বুধবার, ২১শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

অনলাইন থেকে আনলিমিটেড টাকা ইনকাম করার সহজ উপায় বাংলাদেশে

জব জনপ্রিয় বিডি
আপডেটঃ জানুয়ারি ২৪, ২০২৪ | ৯:১৫ 35 ভিউ
জব জনপ্রিয় বিডি
আপডেটঃ জানুয়ারি ২৪, ২০২৪ | ৯:১৫ 35 ভিউ
Link Copied!

অনলাইন থেকে আনলিমিটেড টাকা ইনকাম করার সহজ উপায় বাংলাদেশে সম্পর্কে আমাদের আজকের আলোচনা। আমাদের আর্টিকেল পর্যন্ত যেহেতু চলে এসেছেন তাই আমি চেষ্টা করব আপনাদের একটা সঠিক গাইডলাইন দেওয়ার জন্য। অনলাইনে ইনকাম করার প্রচুর পথ রয়েছে। হয়তো সচরাচর আপনি যেগুলো শুনছেন সেগুলোর বাইরে ও আরো প্রচুর উপায় রয়েছে যেগুলো হয়তো আমরা অনেকেই জানিনা। আজকে আমি আপনাদের সঙ্গে মোট পাঁচটি অনলাইন থেকে আনলিমিটেড টাকা ইনকাম করার সহজ উপায় সম্পর্কে বলবো।

