বুধবার, ২১শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

কিভাবে মোটা হওয়া যায়

জব জনপ্রিয় বিডি
আপডেটঃ নভেম্বর ২৫, ২০২৩ | ১০:৪৭ 84 ভিউ
জব জনপ্রিয় বিডি
আপডেটঃ নভেম্বর ২৫, ২০২৩ | ১০:৪৭ 84 ভিউ
Link Copied!

আপনি চিকন বা হাল্কা স্বাস্থ্যকে কিভাবে মোটা করবেন বা কিভাবে মোটা হওয়া যায়, এই নিয়ে সম্পুর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন।

মোটা হওয়ার জন্য আপনাকে নিয়মিত আমিষ এবং প্রোটিন জাতীয় খাবার খেতে হবে। এছাড়া কি খেলে মোটা হয় সেটা হচ্ছে ছোলাবুট ভিজিয়ে কাচা খেলে। কিভাবে মোটা হওয়া যায় এই প্রশ্নের উত্তরে বলবো যে আপনি মোটা হতে চাইলে প্রতিদিন সকালে কাচা ছোলা বুট ভিজিয়ে রেখে খান। উল্লেখ্য যে, কাচা ছোলা বুট প্রতিদিন রাতে ভিজিয়ে রাখতে হবে এবং সকালে খেতে হবে।

নিম্নে মোটা হওয়ার জন্য প্রাকৃতিক খাবার বা মোটা হওয়ার খাবার দেওয়া হলো:

১. কাঁচা বাদাম: মোটা হওয়ার জন্য কাঁচা বাদামের তুলনাই আলাদা। কারন কাঁচা বাদাম খেলে শরীরে প্রোটিনের চাহিদা মেটায়। বাদামে চর্বি বা স্নেহ জাতীয় তৈল থাকায় শরীরে চর্বির জোগান দেয়, তাতে শরীর মোটা হয়। নিয়মিত কাঁচা বাদাম খেলে শরীর স্বাস্থ্য অনেক ভালো থাকে। তবে কেউ কাঁচা বাদাম খেতে না পারলে ভেজেও খেতে পারে। কাঁচা বাদাম একজন ব্যক্তিকে মোটা করে তোলে এবং শরীর স্বাস্থ্যকে আরো ভালো করে তোলে।

২. ছোলা বুট: ছোলা বুট মোটা হওয়ার জন্য ১০০% আমিষ এর জন্য প্রাধান্য দেয়। ছোলা বুটে আমিষ এর পরিমান অনেক থাকায় নিয়মিত খাওয়াতে শরীরের মাংসপেশিগুলো মোটা করে। এই বুটকে ডাল হিসেবেও গন্য করে। গ্রামাঞ্চলে এই ছোলা বুট রমজান মাসের ইফতারীতে বেশি চলে। শরীরকে মোটা করার জন্য ছোলাবুট ২ ভাবে খাওয়া যায়। প্রথমত হচ্ছে সারারাত ভিজিয়ে রেখে সকালে খালিপেটে খেয়ে থাকতে পারলে উপকার পাওয়া যায়। অনেকেই এভাবে ভিজিয়ে রেখে খেতে পারেনা বা ছোলা বুট কাচার স্বাদ নিতে পারে না। যাহোক, আপনি দ্বিতীয় নিয়মে খেকে পারবেন। দ্বিতীয় নিয়ম মানেই হচ্ছে, আপনি সারারাত ভিজিয়ে সকালে বা সারাদিন ভিজিয়ে সন্ধা বা রাতে হাল্কা সিদ্ধ করে লবন মরিচ মেখে খেতে পারবেন। যেকোনো ১ টি নিয়মে প্রায় একই সময়ে এই ছোলাবুট খেতে হবে। তাহলে মোটা হতে পারবেন। ছোলা বুটের অনেক গুণাগুণ রয়েছে।

বিজ্ঞাপন

৩. দুধ: দুধের ভিতর আমিষ এবং স্নেহ জাতীয় তৈল রয়েছে যা নিয়মিত ১৫০-২০০ গ্রাম খেলে শরীর ও ত্বককে কোমল, ত্বরান্বিত ও মোটা করে। এজন্য প্রতিদিন কমপক্ষে ১৫০-২০০ গ্রাম দুধ নিয়মিত খেতে হবে। একজন ব্যক্তি যদি তার স্বাস্থ্যকে ধরে রাখতে চায় তবে তার নিয়মিত অন্যান্য উপাদান এর সাথে দুধ খেতে হবে। গরুর বা বাসার ছাগলের দুধ খাওয়া যাবে। দুধ ফুটিয়ে খেতে হবে। তবে বলা যায় দুধ মোটা হওয়ার জন্য অনেক উপকারী।

৪. ডিম ও সবজি: শাক সবজিতে অনেক ধরনের উপাদান থাকে যা শরীরকে সতেজ করে। ডিম খেলে অনেক উপকার, দুর্বল শরীরের জন্য ডিমের উপকার অনেক। বাসায় প্রতিদিন রুটির সাথে ডিমের তুলনাই হয়না। শাক-সবজির সাথে মাঝে মাঝে ডিমের তরকারি খাওয়া যায়। তাই ডিম এবং শাক-সবজি শরীর এর মোটা হওয়ার জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখে।

৫. মিষ্টি বা মিষ্টি জাতীয় খাদ্য: শরীরকে মোটা করার জন্য মিষ্টি অনেক উপকারী। মিষ্টি বা মিষ্টি জাতীয় খাদ্য বিভিন্ন উপাদানে তৈরি বলে এর ভিতরে অনেক গুন রয়েছে। চিনি, দুধ, ময়দা ছাড়াও অনেক কিছু থাকে। তাই মিষ্টি জাতীয় জিনিস খেলে উপকার পাওয়া যায়। শরীরকে শক্তিশালী ও মোটা করার জন্য মিষ্টি জাতীয় খাদ্য অনেক ভালো।

বিজ্ঞাপন

কিভাবে মোটা হবেন এর জন্য নিম্নে কিছু টিপস দেওয়া হলো:

