিছু সময় পরে পুরুষাঙ্গ ধৌত করা বিধেয়। এ বিষয়ে সতর্ক দৃষ্টি রাখা প্রত্যেকের উচিত।

সহবাসের পর দেহের বিষয়ে কি কি যত্ন নিতে হবে এ বিষয়ে শাস্ত্রে কতগুলি নিয়ম বিধিবন্ধ আছে।

 

১। সহবাসের পর দু’জনের কিছুক্ষণ পরস্পর সংলগ্ন হ’য়ে অবস্থান করবে। এতে মানসিক তৃপ্তি হয়। ধীরে ধীরে দেহ শীতল হয়। এতে প্রেম দীর্ঘস্থায়ী হ’য়ে থাকে।

২। তারপর অবশ্য প্রত্যেকেই নিজ নিজ যৌনাঙ্গ ভালভাবে ধৌত করবে-এটি অবশ্য পালনীয়। তবে কিছুক্ষণ পর।

৩। অনেক শাস্ত্রে দুজনের  করা বিধান আছে তবে তা সকলে পালন করে না।

ট্যাগ:

কোমর ব্যথার কারণ ও দূর করার উপায়

জব জনপ্রিয় বিডি
আপডেটঃ জানুয়ারি ২৭, ২০২৪ | ১২:৫৭ 17 ভিউ
জব জনপ্রিয় বিডি
আপডেটঃ জানুয়ারি ২৭, ২০২৪ | ১২:৫৭ 17 ভিউ
Link Copied!

কোমর ব্যথার সমস্যায় কমবেশি সকলেই ভুগে থাকেন, আসুন জেনে নিই কোমর ব্যথার কারণ ও দূর করার উপায়:-

কেন কোমর ব্যথা হয় :-

১) ভারী বস্তু তোলার কাজ করলে।

বিজ্ঞাপন

২) কোমরে চোট পেলে।

৩) অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে বা বসে কাজ করলে।

৪) নিয়মিত গাড়ি চালালে।

বিজ্ঞাপন

৫) সাধারণত কুঁজো হয়ে হাঁটলে বা বসলে।

৬) গর্ভধারণ সময়ে।

৭) হঠাৎ কোনো কারণে হাড়, মাংসপেশি, স্নায়ু—এই তিনটি উপাদানের সামঞ্জস্য নষ্ট হলে।

এই কোমর ব্যথা খুব সহজে দূর করা সম্ভব।যেমন:-

আদা যে কোনো ব্যথা কমাতে সক্ষম। আসুন জেনে নিই এই সমস্যা সমাধানে কার্যকরী আদা পানি বানানোর প্রক্রিয়াটি যা যা লাগবে

১) আদা

২) পরিষ্কার

৩) পাতলা কাপড়

৪) গরম পানি

কিভাবে তৈরি করবেন:-

প্রথমে আদা কুচি করে ফেলুন, এরপর আদা কুচিগুলো পাতলা কাপড়ে রাখুন কাপড়টির মুখ সুতা বা রশি দিয়ে বন্ধ করে দিন, একটা পুটলি বানিয়ে ফেলুন এবার চুলায় পানি গরম করতে দিন,এই পানির মধ্যে আদার পুটলিটা চিপে রস পানিতে দিন

রস ভাল করে চিপে ফেলার পর আদার পুটলিটা পানির মধ্যে দিয়ে দিন এবার একটি কাপড় গরম আদা,পানিতে চুবিয়ে নিন,এবার কাপড়টি থেকে ভাল করে পানি চিপড়িয়ে ফেলুন,এই আদা পানিতে চুবানো কাপড়টি ব্যথার জায়গায় রাখুন। লক্ষ্য রাখবেন কাপড়টা যেন খুব বেশি মোটা না হয়।

সারা রাত কাপড়টি ব্যথার জায়গায় রেখে দিন,সারা রাত সম্ভব না হলে কয়েক ঘণ্টা এটি ব্যথার জায়গায় রেখে দিন,দেখবেন কোমর ব্যথা গায়েব হয়ে গেছে,এটি আপনাকে দীর্ঘমেয়াদি আরাম দেবে।

এটি ঘরোয়া চিকিৎসা,সুতরাং যাদের অনেক বছরের পুরোনো ব্যথা তাদের ক্ষেত্রে যদি উপকার না হয় তাহলে ফিজিওথেরাপি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিবেন।

পেটের চর্বি কমানর সহজ কিছু ব্যায়াম

জব জনপ্রিয় বিডি
আপডেটঃ জানুয়ারি ২৭, ২০২৪ | ১২:৫৬ 21 ভিউ
জব জনপ্রিয় বিডি
আপডেটঃ জানুয়ারি ২৭, ২০২৪ | ১২:৫৬ 21 ভিউ
Link Copied!