১. অনলাইন বিজনেস করে টাকা ইনকাম

আমি প্রথম কথা বলব অনলাইন বিজনেস সম্পর্কে। অনলাইনে টাকা ইনকাম করার হাজারো উপায় এর মধ্যে এটি হচ্ছে সবচেয়ে কার্যকর এবং নিরাপদ উপায়। ফ্রিল্যান্সিং, আউটসোর্সিং, ইউটিউব, ফেসবুক ইত্যাদি যেখান থেকেই টাকা ইনকাম করুন দিন শেষে বিজনেসের উপর ফোকাস করতেই হবে। মূলত অনলাইনে আপনি যত ধরনের একটিভিটি এর মাধ্যমে টাকা ইনকাম করবেন সবার ওস্তাদ হচ্ছে অনলাইন বিজনেস। অনলাইনে যত পেশা রয়েছে তার সবই মূলত বিজনেসের উপর নির্ভর করেই গড়ে উঠেছে। তাই যদি আপনি অনলাইনে একটা বিজনেস দাঁড় করাতে পারেন তাহলে সেটি হবে আপনার জন্য সবচেয়ে ভালো সিদ্ধান্ত।
অনলাইন বিজনেস কি? – অনলাইন বিজনেস বলতে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম অথবা ইন্টারনেটের বিভিন্ন ধরনের সার্ভিস অথবা প্রোডাক্ট বিক্রি করাকেই বোঝায়। অনলাইনে আপনি যে কোন কিছু বিক্রি করতে পারেন সেটা হতে পারে যে কোন ফিজিক্যাল প্রোডাক্ট, যেকোনো নন ফিজিক্যাল প্রোডাক্ট, যেকোনো সার্ভিস ইত্যাদি।
অনলাইন বিজনেস কিভাবে করবেন: এখন অনলাইনে কিভাবে বিজনেস করবেন সেটা তো আর আমি আপনাকে শিখিয়ে দিতে পারব না। অনলাইনে বিজনেস করার জন্য আপনাকে আগে আপনার নিজের স্ট্রং জায়গাটি খুঁজে বের করতে হবে। যদি আপনি ফিজিক্যাল প্রোডাক্ট নিয়ে বিজনেস করতে চান তাহলে এমন একটি প্রোডাক্ট খুঁজে বের করতে হবে যেটি মার্কেটে প্রচুর ডিমান্ড রয়েছে। এরপর এই প্রোডাক্টটি facebook, youtube, tiktok বিভিন্ন প্লাটফর্মে মার্কেটিং করতে হবে। এটা ভালো এমাউন্টের প্রফিট মার্জিন রেখে মার্কেটিং করার চেষ্টা করতে হবে। বর্তমান সময়ে ফ্রি মার্কেটিং তেমন একটা কাজ করে না, তাই ফ্রি মার্কেটিং এর পাশাপাশি পেইড মার্কেটিং যেতে পারেন। যদিও এই ছোট্ট আর্টিকেলে বিজনেসের পুরো প্রসেস বলা সম্ভব নয় তবে যদি অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করতে চান তাহলে সবার প্রথম আপনাকে সাজেস্ট করবে একটি অনলাইন বিজনেস স্টার্ট করার জন্য।
২. কনটেন্ট রাইটিং করে টাকা ইনকাম
যদি আপনি অনলাইন থেকে আনলিমিটেড টাকা ইনকাম করার সহজ উপায় বাংলাদেশে লিখে সার্চ করে থাকেন তাহলে বলবো আপনি চাইলে অনলাইনে কনটেন্ট রাইটিং এর কাজটি করতে পারেন।আপনি এই মুহূর্তে আমার আর্টিকেলটি পড়ছেন। আপনি চাইলে এই কাজটিও করতে পারেন অর্থাৎ আমার মত আপনিও আর্টিকেল লিখে রাখতে পারবেন আপনার ওয়েবসাইটে। যখন আপনার ওয়েবসাইটে এসে অন্য মানুষ আর্টিকেল পড়বে তখন সেখান থেকে আয় হবে।
কনটেন্ট রাইটিং কি? কন্টেন্ট রাইটিং হচ্ছে কোন একটি বিষয়ের উপর বিস্তারিত আলোচনা করা।সেটার ভালো দিক, মন্দ দিক, কি কি ফিচার রয়েছে, কেন কেনা উচিত, কেন কিনা উচিত নয় ইত্যাদি সম্পর্কে আলোচনা করতে পারেন। আর সেই লিখিত বক্তব্যটি আপনার ওয়েবসাইটের মাধ্যমে প্রকাশ করতে পারেন।
কন্টেন্ট রাইটিং এর কাজটি কিভাবে করব: রাইটিং এর কাজ করার জন্য প্রথমে আপনাকে একটা ওয়েবসাইট চালু করতে হবে। ওয়েবসাইট চালু করার জন্য ব্লগার ডট কম অথবা ওয়াডপ্রেস ডটকম এছাড়াও আরো অনেক প্ল্যাটফর্ম রয়েছে যেগুলো থেকে করতে পারবেন। তবে প্রাথমিক অবস্থায় ব্লগার ডট কম এর মাধ্যমে ওয়েবসাইট শুরু করাই ভালো। কারণ এটাতে সবচেয়ে কম খরচে একটি ব্লগ সাইট তৈরি করা সম্ভব।
কনটেন্ট রাইটিং এর ফ্রিল্যান্সিং: কনটেন্ট রাইটিং এর দ্বিতীয় আরেকটি পদ্ধতি রয়েছে সেটা হচ্ছে ফ্রিল্যান্সিং করা । আপনি যদি লেখাই পারদর্শী হন তাহলে অনলাইনে প্রচুর ওয়েবসাইট রয়েছেন তাদের ওয়েবসাইট গুলোতে কন্টেন রাইটিং এর জব করতে পারেন। freelancer.com, fiverr.com, upwork.com এর মত মার্কেটপ্লেস গুলোতে কন্টেন্ট রাইটিং এর কাজের প্রচুর চাহিদা রয়েছে।
৩. ভিডিও কনটেন্ট তৈরি করে টাকা ইনকাম
ভিডিও কনটেন্ট তৈরি করেও অনলাইন থেকে আনলিমিটেড টাকা ইনকাম করা সম্ভব। বর্তমানে সারা বিশ্বে ভিডিও কনটেন্টের প্রচুর চাহিদা রয়েছে। যদিও একটা সময় বিভিন্ন তথ্য অনুসন্ধানের জন্য গুগলে সার্চ করতাম কিন্তু বর্তমান সময়ে আমরা ইউটিউবে ভিডিও দেখে বিভিন্ন সমস্যার সমাধান খোঁজার চেষ্টা করি। এছাড়া ব্যবসায়ী কার্যক্রম থেকে শুরু করে পারিবারিক, সামাজিক, বিনোদনমূলক, ধর্মীয় ইত্যাদি প্রত্যেক সেক্টরে ভিডিও নির্ভর তথ্যের নির্ভরশীলতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই আপনি ভিডিও কনটেন্ট তৈরির ব্যাপারটিকে সিরিয়াসলি নিতে পারেন।
ভিডিও কনটেন্ট করে কিভাবে টাকা ইনকাম করবেন: ভিডিও কনটেন্ট তৈরি করে অনলাইন থেকে আনলিমিটেড টাকা ইনকাম করার সহজ উপায় বাংলাদেশ রয়েছে। সেই উপায়টি হচ্ছে আপনাকে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মে ভালো মানের ভিডিও তৈরি করে আপলোড দিতে হবে। উল্লেখযোগ্য ওয়েবসাইট গুলো হচ্ছে ইউটিউব, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, টিক টক। ভালো মানের কন্টেন্ট তৈরি করে এই প্ল্যাটফর্ম গুলোতে নিয়মিত আপলোড করলে একটা সময় এখান থেকে আনলিমিটেড টাকা ইনকাম করা সম্ভব।
ভিডিও কনটেন্ট থেকে কিভাবে টাকা আসে: যদি আপনি সিদ্ধান্ত নেন যে ভিডিও কনটেন্ট থেকে টাকা ইনকাম করবেন। তাহলে এখন আমি এখান থেকে কিভাবে ইনকাম হয় সেটা বলে দিচ্ছি। মূলত উপরে যেই প্ল্যাটফর্ম গুলোর নাম বলেছি এগুলোতে ভিডিও আপলোড করলে তাদের ইনকামের একটা নির্দিষ্ট পার্সেন্টেজ আপনি পাবেন। youtube কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের ৪০% প্রফিট শেয়ার করে। এছাড়া ভিডিও কনটেন্ট তৈরি করার মাধ্যমে আপনার বিজনেসের প্রমোশনের কাজ করতে পারবেন। সেখান থেকেও টাকা আসবে। এছাড়া বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের জন্য ভিডিও তৈরি করে দিয়ে টাকা নেওয়া যেতে পারে। বড় বড় মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানি আপনাকে স্পন্সর করবে যদি আপনি ভালো মানের কন্টেন্ট বানাতে পারেন।
৪. ড্রপ শিপিং করে টাকা ইনকাম:
অনলাইন থেকে আনলিমিটেড টাকা ইনকাম করার আরো একটি সহজ উপায় হচ্ছে ড্রপ শিপিং।ইন্টারন্যাশনালি ড্রপ শিপিং অনেক জনপ্রিয় একটি মাধ্যম। অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করতে চাইলে ইন্টারন্যাশনালি অথবা লোকালি ড্রপ শিপিং করে টাকা আয় করা সম্ভব।
ড্রপ শিপিং কি: ড্রপ শিপিং কি সেটা বোঝার জন্য আমরা একটা ছোট্ট এক্সাম্পল দিচ্ছি। ধরুন কোন একজন পাইকারি ব্যবসায়ী আপনাকে বলে দিল তার মালামাল বিক্রি করে দেয়ার জন্য। আপনি অনলাইনে বিজ্ঞাপন দিলেন। কাস্টমার আপনার কাছে অর্ডার করলো। কাস্টমার যে অর্ডার করেছে সে অর্ডারের তথ্যগুলো আপনি পাইকারি ব্যবসায়ীকে দিলেন। পাইকারি ব্যবসায়ী সেই তথ্য অনুযায়ী কাস্টমারের কাছে মাল পৌঁছে দিল। পাইকারি ব্যবসায়ী আপনাকে একটা দাম বলে দিল কিন্তু আপনি কাস্টমারের কাছে তার চেয়ে বেশি দামে বিক্রি করলেন। কাস্টমারের কাছে যে বেশি দামে বিক্রি করলেন সেটি হচ্ছে আপনার প্রফিট। প্রোডাক্ট প্যাকেজিং, ডেলিভারি, সোর্সিং ইত্যাদি কাজ করবে পাইকারি ব্যবসায়ী। আপনি শুধু অর্ডার কালেক্ট করবেন।
মূল কথা হচ্ছে অনলাইনে আপনার একটা ওয়েবসাইট থাকবে সে ওয়েবসাইটে কোন প্রোডাক্টটি আপনার নয় । কিন্তু আপনি কাস্টমারের কাছে অর্ডার নিবেন আর সেই মাল পৌঁছে দেবে যাদের হয়ে আপনি ড্রপ শিপিং করছেন তারা।
কাদের সাথে ড্রপ শিপিং করবেন: ইন্টারন্যাশনালি ড্রপ শিপিং করার জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় প্লাটফর্ম হচ্ছে ‍ aliexpress.com, amazon.com, ebay.com এগুলো ছাড়া আরো প্রচুর প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশে ড্রপ শিপিং করার জন্য রয়েছে dropshop.com.bd ।
ড্রপ শিপিং করে কেমন টাকা ইনকাম করা যায়: এটা নির্ভর করছে আপনার দক্ষতার উপর। আপনি যদি অনলাইন মার্কেটিং এর পারদর্শী হন তাহলে এখান থেকে ভালো ইনকাম করতে পারবেন। আর যদি তেমনটা না হয় তাহলে আপনাকে আগে ডিজিটাল মার্কেটিং অথবা অনলাইন মার্কেটিং শিখে নিতে হবে।
৫. ডিজিটাল মার্কেটিং করে টাকা ইনকাম
যদি আপনি অনলাইন থেকে আনলিমিটেড টাকা ইনকাম করা সহজ উপায় অনুসন্ধান করেন তাহলে আমি বলব ডিজিটাল মার্কেটিং করতে। বর্তমান যুগে ব্যবসা-বাণিজ্য প্রচার প্রসারের জন্য ডিজিটাল মার্কেটিং এর মার্কেট প্রতিনিয়ত প্রসারিত হচ্ছে।
ডিজিটাল মারকেটিং কি: যেকোনো ব্যবসা কে যখন ইন্টারনেটের মাধ্যমে প্রচার-প্রসার করা হয় তখন সেটি ডিজিটাল মার্কেটিং।
ডিজিটাল মার্কেটিং এর এজেন্সি খুলে টাকা ইনকাম: যদি আপনি ডিজিটাল মার্কেটিং করে টাকা ইনকাম করতে চান তাহলে একটি এজেন্সি চালু করতে পারেন। যাদের কাজ হবে ব্যবসায়ীদের ব্যবসাকে অনলাইনে প্রমোট করা। অথবা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রচার প্রসারের কাজ অনলাইনের মাধ্যমে করে দেওয়া এবং তার বিনিময়ে নির্দিষ্ট পরিমাণে চার্জ করা।
ডিজিটাল মার্কেটিং এর স্কিল বিক্রি করে ফ্রিল্যান্সিং করা: যদি ডিজিটাল মার্কেটিং এ ভালো দক্ষতা অর্জন করতে পারেন সেটিকে অনলাইনে ফ্রিল্যান্সিং করে ইনকাম করতে পারবেন। ডিজিটাল মার্কেটিং শেখার জন্য বাংলাদেশে অনেক প্রতিষ্ঠান রয়েছে। আপনি চাইলে ঘরে বসে ইন্টারনেটের সাহায্যে ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের কোর্স করে শিখতে পারেন অথবা ঢাকা বা বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তে আইটি ইনস্টিটিউট রয়েছে সেগুলো থেকেও শেখা যায়। বাংলাদেশ অনলাইনে শেখার জন্য জনপ্রিয় মাধ্যম হচ্ছে টেন মিনিট স্কুল।