১. পর্যাপ্ত ঘুম: শরীরকে এনার্জি শক্তি অন্তর্নিহিত রাখতে পর্যাপ্ত ঘুমের বিকল্প নেই।তাই রাতে ৬/৭ ঘন্টা ঘুম পারুন। এবং দিনে যদি সময় পান তাহলে ২-৩ ঘন্টা অতিরিক্ত ঘুম পারুন। ঘুম আপনাকে মানসিক প্রশান্তি দিবে। বিভিন্ন চিন্তামুক্ত রাখবে। ঘুমের অনেক উপকার রয়েছে। নিয়মিত ১.৫-২ মাস পর্যাপ্ত ঘুমের মাধ্যমে শরীরকে মোটা করা যায় বলেও জ্ঞানীরা জানান। কিভাবে মোটা হওয়া যায়, এর জন্য এই পর্যাপ্ত ঘুম শরীরের জন্য অনেক উপকারী হবে।

২. নিয়মিত ব্যায়াম: ব্যায়াম করলে শরীর ভালো থাকে। তাই নিয়মিত ব্যায়াম করবেন। কারন ব্যায়াম করলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক বাড়ে। প্রতিদিন ২০-৩০ মিনিট ব্যায়াম করলে শরীর অনেক ভালো থাকে। হাত ঘুরানো বুক ওঠা-নামা করা, ঘাড় ঘুরানো, কিছুক্ষণ হাটা ইত্যাদি ব্যায়াম করলে শরীর অনেক ভালো থাকে।

৩. চিন্তামুক্ত থাকা: ইংরেজিতে টেনশন ফ্রী বলে একটা কথা আছে যার বাংলা হচ্ছে চিন্তামুক্ত। কোনো ব্যক্তি যদি চিন্তা ভাবনার মধ্যে ডুবে থাকে, তবে সেই ব্যক্তির নানাবিধ রোগ আক্রান্ত হয়। অনেকেই বলে শরীর সুস্থ্য রারাখার মুলমন্ত্র হচ্ছে চিন্তামুক্ত রাখা। কোনো ব্যক্তি তার শরীরকে ভালো রাখতে চাইলে অবশ্যই চিন্তামুক্ত থাকতে হবে। শরীরকে যেভাবে মোটা রাখা যায় তার প্রধান উপাদান বা শর্তই হচ্ছে চিন্তামুক্ত থাকা।

৪. ক্ষুধার্ত না থাকা: অবশ্যই আপনি যদি আপনার স্বাস্থ্যকে মোটা করতে চান তাহলে কোনোভাবেই ক্ষুধা থাকা যাবেনা। বেশি ক্ষুধার্ত বা বা ক্ষিধে লাগার পূর্বেই পেট ভরে খেয়ে নিন। আমরা দিনে ৩ বার খাই। আপনি ১-২ মাস দ্রুত স্থায়ী মোটা হলে কমপক্ষে দৈনিক ৪ বার করে খাবেন। আর গলা ভর্তি খাওয়া যাবেনা, নবীর সুন্নত অনুযায়ী পেটে কিছু খালি রাখতে হয়। যা হজম শক্তিতে যেনো ব্যাঘাত না ঘটে।

৫. পর্যাপ্ত পানি পান: মোটা হওয়ার জন্য বা একমাত্র কৃশ ব্যক্তিকে মোটা করতে পানিই যথেষ্ট বলে কথা আছে। দৈনিক মোটা হওয়ার জন্য কমপক্ষে ৩-৪ ঘন্টা পরপর হাফ লিটার করে পানি পান করুন। দৈনিক আপনি শরীরকে সতেজ রাখতে ২-৩ লিটার পানি পান করুন।

মোটা হওয়ার ঔষুধ হিসেবে অনেক কিছু রয়েছে। তবে এগুলো ডাক্তারের পরামর্শ মোতাবেক খেতে হবে। হাট-বাজারে বিভিন্ন মোটা হওয়ার হারবাল ঔসুধ দেখে শুনে খাবেন। মোটা হওয়ার সিরাপ, মোটা হওয়ার ট্যাবলেট, মোটা হওয়ার মেডিসিন বাজারে কিনতে পাওয়া যায়। বডি মোটা বা শরীরকে মোটা করার জন্য আপননি উপরোল্লিখিত আর্টিকেল টি গুরুত্ব দিন।

আমরা বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে আর্টিকেল টি সংগ্রহ করেছি। যা শুধু পড়ার জন্য। ইহা কোনো রোগ নির্নয়ের জন্য নয়। আর্টিকেলটি শুধু আপনার উপকারের জন্য, যা ক্ষতিকর নয় আপনি আপনার যেকোনো রোগের জন্য ডাক্তারি পরামর্শ মোতাবেক ঔষুধ খাবেন।

ট্যাগ:

কোমর ব্যথার কারণ ও দূর করার উপায়

জব জনপ্রিয় বিডি
আপডেটঃ জানুয়ারি ২৭, ২০২৪ | ১২:৫৭ 18 ভিউ
জব জনপ্রিয় বিডি
আপডেটঃ জানুয়ারি ২৭, ২০২৪ | ১২:৫৭ 18 ভিউ
Link Copied!