পেটের চর্বি কি আপনার ঘুম হারার করে দিয়েছে? আজকাল ছোট বর অনেকেই এই সমস্যায় জর্জরিত। কিন্তু আশার বেপার হচ্ছে এটা খুব সহজেই দূরকরা যায়। সুধু দরকার খাদ্যাভ্যাসের কিছু পরিবর্তন সাথে কিছু ব্যায়াম।

কেউ যদি মনে করে সুধু খাবার কম খেলেই পেটের চর্বি কমে যাবে, তাহলে এটা ভুল। এটা আপনার শরীরের মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে। তাই ডায়েট আর ব্যায়াম পাশাপাশি রাখতে হবে। চেষ্টা করুন প্রতিদিন কিছু সময় ব্যায়ামের পিছে ব্যয় করতে, যদি পেটের চর্বি কমাতে চান।

এখানে আমরা কিছু পেটের চর্বি কমানর সাধারণ ব্যায়ামের মধ্যে ১ম টি নিয়ে আলোচনা করব।

বিজ্ঞাপন

 

এটা হচ্ছে ক্রাঞ্চেস (Crunches)

পেটের চর্বি কমানর জন্য এর চেয়ে ভাল ব্যায়াম আর আছে বলে মনে হয় না। দ্রুত চর্বি কমানর জন্য ক্রাঞ্চেসই সব চেয়ে ভাল ব্যায়াম।

বিজ্ঞাপন

কিভাবে করবেন

১। সমতল মেটে পা ভাজ করে খাড়া অবস্থায় মাটির সাথে রেখে চিত হয়ে শুয়ে পরুন (চিত্র ১)। অথবা পা ৯০ডিগ্রি ভাজ করে মাটি থেকে উপরেও রাখতে পারেন (চিত্র ২)

২। হাতগুলো ভাজ করে মাথার পিছনে রাখতে পারেন। অথবা ভাজ করা হাতগুলো বুকের উপড়ে রাখতে পারেন

৩। শ্বাস নিন সাথে সাথে আপার বডি কিছুটা উপড়ের দিকে উঠানর চেষ্টা করুন

৪। আবার শ্বাস নিন সাথে সাথে আপার বডি আগের পজিশনে নিয়ে আসুন

৫। এভাবে ১০বার করুন

৬। পুর প্রক্রিয়া ২-৩বার করুন।

সতর্কতা

১। ক্রাঞ্চেস করার সমায় খেয়াল রাখতে হবে যেন কোনভাবেই পিঠে ব্যাথা না লাগে। আপার বডি কয়েক ইঞ্চি উপড়ে উঠালেই হবে।

২। খেয়াল রাখতে হবে যেন কোনভাবেই ঘাড়ে ব্যাথা না লাগে।

মাসিক কী?

জব জনপ্রিয় বিডি
আপডেটঃ জানুয়ারি ২৭, ২০২৪ | ১২:৪৫ 19 ভিউ
জব জনপ্রিয় বিডি
আপডেটঃ জানুয়ারি ২৭, ২০২৪ | ১২:৪৫ 19 ভিউ
Link Copied!

অষ্টম শ্রেণির একটি মেয়েকে তার ক’জন পুরুষ সহপাঠী জিজ্ঞাসা করে – ‘বল তো স্যানিটারি ন্যাপকিন আর নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বোসের মধ্যে মিল কোথায়?’ মেয়েটা মাথা নাড়ে৷ ‘এটাও জানিস না? উত্তর হলো – গিভ মি ব্লাড, আই উইল গিভ ইউ ফ্রিডম৷’

সে’দিনই মেয়েটা বুঝতে পারে, মেয়েদের ঋতুস্রাব বা মাসিক নিয়ে ছেলেরা কতটা কৌতূহলী৷ আর কৌতূহলই কারণেই হয়ত তারা মেয়েদের নিয়ে মজা করে, টিটকিরি দেয়৷ অথচ একটু খুলে বললেই তো ছেলেরা বুঝতে পারতো, জানতে পারতো এ সময় মেয়েদের ঠিক কী হয়, কেন হয়…৷