ট্যাগ:

স্ত্রী সহবাসের সুন্নাত নিয়ম

জব জনপ্রিয় বিডি
আপডেটঃ জানুয়ারি ২৭, ২০২৪ | ১২:৫৯ 17 ভিউ
জব জনপ্রিয় বিডি
আপডেটঃ জানুয়ারি ২৭, ২০২৪ | ১২:৫৯ 17 ভিউ
Link Copied!

সহবাসের সঠিক নিয়ম হলো স্ত্রী নিচে থাকবে আর স্বামী ঠিক তার উপরি ভাবে থেকে সহবাস করবে। মহান আল্লাহ তায়ালা সহবাসের নিয়ম এভাবেই সুরা আরাফের ১৮৯ নম্বর আয়াতে

বলেছেন فَلَمَّا تَغَشَّاهَا حَمَلَتْ حَمْلاً خَفِيفًا فَمَرَّتْ بِهِ فَلَمَّا أَثْقَلَت دَّعَوَا اللّهَ رَبَّهُمَا لَئِنْ آتَيْتَنَا صَالِحاً لَّنَكُونَنَّ مِنَ الشَّاكِرِينَ (

অতঃপর পুরুষ যখন নারীকে আবৃত করল, তখন, সে গর্ভবতী হল। অতি হালকা গর্ভ। সে তাই নিয়ে চলাফেরা করতে থাকল। ( সুরা আরাফ: ১৮৯ অংশ)

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞ ডাক্তারগন এটিই বার বার বলে থাকেন।

বিধায় স্পষ্ট নিয়ম হলো স্ত্রী নিচে থাকবে স্বামি উপরে থাকবে। আর তাতেই স্ত্রী গর্ভধারন করবে।

সতর্কতা : এমন যেন না হয় যে স্ত্রী স্বামীর উপর থেকে বসে সহবাস করছে আর সেসময় স্বামীর বীর্যপাত হয়ে গেল। তাহলে ডাক্তারী চিকিৎসা মতে তখন বীর্য পুরো বের হয়না ভেতরে বিশেষ জায়গায় থেকে যায় আর তাতে পুরুষের ভেতর পাথর তৈরি হয়ে বড় ধরনের রোগ হবার আশংকা থাকে। তাছাডা স্ত্রী গর্ভধারণও করেনা।যদিও ইদানিং অনেক নিয়ম নেটে দেখানো হয় এ গুলো সঠিক নিয়ম নয় এগুলোতে প্রশান্তি নেই।

বিজ্ঞাপন

সহবাসের আরো কিছু সুন্নত নিয়ম হলো।

  1. স্ত্রী সহবাসের আগে ভাল করে দাতঁ ব্রাশ বা মিসওয়াক করবে।
  2. স্বামীও ভাল করে দাঁত মেসওয়াক বা ব্রাশ করবে। সিগারেট বা কোন বদ নেশার দুর্গন্ধ নিয়ে স্ত্রীর কাছে যাবে না।
  3. স্বামী স্ত্রী সহবাসের পুর্বে উভয় উজু করে নিবে
  4. বিসমিল্লাহ বলে আরম্ভ করা মুস্তাহাব। শুরুতে ভুলে গেলে বীর্যপাত হবার পর বিসমিল্লাহ পড়বে ।
  5. স্ত্রীগন শরিরে সুগন্ধি টেলকম পাউডার বা সুগন্ধি লাগিয়ে নিবে। স্বামীও আতর বা সুগন্ধি লাগিয়ে নিবে ।
  6. সহবাসের সময় কেবলা মুখি হয়ে করবেনা।
  7. সহবাসের সময় একেবারে উলঙ্গ হয়ে পড়বেনা। যদি তৃপ্তি না আসে তাহলে উপরে কোন কাপড় বা চাদর দিয়ে ঢেকে নিবে।
  8. বীর্যপাত হয়ে গেলে সাথে সাথে স্ত্রীর উপর থেকে নেমে পড়বেনা। বরং কিছু সময় তার উপর শুয়ে থাকবে। আবার পুরো শরিরের ভর তার উপর ছেড়ে দিবে না যাতে তার কষ্ট না হয় সেদিকে খেয়াল রাখা সুন্নত।
  9. সহবাসের পর দোয়া পড়বে। অথবা বাংলাতে বলবে হে আল্লাহ বিতারিত শয়তান থেকে আপনার কাছে আমরা আশ্রয় চাচ্ছি হে আল্লাহ আমাদেরকে নেক সন্তান দান করুন ও আপনার নেয়ামত দ্বারা পরিপূর্ন করুন। তাহলে এই সহবাস দ্বারা যদি সন্তান লাভ হয় তাহলে শয়তান সে বাচ্চার কোন ক্ষতি করতে পারবেনা ।
  10. কোন ভাবেই পায়ূ পথে সঙ্গমের চিন্তা ও করবেনা এটা মহাপাপ, যেটা কোরআন হাদিসে কঠিন ভাবে নিষেধ করা হয়েছে।তা ছাডা ডাক্তারী সাইন্স মতে উভয়ের এমন কঠিন ব্যধির আশংকা রয়েছে যার চিকিৎসা পৃথিবীর কোন ডাক্তার ও করতে পারবেনা।
  11. কোন আবস্হায় নেশা জাতীয় খাদ্যে বা পানীয় খেয়ে বা পান করে সহবাস করবেনা।
  12. কারো সামনে এমনকি নিজের আডাই/ তিন বছরের জাগ্রত শিশুর সামনে ও নয়।

পেটের চর্বি কমানর সহজ কিছু ব্যায়াম

জব জনপ্রিয় বিডি
আপডেটঃ জানুয়ারি ২৭, ২০২৪ | ১২:৫৬ 21 ভিউ
জব জনপ্রিয় বিডি
আপডেটঃ জানুয়ারি ২৭, ২০২৪ | ১২:৫৬ 21 ভিউ
Link Copied!