কোমর ব্যথার সমস্যায় কমবেশি সকলেই ভুগে থাকেন, আসুন জেনে নিই কোমর ব্যথার কারণ ও দূর করার উপায়:-

কেন কোমর ব্যথা হয় :-

১) ভারী বস্তু তোলার কাজ করলে।

বিজ্ঞাপন

২) কোমরে চোট পেলে।

৩) অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে বা বসে কাজ করলে।

৪) নিয়মিত গাড়ি চালালে।

বিজ্ঞাপন

৫) সাধারণত কুঁজো হয়ে হাঁটলে বা বসলে।

৬) গর্ভধারণ সময়ে।

৭) হঠাৎ কোনো কারণে হাড়, মাংসপেশি, স্নায়ু—এই তিনটি উপাদানের সামঞ্জস্য নষ্ট হলে।

এই কোমর ব্যথা খুব সহজে দূর করা সম্ভব।যেমন:-

আদা যে কোনো ব্যথা কমাতে সক্ষম। আসুন জেনে নিই এই সমস্যা সমাধানে কার্যকরী আদা পানি বানানোর প্রক্রিয়াটি যা যা লাগবে

১) আদা

২) পরিষ্কার

৩) পাতলা কাপড়

৪) গরম পানি

কিভাবে তৈরি করবেন:-

প্রথমে আদা কুচি করে ফেলুন, এরপর আদা কুচিগুলো পাতলা কাপড়ে রাখুন কাপড়টির মুখ সুতা বা রশি দিয়ে বন্ধ করে দিন, একটা পুটলি বানিয়ে ফেলুন এবার চুলায় পানি গরম করতে দিন,এই পানির মধ্যে আদার পুটলিটা চিপে রস পানিতে দিন

রস ভাল করে চিপে ফেলার পর আদার পুটলিটা পানির মধ্যে দিয়ে দিন এবার একটি কাপড় গরম আদা,পানিতে চুবিয়ে নিন,এবার কাপড়টি থেকে ভাল করে পানি চিপড়িয়ে ফেলুন,এই আদা পানিতে চুবানো কাপড়টি ব্যথার জায়গায় রাখুন। লক্ষ্য রাখবেন কাপড়টা যেন খুব বেশি মোটা না হয়।

সারা রাত কাপড়টি ব্যথার জায়গায় রেখে দিন,সারা রাত সম্ভব না হলে কয়েক ঘণ্টা এটি ব্যথার জায়গায় রেখে দিন,দেখবেন কোমর ব্যথা গায়েব হয়ে গেছে,এটি আপনাকে দীর্ঘমেয়াদি আরাম দেবে।

এটি ঘরোয়া চিকিৎসা,সুতরাং যাদের অনেক বছরের পুরোনো ব্যথা তাদের ক্ষেত্রে যদি উপকার না হয় তাহলে ফিজিওথেরাপি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিবেন।

পেটের চর্বি কমানর সহজ কিছু ব্যায়াম

জব জনপ্রিয় বিডি
আপডেটঃ জানুয়ারি ২৭, ২০২৪ | ১২:৫৬ 21 ভিউ
জব জনপ্রিয় বিডি
আপডেটঃ জানুয়ারি ২৭, ২০২৪ | ১২:৫৬ 21 ভিউ
Link Copied!

পেটের চর্বি কি আপনার ঘুম হারার করে দিয়েছে? আজকাল ছোট বর অনেকেই এই সমস্যায় জর্জরিত। কিন্তু আশার বেপার হচ্ছে এটা খুব সহজেই দূরকরা যায়। সুধু দরকার খাদ্যাভ্যাসের কিছু পরিবর্তন সাথে কিছু ব্যায়াম।

কেউ যদি মনে করে সুধু খাবার কম খেলেই পেটের চর্বি কমে যাবে, তাহলে এটা ভুল। এটা আপনার শরীরের মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে। তাই ডায়েট আর ব্যায়াম পাশাপাশি রাখতে হবে। চেষ্টা করুন প্রতিদিন কিছু সময় ব্যায়ামের পিছে ব্যয় করতে, যদি পেটের চর্বি কমাতে চান।

এখানে আমরা কিছু পেটের চর্বি কমানর সাধারণ ব্যায়ামের মধ্যে ১ম টি নিয়ে আলোচনা করব।

বিজ্ঞাপন

 

এটা হচ্ছে ক্রাঞ্চেস (Crunches)

পেটের চর্বি কমানর জন্য এর চেয়ে ভাল ব্যায়াম আর আছে বলে মনে হয় না। দ্রুত চর্বি কমানর জন্য ক্রাঞ্চেসই সব চেয়ে ভাল ব্যায়াম।

বিজ্ঞাপন

কিভাবে করবেন

১। সমতল মেটে পা ভাজ করে খাড়া অবস্থায় মাটির সাথে রেখে চিত হয়ে শুয়ে পরুন (চিত্র ১)। অথবা পা ৯০ডিগ্রি ভাজ করে মাটি থেকে উপরেও রাখতে পারেন (চিত্র ২)

২। হাতগুলো ভাজ করে মাথার পিছনে রাখতে পারেন। অথবা ভাজ করা হাতগুলো বুকের উপড়ে রাখতে পারেন

৩। শ্বাস নিন সাথে সাথে আপার বডি কিছুটা উপড়ের দিকে উঠানর চেষ্টা করুন

৪। আবার শ্বাস নিন সাথে সাথে আপার বডি আগের পজিশনে নিয়ে আসুন

৫। এভাবে ১০বার করুন

৬। পুর প্রক্রিয়া ২-৩বার করুন।

সতর্কতা

১। ক্রাঞ্চেস করার সমায় খেয়াল রাখতে হবে যেন কোনভাবেই পিঠে ব্যাথা না লাগে। আপার বডি কয়েক ইঞ্চি উপড়ে উঠালেই হবে।

২। খেয়াল রাখতে হবে যেন কোনভাবেই ঘাড়ে ব্যাথা না লাগে।

ত্বক ফর্সা করার উপায়

জব জনপ্রিয় বিডি
আপডেটঃ জানুয়ারি ২৭, ২০২৪ | ১:১০ 16 ভিউ
জব জনপ্রিয় বিডি
আপডেটঃ জানুয়ারি ২৭, ২০২৪ | ১:১০ 16 ভিউ
Link Copied!