 

বিজ্ঞাপন

সহজ করে বললে, ‘মুন ক্যালেন্ডার’ বা চন্দ্রমাস অনুয়ায়ী, মেয়েদের জরায়ু যে পরিবর্তনের মধ্যে দিয়ে যায় এবং প্রতিমাসে হরমোনের প্রভাবে মেয়েদের যোনিপথ দিয়ে যে রক্ত ও জরায়ু নিঃসৃত তরল পদার্থ বের হয়ে আসে, মাসিক বা ঋতুস্রাব বলে৷ এখনও বুঝতে পারলেন না? তাহলে এই ভিডিওটি দেখুন৷

 

ভিডিওটি দেখার পর মাসিক নিয়ে আপনার আর কোনো সংকোচ থাকবে না৷ মাসিক ব্যাপারটা নোংরা অথবা ঋতুস্রাবের সময় মেয়েরা দুর্বল হয়ে পড়ে, এমন ধারণাও আর থাকবে না আপনার৷ কখনোই মনে হবে না যে, ঋতুস্রাবের মধ্যে কোনো ‘অপবিত্রতা’ লুকিয়ে আছে৷ এটা ভুললে তো চোলবে না যে, এই ঋতুচক্রের ফলেই কিন্তু আপনি এই পৃথিবীতে এসেছেন৷

বিজ্ঞাপন

 

ডিজি/এআই

সর্দিতে নাক বন্ধ হয়ে থাকলে দ্রুত যা করবেন

জব জনপ্রিয় বিডি
আপডেটঃ জানুয়ারি ২৭, ২০২৪ | ১:১৫ 16 ভিউ
জব জনপ্রিয় বিডি
আপডেটঃ জানুয়ারি ২৭, ২০২৪ | ১:১৫ 16 ভিউ
Link Copied!

শীতে সর্দি-কাশি, জ্বরের প্রকোপ বাড়ে। একই সঙ্গে নাক বন্ধের সমস্যা তো আছেই। নাক বন্ধ হয়ে গেলে কোনো কাজেই মন বসে না। শ্বাস নিতে সমস্যা হয়। মাথা ধরে থাকে সারাক্ষণ।

খাওয়া-দাওয়াতেও অরুচি আসে। বন্ধ নাক খোলার জন্য অনেকেই নানা রকম ড্রপ ব্যবহার করেন। এতে যে সব সময় সুফল পাওয়া যায়, তা নয়।

চিকিৎসকদের মতে, প্রতিদিন নাকের ড্রপ ব্যবহার করলে তা অভ্যাসে পরিণত হয়ে যায়। তখন আর নাকের ড্রপ না নিলে ঘুম আসতে চায় না।

বিজ্ঞাপন

তার চেয়ে বরং বন্ধ নাক খোলার জন্য ঘরোয়া উপায়ে ভরসা রাখতে পারেন। জেনে নিন তেমনই কয়েকটি ঘরোয়া উপায়-

আদা-পুদিনার চা

 

বিজ্ঞাপন

এক কাপ পানি আদা থেঁতো করে দিয়ে ফুটিয়ে নিন মিনিট পাঁচেক। চা ছেঁকে নিয়ে তাতে কয়েকটা তাজা পুদিনা পাতা দিন। হালকা গরম থাকা অবস্থায় পান করুন। এতে আরাম পাবেন।

গোলমরিচ

 

হাতের তালুতে অল্প একটু গোলমরিচ গুঁড়া ও সামান্য সরিষার তেল দিন। আঙুলে এই মিশ্রণ লাগিয়ে নাকের কাছে ধরুন।

 

এতে হাঁচি হবে ও একই সঙ্গে নাক পরিষ্কার হয়ে যাবে। সরিষার তেল নাকে দিয়ে টানলেও বন্ধ নাক খুলে যায় ও নাক পরিষ্কার হয়।

 

গরম পানিতে গোসল

নিয়মিত গরম পানিতে গোসল করতে পারেন। এতেও বন্ধ নাক খুলে যাবে। এর পাশাপাশি, যতটা সম্ভব গরম পানীয় পান করুন।

 

সূত্র: বোল্ডস্কাই

বাংলাদেশের সেরা বক্তা আলেমদের বক্তাদের তালিকা

জব জনপ্রিয় বিডি
আপডেটঃ জানুয়ারি ২৪, ২০২৪ | ৯:২৪ 25 ভিউ
জব জনপ্রিয় বিডি
আপডেটঃ জানুয়ারি ২৪, ২০২৪ | ৯:২৪ 25 ভিউ
Link Copied!