পেটের চর্বি কি আপনার ঘুম হারার করে দিয়েছে? আজকাল ছোট বর অনেকেই এই সমস্যায় জর্জরিত। কিন্তু আশার বেপার হচ্ছে এটা খুব সহজেই দূরকরা যায়। সুধু দরকার খাদ্যাভ্যাসের কিছু পরিবর্তন সাথে কিছু ব্যায়াম।

কেউ যদি মনে করে সুধু খাবার কম খেলেই পেটের চর্বি কমে যাবে, তাহলে এটা ভুল। এটা আপনার শরীরের মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে। তাই ডায়েট আর ব্যায়াম পাশাপাশি রাখতে হবে। চেষ্টা করুন প্রতিদিন কিছু সময় ব্যায়ামের পিছে ব্যয় করতে, যদি পেটের চর্বি কমাতে চান।

এখানে আমরা কিছু পেটের চর্বি কমানর সাধারণ ব্যায়ামের মধ্যে ১ম টি নিয়ে আলোচনা করব।

বিজ্ঞাপন

 

এটা হচ্ছে ক্রাঞ্চেস (Crunches)

পেটের চর্বি কমানর জন্য এর চেয়ে ভাল ব্যায়াম আর আছে বলে মনে হয় না। দ্রুত চর্বি কমানর জন্য ক্রাঞ্চেসই সব চেয়ে ভাল ব্যায়াম।

বিজ্ঞাপন

কিভাবে করবেন

১। সমতল মেটে পা ভাজ করে খাড়া অবস্থায় মাটির সাথে রেখে চিত হয়ে শুয়ে পরুন (চিত্র ১)। অথবা পা ৯০ডিগ্রি ভাজ করে মাটি থেকে উপরেও রাখতে পারেন (চিত্র ২)

২। হাতগুলো ভাজ করে মাথার পিছনে রাখতে পারেন। অথবা ভাজ করা হাতগুলো বুকের উপড়ে রাখতে পারেন

৩। শ্বাস নিন সাথে সাথে আপার বডি কিছুটা উপড়ের দিকে উঠানর চেষ্টা করুন

৪। আবার শ্বাস নিন সাথে সাথে আপার বডি আগের পজিশনে নিয়ে আসুন

৫। এভাবে ১০বার করুন

৬। পুর প্রক্রিয়া ২-৩বার করুন।

সতর্কতা

১। ক্রাঞ্চেস করার সমায় খেয়াল রাখতে হবে যেন কোনভাবেই পিঠে ব্যাথা না লাগে। আপার বডি কয়েক ইঞ্চি উপড়ে উঠালেই হবে।

২। খেয়াল রাখতে হবে যেন কোনভাবেই ঘাড়ে ব্যাথা না লাগে।

বয়স্ক ভাতা আবেদন ফরম ডাউনলোড এবং পূরণ করে আবেদন করার নিয়ম

জব জনপ্রিয় বিডি
আপডেটঃ ফেব্রুয়ারি ১, ২০২৪ | ৬:২৬ 22 ভিউ
জব জনপ্রিয় বিডি
আপডেটঃ ফেব্রুয়ারি ১, ২০২৪ | ৬:২৬ 22 ভিউ
Link Copied!

বয়স্ক ভাতা আবেদন ফরম ডাউনলোড করার কথা ভাবছেন? তাহলে আজকের এই লেখাটি আপনার জন্য।

খুব সহজে আপনারা কিভাবে অনলাইন থেকে বয়স্ক ভাতা আবেদন ফরম pdf ডাউনলোড করবেন এবং এই ফরমটি কিভাবে পূরণ করবেন? কিভাবে বয়স্ক ভাতার জন্য আবেদন করবেন সকল বিষয়গুলো আজকের এই পোষ্ট থেকে আপনারা জানতে পারবেন।

আপনারা সকলেই জানেন বয়স্ক ভাতা ১৯৯৭ থেকে ৯৮ অর্থবছর থেকে বাংলাদেশ সরকার বয়স্ক ভাতা পরিচালনা করে আসছে যা সমাজসেবা অধিদপ্তর পরিচালনা করছে।

বিজ্ঞাপন

 

বয়স্ক ভাতা অনলাইন আবেদন ২০২৪

বর্তমানে বয়স্ক ভাতা- বিধবা ভাতা -প্রতিবন্ধী ভাতা এই সকল কার্যক্রম গুলো অনলাইন মুখি হওয়ার ফলে, এখন বর্তমানে অনলাইন থেকে এই সকল কার্যক্রম গুলো পরিচালনা করা যাচ্ছে। তারি ধারাবাহিকতায় আপনারা বয়স্ক ভাতা আবেদনের ফরম অনলাইন থেকে ডাউনলোড করতে পারবেন।

বিজ্ঞাপন

 

বয়স্ক ভাতা আবেদন ফরম ডাউনলোড

বয়স্ক ভাতা আবেদন ফরম আপনি চাইলে হাতে থাকা স্মার্ট মোবাইল ফোন অথবা কম্পিউটারে ইন্টারনেট সংযোগ চালু করে ঘরে বসে ডাউনলোড করতে পারবেন। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে সঠিক মাধ্যম না জানার ফলে বিভিন্ন জন ফেক বিভিন্ন মাধ্যমে বয়স্ক ভাতা আবেদন ফরম আপলোড করে রাখার ফলে অনেকেই তা প্রতারিত হচ্ছে। এজন্য আমি আপনাদেরকে বয়স্ক ভাতা আবেদন ফরম ডাউনলোডের যে মূল লিঙ্ক বা অফিসিয়াল ফরমটির যে লিংক সেটি আমি আপনাদেরকে নিচে দিয়ে দিচ্ছি।

 

*ডাউনলোড করুন *

 

উপরের লিংকটির উপরে ক্লিক করে বয়স্ক ভাতা আবেদন ফরম ডাউনলোড করে নিন।

বয়স্ক ভাতা আবেদন ফরম পূরণ করার নিয়ম

উপরের নিয়মে বয়স্ক ভাতা আবেদন ফরম ডাউনলোড হয়ে গেলে তা প্রিন্ট আউট করে আপনাকে পূরণ করতে হবে সঠিক নিয়মে। সঠিক নিয়মে বয়স্ক ভাতা আবেদন ফরমটি পূরণ না করলে তা সমাজসেবা অধিদপ্তরে গ্রহণযোগ্য হবে না। তাই নিচের দেখা নিয়ম অনুসরণ করে বয়স্ক ভাতা আবেদন ফরম পূরণ করুন।

 

“বয়স্ক ভাতা মঞ্জুরীর আবেদনপত্র”

বরাবর,

 

আপনার নিকটস্থ সমাজসেবা অধিদপ্তরের নাম উল্লেখ করবেন।

 