ফর্সা নয়। বরং নজর দিন কীভাবে আপনার নিজস্ব রঙ আরও সুন্দর, মসৃণ ও উজ্জল দেখাবে। ত্বকের বলিরেখা, অ্যাকনে, ট্যান নিরাময়ের দিকে বেশি নজর দিন। মেনে চলুন কয়েকটি সহজ অভ্যাস। ছোট ছোট বদল এনেই পাবেন উপকার।

ত্বক উজ্জ্বল করার ৮টি সহজ উপায়

  • প্রতিদিন ৩-৪ লিটার জল পান করুন। ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখতে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
  • রাতে একটানা ন্যূনতম ৮ ঘণ্টা ঘুমনোর চেষ্টা করুন। এতে ক্ষতিগ্রস্থ কোষ মেরামত হবে, নতুন স্কিন সেল গঠন বাড়বে।
  • খাওয়াদাওয়া ঠিক করুন। একটি বা দুটি ফল খান প্রতিদিন। পাতিলেবু খান। পাতে রাখুন প্রচুর মরসুমি শাক-সবজি। তেল-মশা, মিষ্টি জাতীয় খাবার কম খান।
  • নিয়মিত হালকা ব্যায়াম করুন। স্কিপিং, জগিং, ফ্রি হ্যান্ড এক্সারসাইজের মতো ব্যায়াম করুন। এতে রক্তসঞ্চালন বাড়বে। ত্বক টানটান, উজ্জ্বল থাকবে।
  • রোদের প্রভাবে ত্বকের অনেক ক্ষতি হয়। তবে, কাজের জন্য বের হলে অবশ্যই ছাতা, সানগ্লাস ব্যবহার করুন। SPF 50-র সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন। সানস্ক্রিন মেখে অনেকের ঘাম হয়, কারণ তাঁদের সেই ব্র্যান্ডটি স্যুট করে না। এক্ষেত্রে কয়েকটি ছোট স্যাম্পেল ট্রায়াল-অ্যান্ড-এরর করে যাচাই করে নিন। আপনার ত্বকে স্যুট করে, এমন সানস্ক্রিন সারাদিন মেখে থাকলেও সমস্যা হবে না।
  • ঘুম থেকে উঠে, বাইরে থেকে এসে ও রাতে ঘুমের আগে- দিনে তিনবার ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। মুখ ধোওয়ার পর অবশ্যই কোনও হালকা ময়েশ্চরাইজার ব্যবহার করুন।
  • সপ্তাহে ১-২ দিন স্ক্রাব করুন। ত্বকের মৃত কোষ উঠে যাবে। তবে ব্রণ থাকলে সেই স্থানটা এড়িয়ে যান।
  • ব্রণ, অ্যাকনের সমস্যা থাকলে খুঁটবেন না। মুখে হাত দেওয়াই বন্ধ করে দিন।

বিজ্ঞাপন

বয়স্ক ভাতা আবেদন ফরম ডাউনলোড এবং পূরণ করে আবেদন করার নিয়ম

জব জনপ্রিয় বিডি
আপডেটঃ ফেব্রুয়ারি ১, ২০২৪ | ৬:২৬ 22 ভিউ
জব জনপ্রিয় বিডি
আপডেটঃ ফেব্রুয়ারি ১, ২০২৪ | ৬:২৬ 22 ভিউ
Link Copied!

বয়স্ক ভাতা আবেদন ফরম ডাউনলোড করার কথা ভাবছেন? তাহলে আজকের এই লেখাটি আপনার জন্য।

খুব সহজে আপনারা কিভাবে অনলাইন থেকে বয়স্ক ভাতা আবেদন ফরম pdf ডাউনলোড করবেন এবং এই ফরমটি কিভাবে পূরণ করবেন? কিভাবে বয়স্ক ভাতার জন্য আবেদন করবেন সকল বিষয়গুলো আজকের এই পোষ্ট থেকে আপনারা জানতে পারবেন।

আপনারা সকলেই জানেন বয়স্ক ভাতা ১৯৯৭ থেকে ৯৮ অর্থবছর থেকে বাংলাদেশ সরকার বয়স্ক ভাতা পরিচালনা করে আসছে যা সমাজসেবা অধিদপ্তর পরিচালনা করছে।

বিজ্ঞাপন

 

বয়স্ক ভাতা অনলাইন আবেদন ২০২৪

বর্তমানে বয়স্ক ভাতা- বিধবা ভাতা -প্রতিবন্ধী ভাতা এই সকল কার্যক্রম গুলো অনলাইন মুখি হওয়ার ফলে, এখন বর্তমানে অনলাইন থেকে এই সকল কার্যক্রম গুলো পরিচালনা করা যাচ্ছে। তারি ধারাবাহিকতায় আপনারা বয়স্ক ভাতা আবেদনের ফরম অনলাইন থেকে ডাউনলোড করতে পারবেন।

বিজ্ঞাপন

 

বয়স্ক ভাতা আবেদন ফরম ডাউনলোড

বয়স্ক ভাতা আবেদন ফরম আপনি চাইলে হাতে থাকা স্মার্ট মোবাইল ফোন অথবা কম্পিউটারে ইন্টারনেট সংযোগ চালু করে ঘরে বসে ডাউনলোড করতে পারবেন। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে সঠিক মাধ্যম না জানার ফলে বিভিন্ন জন ফেক বিভিন্ন মাধ্যমে বয়স্ক ভাতা আবেদন ফরম আপলোড করে রাখার ফলে অনেকেই তা প্রতারিত হচ্ছে। এজন্য আমি আপনাদেরকে বয়স্ক ভাতা আবেদন ফরম ডাউনলোডের যে মূল লিঙ্ক বা অফিসিয়াল ফরমটির যে লিংক সেটি আমি আপনাদেরকে নিচে দিয়ে দিচ্ছি।

 

*ডাউনলোড করুন *

 

উপরের লিংকটির উপরে ক্লিক করে বয়স্ক ভাতা আবেদন ফরম ডাউনলোড করে নিন।

বয়স্ক ভাতা আবেদন ফরম পূরণ করার নিয়ম

উপরের নিয়মে বয়স্ক ভাতা আবেদন ফরম ডাউনলোড হয়ে গেলে তা প্রিন্ট আউট করে আপনাকে পূরণ করতে হবে সঠিক নিয়মে। সঠিক নিয়মে বয়স্ক ভাতা আবেদন ফরমটি পূরণ না করলে তা সমাজসেবা অধিদপ্তরে গ্রহণযোগ্য হবে না। তাই নিচের দেখা নিয়ম অনুসরণ করে বয়স্ক ভাতা আবেদন ফরম পূরণ করুন।