আসসালামু আলাইকুম আজকে আলোচনা করব জনপ্রিয় চল্লিশটি বাংলাদেশের সেরা আমাদের বক্তাদের তালিকা সম্পর্কে। আপনারা হয়তো অনেকেই জানেন যে ওয়াজ মাহফিল আমাদের ধর্মের ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের জীবনের একটি অংশ। তাই অজ মাহফিল সবারই পছন্দ। আজকে আলোচনা করব বাংলাদেশের ৪০ জন জনপ্রিয় আলেমদের বক্তাদের তালিকা সম্পর্কে।

এসবের সঙ্গে আরও জানতে পারবেন বাংলাদেশের সেরা বক্তাদের তালিকা সহ তারা কোথায় অবস্থান করেন কোন জেলায় অবস্থান করে সকল বিষয়ে আলোচনা করব তাদের শিক্ষা যোগ্যতা কত ইত্যাদি সম্পর্কে আলোচনা করব আপনারা সকলে মনোযোগ দিয়ে আমাদের এই পোস্ট এর সঙ্গে থাকুন।

আলেম কাকে বলে?

আলেম শব্দের অর্থ জ্ঞানী। শরিয়তের পরিভাষায় আলেম বলা হয়, যিনি দ্বীন ও শরিয়তের গভীর জ্ঞান রাখেন ও সেই জ্ঞান অনুযায়ী আমল করেন। পাশাপাশি সুন্নতের অনুসরণে নিজের জীবনকে পরিচালিত করেন এবং আল্লাহর ভয়ে সদা সন্ত্রস্ত থাকেন।

দ্বীনি ইলম শিক্ষার জন্য জরুরি একটি শর্ত হচ্ছে, সনদ থাকা। অর্থাৎ কোনো আলেমের কাছ থেকে ইলম শিক্ষা করা। বইপুস্তক দ্বীন শিক্ষার মাধ্যম হলেও মূলত দ্বীনি ইলম পাওয়া যায় উস্তাদের কাছ থেকেই। এভাবে ইলম শিক্ষা করা সরাসরি রাসুল (সা.) এর কাছ থেকে শিক্ষা করার মতোই। কারণ এই সনদ রাসুল (সা.) পর্যন্ত পৌঁছে।

বিজ্ঞাপন

আলেম কাকে বলে জেনে নিনঃ

সাধারণত আলেম এমন ব্যক্তিকে বোঝানো হয় যারা দ্বীনি প্রতিষ্ঠান থেকে কোরআন শরীফে ইসলামী সম্পর্কে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি প্রাপ্ত ব্যক্তিদের আলেম বলা হয়ে থাকে। আলেম শব্দের অর্থ হচ্ছে জ্ঞানী।

 

বিজ্ঞাপন

আলেম হওয়ার জরুরী বিষয় হচ্ছে সনদ থাকা। একজন তিনি ব্যক্তি যদি কোন আলেম থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে থাকেন তাকে আলেম বলা হয়।

 

নিচে উল্লেখিত বিষয়গুলো আলোচনা করা হবে বাংলাদেশের সেরা আলেম এর তালিকা সম্পর্কে। প্রিয় পাঠক আপনারা সকলে মনোযোগ দিয়ে আমাদের এই আলোচনা গুলো পড়ে নিন এবং আমাদের সঙ্গে থাকুন।

 

হাক্কানি আলেম কাকে বলে জেনে নিনঃ

আলেম ব্যক্তিদের চেনার সবথেকে বড় উপায় হচ্ছে তাদের চেহারায় পোশাকে সুন্নতের ছাপ দেখা যায় তাদেরকে আলেম ব্যক্তি হিসেবে তুলে ধরা হয়। একজন সাধারণ ব্যক্তি দ্বীনদার বেগ হিসেবে তাদেরকে চেহারা পোশাক ইত্যাদি এসবের মধ্য দিয়ে তাদেরকে বোঝা যায় আলেম ব্যক্তি। হাক্কানি আলেম দাওয়াত ও তাবলীগ মন্তব্য রাখেন। তাদের আচরণ ব্যবহার সবকিছুতে বোঝা যায় অতিরিক্ত গুন যদি কোন আলেমের মধ্যে দেখা যায় তাহলে তাকে হাক্কানি আলেম বলে বোঝানো হয়েছে।