বিষয়- যেটা আছে সেটি উল্লেখ রাখবেন।

ডানদিকে আপনার পাসপোর্ট সাইজের ছবি সংযুক্ত করবেন।

এরপরে নিচে থাকা আপনার নাম -আপনার পিতার নাম-আপনার মাতার নাম এবং বর্তমান এবং স্থায়ী ঠিকানা আপনার ভোটার আইডি কার্ডে যেভাবে আছে সেভাবে উল্লেখ করুন।

আবেদনকারীর বাৎসরিক আয় বলে একটি অপশন দেখতে পাবেন এখানে অবশ্যই আপনার বছরে কত টাকা আয় হয় সেটি উল্লেখ করুন।

নিচে আসলে স্বাস্থ্যগত অবস্থা- এখানে আপনি টিক মার্ক দিয়ে দিন।

অর্থ সামাজিক অবস্থা-এখানেও আপনি আপনার বর্তমান যে অবস্থা সেটি ঠিকমত দিয়ে দিন।

এছাড়াও নিচে থাকা আরো কিছু প্রয়োজনীয় আপনার তথ্য প্রদান করে আপনি আবেদন ফরমটি সম্পূর্ণভাবে পূরণ করে ফেলুন।

অবশ্যই খেয়াল রাখবেন আবেদন ফরমটিতে যাতে কাটা ছেঁড়া অথবা কোন ইনফরমেশন বা তথ্য ভুল না হয়।

প্রথম অংশের সকল কার্যক্রম বা তথ্য আপনার প্রদান করা হয়ে গেলে। নিচের দিকে আপনারা দেখতে পাবেন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান/ সিটি কর্পোরেশন অথবা পৌরসভার দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তির অবশ্যই সিল সিগনেচার নিতে হবে।

বয়স্ক ভাতা আবেদন ফরমের দ্বিতীয় অংশে আপনার কোন কিছু লিখতে হবে না। এ অংশের সমাজসেবা কল্যাণ অধিদপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগণ পূরণ করবে।

সকল তথ্যগুলো পূরণ করা হলে এবং সিল সিগনেচার দায়িত্ব ব্যক্তির নেয়া হয়ে গেলে। সশরীরে আপনি এই আবেদনপত্রের সঙ্গে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে সমাজসেবা অধিদপ্তরে জমা দিন।

আপনার বয়স্ক ভাত আবেদন জমা হলে সমাজসেবা অধিদপ্তর তা যাচাই বাছাই করে। আপনার সকল তথ্যগুলি এবং তাদের শর্তের সঙ্গে সকল বিষয়গুলি মিলে গেলে । আপনাকে বয়স্ক ভাতা প্রদান করার ক্ষেত্রে বাছাই করবে। পরবর্তীতে আপনি বয়স্ক ভাতা প্রাপ্তিদের লিস্টে যুক্ত হবেন।

আশা করছি উপরের এই নিয়ম অনুসরণ করে সঠিকভাবে সঠিক এই বয়স্ক ভাতা আবেদন ফরম ডাউনলোড করে সকল তথ্যগুলি সঠিক দিয়ে এই ফরম পূরণ করে তা নিকটস্থ ইউনিয়ন পরিষদ অথবা সিটি কর্পোরেশন অথবা পৌরসভার সিগনেচার নিয়ে সমাজসেবা অধিদপ্তরে আপনি জমা দেন। তাহলে অবশ্যই আপনি বয়স্ক ভাতা পাওয়ার জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।

 

বয়স্ক ভাতা সম্পর্কিত কিছু প্রশ্ন উত্তর

বয়স্ক ভাতা কত টাকা?

 

১৯৯৭- ৯৮ অর্থবছরে বয়স্ক ভাতা চালু হলে প্রতি বয়স্ক ব্যক্তিকে প্রতি মাসে ১০০ টাকা প্রদান করা হতো।

 

বর্তমানে ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে তা প্রতি জনের জন্য ৬০০ টাকা করে বাংলাদেশ সরকার নির্ধারণ করেছে।

 

বয়স্ক ভাতার টাকা কিভাবে পাওয়া যায়?

 

বাংলাদেশের মোবাইল ব্যাংকিং নগদ বিকাশ রকেটের মাধ্যমে সমাজসেবা অধিদপ্তর নির্দিষ্ট তারিখে বয়স্ক ভাতা টাকা প্রদান করে থাকে।

 

বয়স্ক ভাতার আবেদন করার উপায়?

 

বয়স্ক ভাতার জন্য আপনি দুটি মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন। ১) অনলাইনে সরাসরি বয়স্ক ভাতার আবেদন করে তাফলিন আউট করে সমাজসেবা অধিদপ্তরে জমা দিতে পারবেন।

 

২) অনলাইনের মাধ্যমে বয়স্ক ভাতার আবেদন ফরম ডাউনলোড করে তা পূরণ করে সমাজসেবা অধিদপ্তরে জমা দিতে পারবেন।

 

বয়স্ক ভাতা আবেদন ফি?

বয়স্ক ভাতা আবেদন কোন ধরনের ফি নেই আপনি ফ্রিতে অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

 

বয়স্ক ভাতা আবেদনের বয়স?

 

বয়স্ক ভাতা আবেদনের পূর্বে কিছু যোগ্যতা ও শর্তাবলী রয়েছে।

 

সংশ্লিষ্ট এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে।

জন্ম নিবন্ধন জাতীয় পরিচয় পত্র থাকতে হবে।

বয়স পুরুষের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন ৬৫ বছরের মহিলার ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন ৬২ বছর হতে হবে।

সরকার কর্তৃক সময় সময় নির্ধারিত বয়স বিবেচনা নিতে হবে।

কোমর ব্যথার কারণ ও দূর করার উপায়

জব জনপ্রিয় বিডি
আপডেটঃ জানুয়ারি ২৭, ২০২৪ | ১২:৫৭ 18 ভিউ
জব জনপ্রিয় বিডি
আপডেটঃ জানুয়ারি ২৭, ২০২৪ | ১২:৫৭ 18 ভিউ
Link Copied!

কোমর ব্যথার সমস্যায় কমবেশি সকলেই ভুগে থাকেন, আসুন জেনে নিই কোমর ব্যথার কারণ ও দূর করার উপায়:-

কেন কোমর ব্যথা হয় :-

১) ভারী বস্তু তোলার কাজ করলে।

বিজ্ঞাপন

২) কোমরে চোট পেলে।

৩) অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে বা বসে কাজ করলে।

৪) নিয়মিত গাড়ি চালালে।

বিজ্ঞাপন

৫) সাধারণত কুঁজো হয়ে হাঁটলে বা বসলে।

৬) গর্ভধারণ সময়ে।

৭) হঠাৎ কোনো কারণে হাড়, মাংসপেশি, স্নায়ু—এই তিনটি উপাদানের সামঞ্জস্য নষ্ট হলে।

এই কোমর ব্যথা খুব সহজে দূর করা সম্ভব।যেমন:-

আদা যে কোনো ব্যথা কমাতে সক্ষম। আসুন জেনে নিই এই সমস্যা সমাধানে কার্যকরী আদা পানি বানানোর প্রক্রিয়াটি যা যা লাগবে