 

“বয়স্ক ভাতা মঞ্জুরীর আবেদনপত্র”

বরাবর,

 

আপনার নিকটস্থ সমাজসেবা অধিদপ্তরের নাম উল্লেখ করবেন।

 

বিষয়- যেটা আছে সেটি উল্লেখ রাখবেন।

ডানদিকে আপনার পাসপোর্ট সাইজের ছবি সংযুক্ত করবেন।

এরপরে নিচে থাকা আপনার নাম -আপনার পিতার নাম-আপনার মাতার নাম এবং বর্তমান এবং স্থায়ী ঠিকানা আপনার ভোটার আইডি কার্ডে যেভাবে আছে সেভাবে উল্লেখ করুন।

আবেদনকারীর বাৎসরিক আয় বলে একটি অপশন দেখতে পাবেন এখানে অবশ্যই আপনার বছরে কত টাকা আয় হয় সেটি উল্লেখ করুন।

নিচে আসলে স্বাস্থ্যগত অবস্থা- এখানে আপনি টিক মার্ক দিয়ে দিন।

অর্থ সামাজিক অবস্থা-এখানেও আপনি আপনার বর্তমান যে অবস্থা সেটি ঠিকমত দিয়ে দিন।

এছাড়াও নিচে থাকা আরো কিছু প্রয়োজনীয় আপনার তথ্য প্রদান করে আপনি আবেদন ফরমটি সম্পূর্ণভাবে পূরণ করে ফেলুন।

অবশ্যই খেয়াল রাখবেন আবেদন ফরমটিতে যাতে কাটা ছেঁড়া অথবা কোন ইনফরমেশন বা তথ্য ভুল না হয়।

প্রথম অংশের সকল কার্যক্রম বা তথ্য আপনার প্রদান করা হয়ে গেলে। নিচের দিকে আপনারা দেখতে পাবেন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান/ সিটি কর্পোরেশন অথবা পৌরসভার দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তির অবশ্যই সিল সিগনেচার নিতে হবে।

বয়স্ক ভাতা আবেদন ফরমের দ্বিতীয় অংশে আপনার কোন কিছু লিখতে হবে না। এ অংশের সমাজসেবা কল্যাণ অধিদপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগণ পূরণ করবে।

সকল তথ্যগুলো পূরণ করা হলে এবং সিল সিগনেচার দায়িত্ব ব্যক্তির নেয়া হয়ে গেলে। সশরীরে আপনি এই আবেদনপত্রের সঙ্গে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে সমাজসেবা অধিদপ্তরে জমা দিন।

আপনার বয়স্ক ভাত আবেদন জমা হলে সমাজসেবা অধিদপ্তর তা যাচাই বাছাই করে। আপনার সকল তথ্যগুলি এবং তাদের শর্তের সঙ্গে সকল বিষয়গুলি মিলে গেলে । আপনাকে বয়স্ক ভাতা প্রদান করার ক্ষেত্রে বাছাই করবে। পরবর্তীতে আপনি বয়স্ক ভাতা প্রাপ্তিদের লিস্টে যুক্ত হবেন।

আশা করছি উপরের এই নিয়ম অনুসরণ করে সঠিকভাবে সঠিক এই বয়স্ক ভাতা আবেদন ফরম ডাউনলোড করে সকল তথ্যগুলি সঠিক দিয়ে এই ফরম পূরণ করে তা নিকটস্থ ইউনিয়ন পরিষদ অথবা সিটি কর্পোরেশন অথবা পৌরসভার সিগনেচার নিয়ে সমাজসেবা অধিদপ্তরে আপনি জমা দেন। তাহলে অবশ্যই আপনি বয়স্ক ভাতা পাওয়ার জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।

 

বয়স্ক ভাতা সম্পর্কিত কিছু প্রশ্ন উত্তর

বয়স্ক ভাতা কত টাকা?

 

১৯৯৭- ৯৮ অর্থবছরে বয়স্ক ভাতা চালু হলে প্রতি বয়স্ক ব্যক্তিকে প্রতি মাসে ১০০ টাকা প্রদান করা হতো।

 

বর্তমানে ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে তা প্রতি জনের জন্য ৬০০ টাকা করে বাংলাদেশ সরকার নির্ধারণ করেছে।

 

বয়স্ক ভাতার টাকা কিভাবে পাওয়া যায়?

 

বাংলাদেশের মোবাইল ব্যাংকিং নগদ বিকাশ রকেটের মাধ্যমে সমাজসেবা অধিদপ্তর নির্দিষ্ট তারিখে বয়স্ক ভাতা টাকা প্রদান করে থাকে।

 

বয়স্ক ভাতার আবেদন করার উপায়?

 

বয়স্ক ভাতার জন্য আপনি দুটি মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন। ১) অনলাইনে সরাসরি বয়স্ক ভাতার আবেদন করে তাফলিন আউট করে সমাজসেবা অধিদপ্তরে জমা দিতে পারবেন।

 

২) অনলাইনের মাধ্যমে বয়স্ক ভাতার আবেদন ফরম ডাউনলোড করে তা পূরণ করে সমাজসেবা অধিদপ্তরে জমা দিতে পারবেন।

 

বয়স্ক ভাতা আবেদন ফি?

বয়স্ক ভাতা আবেদন কোন ধরনের ফি নেই আপনি ফ্রিতে অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

 

বয়স্ক ভাতা আবেদনের বয়স?