 

বাংলাদেশের হাক্কানী আলেমদের নাম নিচে বিস্তারিত জেনে নিন।

 

বাংলাদেশের সেরা বক্তাদের তালিকা সম্পর্কে জেনে নিন/ বাংলাদেশ সেরা আলেমদের তালিকা জেনে নিন

বাংলাদেশ অনেক আলেম অলা একই রকম রয়েছে। তাদের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে বাংলাদেশের মানুষকে ইসলামের পথে নিয়ে আসা। এখন আলোচনা করব বাংলাদেশের সেরা আলেমদের তালিকা সম্পর্কে। বাংলাদেশ হাক্কানী আলেমদের নাম নিয়েছে আপনারা জানতে পারবেন তা জেনে নিন।

 

১. নামঃ মুফতি আমির হামজা

 

উনার শিক্ষাগত যোগ্যতা আল-কোরআন শীর্ষক অনার্স এবং মাস্টার্স সম্পন্ন করেন কুমিল্লা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কুষ্টিয়া।

তার জন্মস্থানঃ কুষ্টিয়া জেলায়

২. নামঃ মাওলানা সা শায়খআহমাদুল্লাহ

 

শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ দাওরায়ে হাদিস কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ইফতা খুলনা দারুল ইনম

জন্মস্থানঃ বশিকপুর লক্ষীপুর বাংলাদেশ

৩. নামঃ মুফতি রেজাউল করীম পীর সাহেব চরমোনাই

 

শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ কামিল হাদিস চরমোনাই আলিয়া মাদ্রাসা ইফতার সাগরদী আলিয়া মাদ্রাসা বরিশাল

জন্মস্থানঃ চরমোনাই গ্রাম, কীর্তনখোলা বরিশাল জেলায়

৪. নামঃ ডঃ এনাম আল্লাহু আব্বাসী আব্বাসী হুজুর নামে পরিচিত

 

শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ এইচএসসি পর্যন্ত বিজ্ঞান বিভাগে পড়াশোনা করেছেন মিশকাত দারুন আরশাদ থিসিস লখনৌ বিশ্ববিদ্যালয় তিতাস সালাত ওমর করাচি

জন্মস্থানঃ পাঠানটুলি আব্বাসী মঞ্জুর জয়পুর দরবার সিদ্ধিরগঞ্জ থানা নারায়ণগঞ্জ

৫. নামঃ মাওলানা মামুনুল হক

 

শিক্ষাগত যোগ্যতাৎ পবিত্র কোরআনে হাফেজ ঢাকার লালবাগ জামতারা জামে মসজিদ মাদ্রাসা মিক জামাত প্রথম স্থান অধিকার লাভ করেন জামাত তৃতীয় স্থান দাখিল প্রথম স্থান তারপর উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এসএসসি ও এইচএসসি অর্থনীতি অনার্স মাস্টার্স করে থাকেন এশিয়ান ইউনিভার্সিটি

জন্মস্থানঃ মাওলানা মুমিনুল হকের জন্মস্থান আজিমপুর ঢাকা।

৬. নামঃ মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারী

 

শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারী দাখিল পরীক্ষায় জিপিএ 5 দারুন্ন জান্নাত সিদ্দিকিয়া জামিল মাদ্রাসা দেমরা ঢাকা আলিম পরীক্ষায় গোল্ডেন জিপিএ 5 আন্ডার গ্রাজুয়েট আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয় মিশর post-graduate ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটি মালয়েশিয়া এমফিল এবং মালয়েশিয়া ইন্টার্নেশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট।

জন্মস্থানঃ মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারীর জন্ম স্থান ঢাকা।

৭. নামঃ মাওলানা হাফিজুর রহমান সিদ্দিকী

 

শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ চরমোনাই মাদরাসায় পড়াশোনা

জন্মস্থানঃ কুয়াকাটা বরিশাল

৮. নামঃ আল্লামা শাহ আহমদ শফী

 

শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ মাদ্রাসা শিক্ষা 10 বছর বয়সে হাটহাজারী আল জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মাদ্রাসা ভর্তি হন হাজার হাজার১৯৪১ সালে উচ্চ শিক্ষার জন্য ভারতে যান তাফসীর হাদীস অধ্যয়ন দারুল উলুম দেওবন্দ মাদ্রাসা