১) আদা

২) পরিষ্কার

৩) পাতলা কাপড়

৪) গরম পানি

কিভাবে তৈরি করবেন:-

প্রথমে আদা কুচি করে ফেলুন, এরপর আদা কুচিগুলো পাতলা কাপড়ে রাখুন কাপড়টির মুখ সুতা বা রশি দিয়ে বন্ধ করে দিন, একটা পুটলি বানিয়ে ফেলুন এবার চুলায় পানি গরম করতে দিন,এই পানির মধ্যে আদার পুটলিটা চিপে রস পানিতে দিন

রস ভাল করে চিপে ফেলার পর আদার পুটলিটা পানির মধ্যে দিয়ে দিন এবার একটি কাপড় গরম আদা,পানিতে চুবিয়ে নিন,এবার কাপড়টি থেকে ভাল করে পানি চিপড়িয়ে ফেলুন,এই আদা পানিতে চুবানো কাপড়টি ব্যথার জায়গায় রাখুন। লক্ষ্য রাখবেন কাপড়টা যেন খুব বেশি মোটা না হয়।

সারা রাত কাপড়টি ব্যথার জায়গায় রেখে দিন,সারা রাত সম্ভব না হলে কয়েক ঘণ্টা এটি ব্যথার জায়গায় রেখে দিন,দেখবেন কোমর ব্যথা গায়েব হয়ে গেছে,এটি আপনাকে দীর্ঘমেয়াদি আরাম দেবে।

এটি ঘরোয়া চিকিৎসা,সুতরাং যাদের অনেক বছরের পুরোনো ব্যথা তাদের ক্ষেত্রে যদি উপকার না হয় তাহলে ফিজিওথেরাপি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিবেন।

মেয়েদের মাসিক এবং মাসিকের সময় ব্যাথা হলে করনীয় সম্পর্কে জানুন

জব জনপ্রিয় বিডি
আপডেটঃ জানুয়ারি ২৭, ২০২৪ | ১২:৪৯ 21 ভিউ
জব জনপ্রিয় বিডি
আপডেটঃ জানুয়ারি ২৭, ২০২৪ | ১২:৪৯ 21 ভিউ
Link Copied!

মাসিক কোন রোগ নয়। প্রতিটা নারীর জীবন চক্রের একটা অংশ। বাংলাদেশের প্রায় মহিলারা মাসিক সম্পর্কে অনেক সমালোচনার সম্মুখীন হয়ে থাকে। সারা দেশে প্রায় ৫৪ মিলিয়ন ঋতুস্রাব অথবা (মাসিক) মহিলা রয়েছে। তাই, প্রতিটা মেয়ে যাতে মাসিক বিষয়টাকে আতঙ্ক হিসেবে না দেখে স্বাভাবিক ভাবে দেখতে শিখে এবং সচেতন হয় সেই জন্য পরিবারের অবদান অনেক বেশি জরুরি। আমাদের দেশের বেশির ভাগ মহিলারই পিরিয়ড অথবা(মাসিক) সম্পর্কে জ্ঞানের অভাব রয়েছে।

মেয়েদের জরায়ু যে পরিবর্তনের মধ্যে দিয়ে যায় এবং প্রতিমাসে হরমোনের প্রভাবে মেয়েদের যোনিপথ দিয়ে যে রক্ত ও জরায়ু নিঃসৃত তরল পদার্থ বের হয়ে আসে তাকে ( মাসিক) বা ঋতুস্রাব বলে। 

মাসিকের সময় মেয়েদের নানা রকম সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাছাড়া মাসিক হওয়ার আগে, পরে, চলাকালীন সময়ে এবং মাসিক বন্ধ হওয়ার পরও অনেকের মাথা ব্যথা, মাইগ্রেন, কোমড় ব্যাথা, পা ব্যাথা, বমিভাব, ওজন বাড়া, মেজাজ খারাপ, ঘুমের ব্যাঘাত, বার বার টয়লেটে যাওয়া, ত্বকের সমস্যা – এই রকম নানা ধরনের সমস্যা হয়ে থাকে মূলত শরীরের হরমোনজনিত কারণে।

বিজ্ঞাপন

দুই মাসিকের মধ্যবর্তী সময় যদি বার বার পরিবর্তন হতে থাকে, তাহলে তাকে অনিয়মিত মাসিক বলে। অনিয়মিত মাসিক দুই ভাবে হতে পারে। যেমন:

১.ঘন ঘন

২.দেরিতে

বিজ্ঞাপন

মাসিকের চক্র হিসাব করতে হলে যা করতে হবে;

এক মাসিকের প্রথম দিন থেকে আরেক মাসিকের প্রথম দিন পর্যন্ত যে সময়টা সেটাই হলো এক মাসিক চক্র। সাধারণত ২৮ দিন পর পর মাসিক হয়। যদিও ২১ দিন থেকে ৩৫ দিন অন্তর স্বাভাবিকতার তারতম্য হতে পারে। এক বার মাসিক হলে সাধারণত ২-৮ দিন থাকে এবং এক মাসিকের মোট ৫-৮০ মিলি পর্যন্ত রক্ত যেতে পারে। এই তিনটার যেকোনো একটার অনিয়ম মানে অনিয়মিত মাসিক।

বিভিন্ন বয়সে বিভিন্ন কারণে অনিয়মিত মাসিক হয়ে থাকে। যেমন ;

১.সাবালিকা হউয়ার প্রথম ১-২ বছর ডিম্বাশয়ের অপরিপক্বতার জন্য।

২.মেনোপজ হউয়ার আগের ৪-৫ বছর হরমোনের তারতম্যের জন্য।

৩.কিছু কিছু পিল খাওয়ার সময় পাশ্বপ্রতিক্রিয়ার জন্য।

৪.বুকের দুধ খাওয়ানো অবস্থায় হরমোনের তারতম্যের জন্য।

৫.খুব বেশি ব্যায়াম করলে।

৬.অতিরিক্ত টেনশন করলে।

৭.হঠাৎ ওজন খুব বেড়ে বা কমে গেলে।

৮.হরমোনজনিত রোগ পিসিওএস হলে।

৯.থাইরয়েড রোগীদের।

১০.স্ত্রী রোগ যেমন – জরায়ুর পলিপ, জরায়ুর প্রদাহ রোগ হলে।

মাসিক নিয়মিত হওয়া অনেক জরুরি। কারণ- অনিয়মিত মাসিকের সাথে অনেক দীর্ঘমেয়াদী স্বাস্থ্য সমস্যা জড়িত বলেই মাসিক নিয়মিত হওয়া জরুরি। মেয়েদের ঘুম, পরিপাক, বাচ্চা হওয়া সবই এর সাথে জড়িত।

পিরিয়ডের সময় সব ধরনের খাবার খাওয়া যাবে না। আর পিরিয়ডের সময় শারীরিক কষ্ট কমাতে ডায়েটের দিকে নজর রাখা প্রয়োজন। এই সময় কী ধরনের খাবার খাওয়া হচ্ছে, তার উপর শরীরের ভালো মন্দ অনেকাংশেই নির্ভর করে।