 

বয়স্ক ভাতা আবেদনের পূর্বে কিছু যোগ্যতা ও শর্তাবলী রয়েছে।

 

সংশ্লিষ্ট এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে।

জন্ম নিবন্ধন জাতীয় পরিচয় পত্র থাকতে হবে।

বয়স পুরুষের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন ৬৫ বছরের মহিলার ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন ৬২ বছর হতে হবে।

সরকার কর্তৃক সময় সময় নির্ধারিত বয়স বিবেচনা নিতে হবে।

বাংলাদেশের সেরা বক্তা আলেমদের বক্তাদের তালিকা

জব জনপ্রিয় বিডি
আপডেটঃ জানুয়ারি ২৪, ২০২৪ | ৯:২৪ 25 ভিউ
জব জনপ্রিয় বিডি
আপডেটঃ জানুয়ারি ২৪, ২০২৪ | ৯:২৪ 25 ভিউ
Link Copied!

আসসালামু আলাইকুম আজকে আলোচনা করব জনপ্রিয় চল্লিশটি বাংলাদেশের সেরা আমাদের বক্তাদের তালিকা সম্পর্কে। আপনারা হয়তো অনেকেই জানেন যে ওয়াজ মাহফিল আমাদের ধর্মের ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের জীবনের একটি অংশ। তাই অজ মাহফিল সবারই পছন্দ। আজকে আলোচনা করব বাংলাদেশের ৪০ জন জনপ্রিয় আলেমদের বক্তাদের তালিকা সম্পর্কে।

এসবের সঙ্গে আরও জানতে পারবেন বাংলাদেশের সেরা বক্তাদের তালিকা সহ তারা কোথায় অবস্থান করেন কোন জেলায় অবস্থান করে সকল বিষয়ে আলোচনা করব তাদের শিক্ষা যোগ্যতা কত ইত্যাদি সম্পর্কে আলোচনা করব আপনারা সকলে মনোযোগ দিয়ে আমাদের এই পোস্ট এর সঙ্গে থাকুন।

আলেম কাকে বলে?

আলেম শব্দের অর্থ জ্ঞানী। শরিয়তের পরিভাষায় আলেম বলা হয়, যিনি দ্বীন ও শরিয়তের গভীর জ্ঞান রাখেন ও সেই জ্ঞান অনুযায়ী আমল করেন। পাশাপাশি সুন্নতের অনুসরণে নিজের জীবনকে পরিচালিত করেন এবং আল্লাহর ভয়ে সদা সন্ত্রস্ত থাকেন।

দ্বীনি ইলম শিক্ষার জন্য জরুরি একটি শর্ত হচ্ছে, সনদ থাকা। অর্থাৎ কোনো আলেমের কাছ থেকে ইলম শিক্ষা করা। বইপুস্তক দ্বীন শিক্ষার মাধ্যম হলেও মূলত দ্বীনি ইলম পাওয়া যায় উস্তাদের কাছ থেকেই। এভাবে ইলম শিক্ষা করা সরাসরি রাসুল (সা.) এর কাছ থেকে শিক্ষা করার মতোই। কারণ এই সনদ রাসুল (সা.) পর্যন্ত পৌঁছে।

বিজ্ঞাপন

আলেম কাকে বলে জেনে নিনঃ

সাধারণত আলেম এমন ব্যক্তিকে বোঝানো হয় যারা দ্বীনি প্রতিষ্ঠান থেকে কোরআন শরীফে ইসলামী সম্পর্কে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি প্রাপ্ত ব্যক্তিদের আলেম বলা হয়ে থাকে। আলেম শব্দের অর্থ হচ্ছে জ্ঞানী।

 

বিজ্ঞাপন

আলেম হওয়ার জরুরী বিষয় হচ্ছে সনদ থাকা। একজন তিনি ব্যক্তি যদি কোন আলেম থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে থাকেন তাকে আলেম বলা হয়।

 

নিচে উল্লেখিত বিষয়গুলো আলোচনা করা হবে বাংলাদেশের সেরা আলেম এর তালিকা সম্পর্কে। প্রিয় পাঠক আপনারা সকলে মনোযোগ দিয়ে আমাদের এই আলোচনা গুলো পড়ে নিন এবং আমাদের সঙ্গে থাকুন।

 

হাক্কানি আলেম কাকে বলে জেনে নিনঃ

আলেম ব্যক্তিদের চেনার সবথেকে বড় উপায় হচ্ছে তাদের চেহারায় পোশাকে সুন্নতের ছাপ দেখা যায় তাদেরকে আলেম ব্যক্তি হিসেবে তুলে ধরা হয়। একজন সাধারণ ব্যক্তি দ্বীনদার বেগ হিসেবে তাদেরকে চেহারা পোশাক ইত্যাদি এসবের মধ্য দিয়ে তাদেরকে বোঝা যায় আলেম ব্যক্তি। হাক্কানি আলেম দাওয়াত ও তাবলীগ মন্তব্য রাখেন। তাদের আচরণ ব্যবহার সবকিছুতে বোঝা যায় অতিরিক্ত গুন যদি কোন আলেমের মধ্যে দেখা যায় তাহলে তাকে হাক্কানি আলেম বলে বোঝানো হয়েছে।

 

বাংলাদেশের হাক্কানী আলেমদের নাম নিচে বিস্তারিত জেনে নিন।

 

বাংলাদেশের সেরা বক্তাদের তালিকা সম্পর্কে জেনে নিন/ বাংলাদেশ সেরা আলেমদের তালিকা জেনে নিন

বাংলাদেশ অনেক আলেম অলা একই রকম রয়েছে। তাদের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে বাংলাদেশের মানুষকে ইসলামের পথে নিয়ে আসা। এখন আলোচনা করব বাংলাদেশের সেরা আলেমদের তালিকা সম্পর্কে। বাংলাদেশ হাক্কানী আলেমদের নাম নিয়েছে আপনারা জানতে পারবেন তা জেনে নিন।

 

১. নামঃ মুফতি আমির হামজা

 

উনার শিক্ষাগত যোগ্যতা আল-কোরআন শীর্ষক অনার্স এবং মাস্টার্স সম্পন্ন করেন কুমিল্লা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কুষ্টিয়া।

তার জন্মস্থানঃ কুষ্টিয়া জেলায়

২. নামঃ মাওলানা সা শায়খআহমাদুল্লাহ

 

শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ দাওরায়ে হাদিস কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ইফতা খুলনা দারুল ইনম

জন্মস্থানঃ বশিকপুর লক্ষীপুর বাংলাদেশ

৩. নামঃ মুফতি রেজাউল করীম পীর সাহেব চরমোনাই

 

শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ কামিল হাদিস চরমোনাই আলিয়া মাদ্রাসা ইফতার সাগরদী আলিয়া মাদ্রাসা বরিশাল

জন্মস্থানঃ চরমোনাই গ্রাম, কীর্তনখোলা বরিশাল জেলায়

৪. নামঃ ডঃ এনাম আল্লাহু আব্বাসী আব্বাসী হুজুর নামে পরিচিত

 

শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ এইচএসসি পর্যন্ত বিজ্ঞান বিভাগে পড়াশোনা করেছেন মিশকাত দারুন আরশাদ থিসিস লখনৌ বিশ্ববিদ্যালয় তিতাস সালাত ওমর করাচি

জন্মস্থানঃ পাঠানটুলি আব্বাসী মঞ্জুর জয়পুর দরবার সিদ্ধিরগঞ্জ থানা নারায়ণগঞ্জ

৫. নামঃ মাওলানা মামুনুল হক

 

শিক্ষাগত যোগ্যতাৎ পবিত্র কোরআনে হাফেজ ঢাকার লালবাগ জামতারা জামে মসজিদ মাদ্রাসা মিক জামাত প্রথম স্থান অধিকার লাভ করেন জামাত তৃতীয় স্থান দাখিল প্রথম স্থান তারপর উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এসএসসি ও এইচএসসি অর্থনীতি অনার্স মাস্টার্স করে থাকেন এশিয়ান ইউনিভার্সিটি

জন্মস্থানঃ মাওলানা মুমিনুল হকের জন্মস্থান আজিমপুর ঢাকা।

৬. নামঃ মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারী

 

শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারী দাখিল পরীক্ষায় জিপিএ 5 দারুন্ন জান্নাত সিদ্দিকিয়া জামিল মাদ্রাসা দেমরা ঢাকা আলিম পরীক্ষায় গোল্ডেন জিপিএ 5 আন্ডার গ্রাজুয়েট আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয় মিশর post-graduate ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটি মালয়েশিয়া এমফিল এবং মালয়েশিয়া ইন্টার্নেশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট।

জন্মস্থানঃ মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারীর জন্ম স্থান ঢাকা।

৭. নামঃ মাওলানা হাফিজুর রহমান সিদ্দিকী

 

শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ চরমোনাই মাদরাসায় পড়াশোনা

জন্মস্থানঃ কুয়াকাটা বরিশাল

৮. নামঃ আল্লামা শাহ আহমদ শফী

 

শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ মাদ্রাসা শিক্ষা 10 বছর বয়সে হাটহাজারী আল জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মাদ্রাসা ভর্তি হন হাজার হাজার১৯৪১ সালে উচ্চ শিক্ষার জন্য ভারতে যান তাফসীর হাদীস অধ্যয়ন দারুল উলুম দেওবন্দ মাদ্রাসা

জন্মস্থানঃ চট্টগ্রামে রাঙ্গুনিয়া থানা টিলা গ্রামে অবস্থিত।

৯. নামঃ প্রিন্সিপাল মাওলানা হাবিবুর রহমান

 

শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ শিক্ষাজীবন শুরু রুস্তমপুর কাওমী মাদ্রাসা। হাজার ১৯৭০ সালে ফুলবাড়িয়া আলিয়া মাদ্রাসা থেকে ফাজিল পাস করেন।১৯৭৩ সালে সিলেট সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা থেকে আলিম পরীক্ষায় প্রথম স্থান অধিকার করেন।

জন্মস্থানঃ ফুলবাড়ী ইউনিয়ন গোপালগঞ্জ জেলা সিলেট

১০. নামঃ আল্লামা ফরিদ উদ্দিন ইমাম শোলাকিয়া মাদ্রাসা

 

শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ শিক্ষার হাতে ঘড়ি পিতার নিকট পরে ভর্তি হন সিরাজগঞ্জ জেলায় জামিয়া এমদাদিয়া এরপর উচ্চ শিক্ষা গ্রহণের জন্য পাড়ি জমান ভারতের দারুল উলুম দেওবন্দ১৯৭৬ সালের প্রথম স্থান অধিকার করেন তাদের হাদীস সম্পূর্ণ করেন।

জন্মস্থানঃ কিশোরগঞ্জ জেলায় পাকুন্দিয়া উপজেলা হিজলিয়া গ্রাম

১১. নামঃ মুফতি আব্দুস সালাম চাটগামী

 

শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ হাজার ১৯৫৮ সালে প্রাথমিক পড়াশোনা শেষ করে বাবুনগর মাদ্রাসা ভর্তি হন দাওরায়ে হাদিস ১৯৬৭ পাকিস্তানের জামিয়াতুল ইসলামিয়া হাদীছ শরীফ-এ পড়াশোনা করেন শিক্ষা জীবনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সব পরীক্ষায় প্রথম স্থান অধিকার করেন মাশাল্লাহ।

জন্মস্থানঃ চট্টগ্রামে আনোয়ার থানা নদিয়া গ্রাম

১২. নামঃ শাইখুল হাদিস আব্দুল্লাহ পাহাড়পুরী

 

শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ প্রাথমিক লেখাপড়ায় পাহাড়পুর এমদাদুল মাদ্রাসায় দাওয়াতের হাদিস মিশকাত লালবাগ ঢাকা

জন্মস্থানঃ পাহাড়পুর

১৩. নামঃ মুফতি ইমরান হুসাইন কাসেমী

 

জন্মস্থানঃ মিরপুর ঢাকা

১৪. নামঃ মুফতি লুৎফর রহমান ফরাজী

 