জন্মস্থানঃ চট্টগ্রামে রাঙ্গুনিয়া থানা টিলা গ্রামে অবস্থিত।

৯. নামঃ প্রিন্সিপাল মাওলানা হাবিবুর রহমান

 

শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ শিক্ষাজীবন শুরু রুস্তমপুর কাওমী মাদ্রাসা। হাজার ১৯৭০ সালে ফুলবাড়িয়া আলিয়া মাদ্রাসা থেকে ফাজিল পাস করেন।১৯৭৩ সালে সিলেট সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা থেকে আলিম পরীক্ষায় প্রথম স্থান অধিকার করেন।

জন্মস্থানঃ ফুলবাড়ী ইউনিয়ন গোপালগঞ্জ জেলা সিলেট

১০. নামঃ আল্লামা ফরিদ উদ্দিন ইমাম শোলাকিয়া মাদ্রাসা

 

শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ শিক্ষার হাতে ঘড়ি পিতার নিকট পরে ভর্তি হন সিরাজগঞ্জ জেলায় জামিয়া এমদাদিয়া এরপর উচ্চ শিক্ষা গ্রহণের জন্য পাড়ি জমান ভারতের দারুল উলুম দেওবন্দ১৯৭৬ সালের প্রথম স্থান অধিকার করেন তাদের হাদীস সম্পূর্ণ করেন।

জন্মস্থানঃ কিশোরগঞ্জ জেলায় পাকুন্দিয়া উপজেলা হিজলিয়া গ্রাম

১১. নামঃ মুফতি আব্দুস সালাম চাটগামী

 

শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ হাজার ১৯৫৮ সালে প্রাথমিক পড়াশোনা শেষ করে বাবুনগর মাদ্রাসা ভর্তি হন দাওরায়ে হাদিস ১৯৬৭ পাকিস্তানের জামিয়াতুল ইসলামিয়া হাদীছ শরীফ-এ পড়াশোনা করেন শিক্ষা জীবনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সব পরীক্ষায় প্রথম স্থান অধিকার করেন মাশাল্লাহ।

জন্মস্থানঃ চট্টগ্রামে আনোয়ার থানা নদিয়া গ্রাম

১২. নামঃ শাইখুল হাদিস আব্দুল্লাহ পাহাড়পুরী

 

শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ প্রাথমিক লেখাপড়ায় পাহাড়পুর এমদাদুল মাদ্রাসায় দাওয়াতের হাদিস মিশকাত লালবাগ ঢাকা

জন্মস্থানঃ পাহাড়পুর

১৩. নামঃ মুফতি ইমরান হুসাইন কাসেমী

 

জন্মস্থানঃ মিরপুর ঢাকা

১৪. নামঃ মুফতি লুৎফর রহমান ফরাজী

 

জন্মস্থানঃ পশ্চিম রামপুরা ঢাকা

শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ এবং মুফাসসিরের কোরআন

১৫. নামঃ মুফতি ইজহারুল ইসলাম চৌধুরী

 

জন্মস্থানঃ চট্টগ্রাম

শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ আল-জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলূম মুঈনুল ইসলাম এবং জামিয়া আল ইসলামিয়া অধ্যয়ন করেন।

১৬. নামঃ মুফতি রফিকুল ইসলাম সিরাজী

 

জন্মস্থানঃ খুলনা

১৭. নামঃ মুফতি ইমরান হোসাইন কাসেমী

 

জন্মস্থান মিরপুর ঢাকা

১৮. নামঃ আব্দুল্লাহ আল আমিন

 

জন্মস্থানঃ ঢাকা

১৯. নামঃ মাওলানা তারেক মনোয়ার

 

জন্মস্থানঃ লক্ষ্মীপুর

শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ প্রাথমিক শিক্ষা লক্ষ্মীপুরে উচ্চশিক্ষা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ ঢাকা আলিয়া থেকে হাদিস কামিল ডিগ্রী অর্জন করেছেন।

২০. নামঃ আব্দুল্লাহ হাই মুহাম্মাদ সাইফুল্লাহ

 

  •  জন্মস্থানঃ নওগাঁ জেলা
  •  শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ মাদ্রাসা জামিয়া সালাফিয়া কারমাইকেল কলেজ রংপুর

 

২১. নামঃ মুফতি আব্দুল কুদ্দুস

 

  •  জন্মস্থানঃ খুলনা

 

২২. নামঃ আলী আকবর সিদ্দিকী

 