দুধ, চিজ বা দইঃ

পিরিয়ডের সময় দুধ,চিজ বা দইয়ের মতো ডেইরি প্রডাক্ট বেশি মাত্রায় খেলে বিশেষ কিছু হরমোনের ক্ষরন এতো মাত্রায় বেড়ে যায় যা শারীরিক কষ্ট ছাড়াতে সময় লাগে না। তাই এই সময় দুধ এবং দুধ থেকে বানানো খাবার যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলাই ভালো।

জাঙ্ক ফুডঃ

 

জাঙ্ক ফুড শরীরের জন্য ভালো নয়। আর এই সময় জাঙ্ক ফুড শরীরের জন্য আরো ক্ষতিকারক। পিরিয়ডের সময় ফ্রায়েড খাবার খেলে শরীরের মারাত্মক ক্ষতি করে।

 

লবণঃ

পিরিয়ডের সময় বেশি মাত্রায় লবণ রয়েছে এমন খাবার খেলে শরীরের অনেক ক্ষতি করে থাকে।

 

খালি পেটঃ

 

পিরিয়ডের সময় খালি পেটে একেবারেই থাকা উচিত না। এই সময় যেহেতু মাত্রাতিরিক্ত এনার্জি লস হয় তাই এই ঘাটতি পূরণে ঠিকমতো খাওয়া খুবই জরুরি।

কোল্ড ড্রিংকঃ

একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, এই সময় এই ধরনের পানিয় খেলে ইউরেটাইন ওয়ালে রক্ত থেকে যায়। এমনটা হতে থাকলে ৫-১০ বসর পর গিয়ে ক্যান্সারের ঝুঁকি অধিক মাত্রায় বেড়ে যায়।

 

 

 

শরীরচর্চাঃ

 

এই সময় অল্প বিস্তর শরীরচর্চা করা যেতে পারে। আর যদি পেটে এবং পিঠে ব্যাথা থাকে তাহলে একেবারেই শরীরচর্চা করা যাবে না।তাছাড়াও, এই সময় রাত জাগলে কাজ করার ক্ষমতা একেবারেই কমে যায়। সেই সাথে অসুস্থ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা আরো অনেক বেড়ে যায়। আর ঘুম না আসাতে শরীর এতোটাই ক্লান্তি হয়ে যায় যে, দৈনন্দিন কাজেও ব্যাঘাত আসতে শুরু করে দেয়। যার কারণে পিরিয়ডের সময় রাত জাগা একেবারেই চলবে না।

 

 

 

টক খাবারঃ

 

মাসিকের সময় সাধারণত কোন টক খাবার খেলে রক্তপাত কিংবা ব্যাথা বাড়ে না। টক জাতীয় খাবারের সাথে পিরিয়ডের কোন সম্পর্ক নেই।কিন্তু বিশেষ ধরনের টক খাবার খেলে ব্যাথা এবং রক্তপাত দুটোই বাড়তে পারে। সেই বিশেষ টক খাবার হচ্ছে লবণ যুক্ত টক খাবার।

 

 

 

কফিঃ

 

মাসিকের সময় উষ্ণ পানি পান করা উপকারী হলেও কফির ক্ষেত্রে এটি ব্যতিক্রম। শুধু কফি নয় ক্যাফেইন সসম্পর্কিত যেকোনো খাবার মাসিকের সময় এড়িয়ে চলা উচিত। কেননা কফি রক্ত চলাচলে ব্যাঘাত ঘটিয়ে থাকে এতে করে মাসিকের ব্যাথা আরো বাড়তে পারে।

 

 

 

 

 

পিরিয়ডের সময় পেট ব্যাথা হলে ব্যাথানাশক ঔষধ না খেয়ে ঘরোয়া উপায়ে ব্যাথা কমানো উচিত। এতে করে স্বাস্থ্যের কোন ক্ষতি হওয়ার ঝুঁকি অনেক কম থাকে।

 

 

 

মাসিকের সময় অতিরিক্ত পেট ব্যাথা করলে ” হট ওয়াটার ” ব্যাগে গরম পানি ভরে তলপেটে চাপ দিয়ে রাখা যেতে পারে। এতে করে ব্যাথানাশক ঔষধ না খেয়ে এই উপায়ে ব্যাথা অনেক কমানো সম্ভব।

 

 

ব্যাথা কমাতে আদা চা খাওয়া বেশ উপকারী। আদা প্রোস্টাগ্লান্ডিনের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে এবং ক্যামোমাইল ব্যাথা কমাতে সাহায্য করে থাকে। ব্যাথানাশক হিসেবে এই চা বেশ উপকারী।

মৌরিঃ

 

এই দানাদার মসলাতে রয়েছে বিভিন্ন রকম উপাদান যা মাসিকের ব্যাথা কমাতে সাহায্য করে। মাসিকের ব্যাথা বাড়লেই অল্প করে মুখে নিয়ে চিবিয়ে নিতে হবে অথবা পানিতে ফুটিয়ে অল্প করে চা এর মতো ফুটিয়ে পান করলেও অনেক উপকার পাওয়া যায়।

 

 

 

দারুচিনিঃ

 

মাসিকের সময় জমাট বাধা রক্তপাতের জন্য ব্যাথা ও অস্বস্তি বেড়ে যায়। দারুচিনিতে রয়েছে আঁশ ক্যালসিয়াম, আয়রন। খানিকটা পানিতে আধা-চা চামচ দারুচিনি গুলিয়ে রেখে কিছুক্ষন পর পর অল্প করে পান করলেই অনেক উপকার পাওয়া যাবে।

 

 

 

অর্গাজমঃ

 

মাসিকের সময় শারীরিক মিলন নিয়ে অনেক দ্বিধার মধ্যে থাকে মেয়েরা। কিন্তু এক গবেষণায় দেখা গেছে অর্গাজম পিরিয়ডের ব্যাথা কমাতে সাহায্য করে থাকে। কারণ এতে ভালোলাগার অনুভূতি বেড়ে যায় এতে করে রক্তচলাচলও বেড়ে যায়। ফলে মাসিকের ব্যাথা কমে আসে।

 

 

 

মাসের নির্দিষ্ট কয়েকদিন প্রত্যেক প্রাপ্ত বয়স্ক নারীকে কিছুটা শারীরিক ও মানসিক সমস্যার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়। মাসিকের এই সময়টাতে দেখা দেয় পুষ্টির অনেক ঘাটতিও। যার কারণে এই সময় খাবার নির্বাচনে সর্তক হতে হয়। মাসিকের সময় এমন খাবার খেতে হবে যেটা শরীরের বাড়তি পুষ্টি যোগাতে সহায়তা করবে।সুস্থ ও কর্মক্ষম থাকতে হলে নিচের খাবাগুলো অবশ্যই খেতে হবে ;

 

 

 

পানিঃ

 

মাসিকের সময় রক্তপাতের সাথে সাথে শরীর থেকে অনেক পানি বেড়িয়ে যায়। এই অভাব পূরণ করতে হলে প্রচুর পানি পান করতে হবে। চা, কফি, সফট্ ড্রিংস্ক এই ধরনের কোমল পানিয় দারা এই অভাব পূরণ করা যাবে না। শুধুমাএ পানি দিয়েই এই অভাব পূরণ করতে হবে।

 

আয়রন সমৃদ্ধ খাবারঃ

 