জন্মস্থানঃ পশ্চিম রামপুরা ঢাকা

শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ এবং মুফাসসিরের কোরআন

১৫. নামঃ মুফতি ইজহারুল ইসলাম চৌধুরী

 

জন্মস্থানঃ চট্টগ্রাম

শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ আল-জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলূম মুঈনুল ইসলাম এবং জামিয়া আল ইসলামিয়া অধ্যয়ন করেন।

১৬. নামঃ মুফতি রফিকুল ইসলাম সিরাজী

 

জন্মস্থানঃ খুলনা

১৭. নামঃ মুফতি ইমরান হোসাইন কাসেমী

 

জন্মস্থান মিরপুর ঢাকা

১৮. নামঃ আব্দুল্লাহ আল আমিন

 

জন্মস্থানঃ ঢাকা

১৯. নামঃ মাওলানা তারেক মনোয়ার

 

জন্মস্থানঃ লক্ষ্মীপুর

শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ প্রাথমিক শিক্ষা লক্ষ্মীপুরে উচ্চশিক্ষা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ ঢাকা আলিয়া থেকে হাদিস কামিল ডিগ্রী অর্জন করেছেন।

২০. নামঃ আব্দুল্লাহ হাই মুহাম্মাদ সাইফুল্লাহ

 

  •  জন্মস্থানঃ নওগাঁ জেলা
  •  শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ মাদ্রাসা জামিয়া সালাফিয়া কারমাইকেল কলেজ রংপুর

 

২১. নামঃ মুফতি আব্দুল কুদ্দুস

 

  •  জন্মস্থানঃ খুলনা

 

২২. নামঃ আলী আকবর সিদ্দিকী

 

  •  জন্মস্থানঃ হবিগঞ্জ

 

২৩. নামঃ মাওলানা খোরশেদ আলম কাসেমী

 

  •  জন্মস্থানঃ ঢাকা

 

২৪. নামঃ মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব

 

  •  জন্মস্থানঃ ব্রাহ্মণবাড়িয়া

 

২৫. নামঃ মাওলানা মুজিবুর রহমান

 

  •  জন্মস্থানঃ চাঁদপুর

 

২৬. নামঃ আল্লামা ডঃ মোস্তফা আহমেদ

 

  •  জন্মস্থানঃ ঢাকা

 

২৭. নামঃ মাওলানা আজিজুল ইসলাম  জালালি

 

  •  জন্মস্থানঃ ব্রাহ্মণবাড়িয়া

 

২৮. নামঃ মাওলানা মেরাজুল হক কাসেমী

 

  • জন্মস্থানঃ ব্রাহ্মণবাড়িয়া

 

২৯. নামঃ মাওলানা আব্দুল বাসেত খান

 

  • জন্মস্থানঃ  সিরাজগঞ্জ
  • ৩০ নামঃ মুফতি মনসুরুল করিম
  •  জন্মস্থানঃ ব্রাহ্মণবাড়িয়া

 

৩১. মুফতি  আব্দুল্লাহ খালেক সাহেব

 

  • জন্মস্থানঃ শরীয়তপুর
  • ৩২ নামঃ মুফতি মাহমুদ উল্লাহ আতিকী
  • জন্মস্থানঃ ঢাকা
  • ৩৩ নামঃ মুফতি ওসমান গনি মুছাপুরী
  •  জন্মস্থানঃ মাগুরা

৩৪. নামঃ মাওলানা আবু নাঈম মোঃ তানভীর

  •  জন্মস্থানঃ চাঁদপুর
  • ৩৫ নামঃ মুফতি শিহাববুদ্দিন
  •  জন্মস্থানঃ চাঁদপুর

৩৬. নামঃ মাওলানা আশরাফ আলী

  • জন্মস্থানঃ হবিগঞ্জ
  • ৩৭ নামঃ মাওলানা জাকারিয়া
  • জন্মস্থানঃ নাটোর জেলায়

৩৮. নামঃ মুফতি আমজাদ হোসাইন আশরাফী

  • জন্মস্থান ব্রাহ্মণবাড়িয়া
  • ৩৯ নামঃ মুফতি আনোয়ার হোসেন  চিশতী
  • জন্মস্থানঃ   নর্সিংদি
  • ৪০ নামঃ মাওলানা আতিকুর রহমান
  • জন্মস্থানঃ ব্রাহ্মণবাড়িয়া

 

শিরোনাম:
বয়স্ক ভাতা আবেদন ফরম ডাউনলোড এবং পূরণ করে আবেদন করার নিয়ম সর্দিতে নাক বন্ধ হয়ে থাকলে দ্রুত যা করবেন ত্বক ফর্সা করার উপায় স্ত্রী সহবাসের সুন্নাত নিয়ম কোমর ব্যথার কারণ ও দূর করার উপায় পেটের চর্বি কমানর সহজ কিছু ব্যায়াম মেয়েদের মাসিক এবং মাসিকের সময় ব্যাথা হলে করনীয় সম্পর্কে জানুন মাসিক কী? দেশের বাজারে কমলো সোনার দাম বাংলাদেশের সেরা বক্তা আলেমদের বক্তাদের তালিকা অনলাইন থেকে আনলিমিটেড টাকা ইনকাম করার সহজ উপায় বাংলাদেশে মিলনের সময় নারীদের করণীয় । লজ্জা নয় জানুন এশার নামাজ কয় রাকাত অভিজ্ঞতা ছাড়াই চাকরি দেবে এসিআই মোটরস ৩৫টি বাদে সব কোম্পানির ফ্লোর প্রাইস উঠে গেল বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অভিজ্ঞতা ছাড়াই চাকরি দেবে এসিআই মোটরস 2024 শুভ রমজান শুভেচ্ছা বার্তা ও স্ট্যাটাস | 2024 Ramadan Mubarak Bengali Status ২০২৪ সালের রমজান ক্যালেন্ডার সময়সূচী-Ramadan Calendar 2024 ঢাকায় নিয়োগ দেবে মধুমতি ব্যাংক, আবেদন করন অনলাইনে