  •  জন্মস্থানঃ হবিগঞ্জ

 

২৩. নামঃ মাওলানা খোরশেদ আলম কাসেমী

 

  •  জন্মস্থানঃ ঢাকা

 

২৪. নামঃ মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব

 

  •  জন্মস্থানঃ ব্রাহ্মণবাড়িয়া

 

২৫. নামঃ মাওলানা মুজিবুর রহমান

 

  •  জন্মস্থানঃ চাঁদপুর

 

২৬. নামঃ আল্লামা ডঃ মোস্তফা আহমেদ

 

  •  জন্মস্থানঃ ঢাকা

 

২৭. নামঃ মাওলানা আজিজুল ইসলাম  জালালি

 

  •  জন্মস্থানঃ ব্রাহ্মণবাড়িয়া

 

২৮. নামঃ মাওলানা মেরাজুল হক কাসেমী

 

  • জন্মস্থানঃ ব্রাহ্মণবাড়িয়া

 

২৯. নামঃ মাওলানা আব্দুল বাসেত খান

 

  • জন্মস্থানঃ  সিরাজগঞ্জ
  • ৩০ নামঃ মুফতি মনসুরুল করিম
  •  জন্মস্থানঃ ব্রাহ্মণবাড়িয়া

 

৩১. মুফতি  আব্দুল্লাহ খালেক সাহেব

 

  • জন্মস্থানঃ শরীয়তপুর
  • ৩২ নামঃ মুফতি মাহমুদ উল্লাহ আতিকী
  • জন্মস্থানঃ ঢাকা
  • ৩৩ নামঃ মুফতি ওসমান গনি মুছাপুরী
  •  জন্মস্থানঃ মাগুরা

৩৪. নামঃ মাওলানা আবু নাঈম মোঃ তানভীর

  •  জন্মস্থানঃ চাঁদপুর
  • ৩৫ নামঃ মুফতি শিহাববুদ্দিন
  •  জন্মস্থানঃ চাঁদপুর

৩৬. নামঃ মাওলানা আশরাফ আলী

  • জন্মস্থানঃ হবিগঞ্জ
  • ৩৭ নামঃ মাওলানা জাকারিয়া
  • জন্মস্থানঃ নাটোর জেলায়

৩৮. নামঃ মুফতি আমজাদ হোসাইন আশরাফী

  • জন্মস্থান ব্রাহ্মণবাড়িয়া
  • ৩৯ নামঃ মুফতি আনোয়ার হোসেন  চিশতী
  • জন্মস্থানঃ   নর্সিংদি
  • ৪০ নামঃ মাওলানা আতিকুর রহমান
  • জন্মস্থানঃ ব্রাহ্মণবাড়িয়া

 

শিরোনাম:
বয়স্ক ভাতা আবেদন ফরম ডাউনলোড এবং পূরণ করে আবেদন করার নিয়ম সর্দিতে নাক বন্ধ হয়ে থাকলে দ্রুত যা করবেন ত্বক ফর্সা করার উপায় স্ত্রী সহবাসের সুন্নাত নিয়ম কোমর ব্যথার কারণ ও দূর করার উপায় পেটের চর্বি কমানর সহজ কিছু ব্যায়াম মেয়েদের মাসিক এবং মাসিকের সময় ব্যাথা হলে করনীয় সম্পর্কে জানুন মাসিক কী? দেশের বাজারে কমলো সোনার দাম বাংলাদেশের সেরা বক্তা আলেমদের বক্তাদের তালিকা অনলাইন থেকে আনলিমিটেড টাকা ইনকাম করার সহজ উপায় বাংলাদেশে মিলনের সময় নারীদের করণীয় । লজ্জা নয় জানুন এশার নামাজ কয় রাকাত অভিজ্ঞতা ছাড়াই চাকরি দেবে এসিআই মোটরস ৩৫টি বাদে সব কোম্পানির ফ্লোর প্রাইস উঠে গেল বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অভিজ্ঞতা ছাড়াই চাকরি দেবে এসিআই মোটরস 2024 শুভ রমজান শুভেচ্ছা বার্তা ও স্ট্যাটাস | 2024 Ramadan Mubarak Bengali Status ২০২৪ সালের রমজান ক্যালেন্ডার সময়সূচী-Ramadan Calendar 2024 ঢাকায় নিয়োগ দেবে মধুমতি ব্যাংক, আবেদন করন অনলাইনে