যেসব খাবারে প্রচুর আয়রন পাওয়া যায় যেমন – মাছ, মাংস, ডিম,পুঁই শাক, ডাটা শাক,ফুলকপির পাতা, ধনে পাতা, কচুশাক, তরমুজ, কালোজাম, খেজুর, পাঁকা তেতুল ও আমড়া এই জাতীয় খাবার খেতে হবে বেশি করে। এই খাবারগুলো শরীরের আয়রনের ঘাটতি অনেকটা পূরণ করবে।

 

 

 

মাছঃ

 

সামুদ্রিক মাছে থাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, মিনারেল, ফ্যাটি এসিড ইত্যাদি। এগুলো মাসিকের সময় শরীরের ক্ষয় পূরণ করতে সাহায্য করে এবং ব্যাথা কমাতেও সহায়তা করে থাকে।

 

 

 

ফলঃ

 

শরীরের আয়রনের ঠিকমতো শোষণ ও ঠিকমতো কার্যকরিতার জন্য ভিটামিন-সি জরুরি। কিছু সহজলভ্য ফল যেমন- পেয়ারা, আমলকি, লেবু, জলপাই, পাঁকা পেঁপে,জাম্বুরা,আনারস ইত্যাদিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-সি পাওয়া যায়। মাসিকের সময় এই ফলগুলো খাওয়ার অভ্যাস রাখা অনেক জরুরি।

 

 

 

সবুজ-শাকসবজিঃ

 

সবুজ শাক-সবজিতে আছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন যা শরীরের ক্ষয় পূরণ করতে সহায়তা করে। এটি শুধুমাএ আয়রন ও ভিটামিন-বি এ পরিপূর্ণ নয়, বরং উচ্চমাত্রায় আশঁও আছে এতে যা কিনা হজমে সহায়তা করে থাকে। ভালোভাবে হজম হওয়া পিরিয়ডের সময় সুস্থ থাকার একটি অপরিহার্য শর্ত। তাই প্রতিবেলার খাবারে অবশ্যই সবুজ শাক-সবজি রাখতে হবে।

 

কলাঃ

 

কলা পটাশিয়ামের ও ভিটামিনের খুব ভালো উৎস যা মাসিকের সময় শরীরের জন্য খুব জরুরি। কলা মাসিকের সময় বিষ্নন্নতা কমাতেও সহায়ক। মাসিকের সময় কলা প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় রাখা অনেক জরুরি।

 

 

 

প্রোটিনঃ

 

ডাল, ডিম, মাছ, মাংসে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন থাকে। তাই মাসিকের সময় এই জাতীয় খাবার গুলা খাওয়া অনেক জরুরি। প্রোটিন ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণ করে এবং মিষ্টি জাতীয় খাবার খাওয়ার আগ্রহ কমিয়ে দেয়।

 

 

 

 

 

 

 

পিরিয়ড বা মাসিকের মতো একটা স্বাভাবিক আর প্রাকৃতিক বিষয় নিয়ে লজ্জা আর সংকোচনের শেষ নেই বাংলাদেশের সমাজে। গবেষকরা বলেছে, বাংলাদেশের নারী স্বাস্থ্য,বিশেষ করে নারীর প্রজনন স্বাস্থ্য এবং মাসিকের সময় পরিচ্ছন্নতা ও নিরাপদ ব্যবস্থাপনা না থাকার কারণে নানা রকম অসুখ বিসুখও হচ্ছে।

 

 

 

বাংলাদেশে ২০১৪ সালে সংকার এবং আইসিডিডিআরবির চালানো ন্যাশনাল হাইজিন সার্ভেতে বলা হয়েছে মাসিকের সময় পরিচ্ছন্নতা এবং স্বাস্থ্য ঝুঁকি নিয়ে প্রায় কোন ধারণাই নেই বেশির ভাগ নারীর। বাংলাদেশের মেয়েরা মাসিকের সময় মূলত দুইটা জিনিস বেশি ব্যবহার করেন, তা হচ্ছে- পুরনো কাপড় এবং স্যানিটারি ন্যাপকিন। ২০১৪ সালে ন্যাশনাল হাইজিন সার্ভেতে দেখা গেছে, বাংলাদেশের শতকরা ৮৬ ভাগ নারী এখনো মাসিকের সময় পুরনো কাপড় বা ন্যাকড়া ব্যবহার করে। এর কারণ পুরনো কাপড় সহজলভ্য এবং এজন্য কোন খরচ গুনতে হয় না। তবে পুরনো কাপড়রের পরিচ্ছন্নতা নিয়ে সব সময়ই চিকিৎসক ও গবেষকরা উদ্বেগ প্রকাশ করে এসেছে। মাসিকের সময় কেবলমাত্র পরিচ্ছন্নতা এবং সচেতনতার অভাবে নারীর প্রজনন স্বাস্থ্য ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। ডা.তিশান মাহফুজ বলেছেন, পরিষ্কার করে ব্যবহার করতে পারলে কাপড় ক্ষতিকর নয়।

 

 

 

শারীরিক অস্বস্তির পাশাপাশি নানা রকম কুসংস্কারের কারণে প্রাচীন কাল থেকেই মাসিক মেয়েদের জন্য গোপন ও লজ্জাজনক। মাসিক হলে ঘর থেকে বের হউয়া যাবে না, শরীরে পানি লাগানো যাবে না, চুল ভেজানো যাবে না, বিছানায় শোয়া যাবে না…. এছাড়াও আরো কত কি!!! কিন্তু এ সবই ভুল ধারণা। এই সময় ঘরের কোনায় না থেকে বাহিরের আলোর সংস্পর্শে থাকা উচিত। নিয়মিত গোসল করা ও পরিষ্কার কাপড় পরা উচিত।

প্রতি মাসে নিয়ম করে এই নির্দিষ্ট কয়েকদিন প্রতিটি মেয়ের জীবনেই পার করতে হয়। প্রকৃতির নিয়ম মেনেই এই চক্র চলে। এটি নারীর শরীরবৃওীয় অধিকার । এটি সুস্থতার একটি অংশ। তাই মাসিক নিয়ে এখন মনে আর কোন অজ্ঞতা, দ্বিধা, লজ্জা পুষে রাখা চলবে না। বয়ঃসন্ধির আগেই পরিবারের মেয়ে শিশুটির পাশাপাশি ছেলে শিশুটিকেও মাসিক সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা দিতে হবে। এভাবেই আসতে আসতে সমাজ থেকে পিরিয়ড বা মাসিক নিয়ে সকল ভুল ধারণা দূর করা সম্ভব।

শিরোনাম:
বয়স্ক ভাতা আবেদন ফরম ডাউনলোড এবং পূরণ করে আবেদন করার নিয়ম সর্দিতে নাক বন্ধ হয়ে থাকলে দ্রুত যা করবেন ত্বক ফর্সা করার উপায় স্ত্রী সহবাসের সুন্নাত নিয়ম কোমর ব্যথার কারণ ও দূর করার উপায় পেটের চর্বি কমানর সহজ কিছু ব্যায়াম মেয়েদের মাসিক এবং মাসিকের সময় ব্যাথা হলে করনীয় সম্পর্কে জানুন মাসিক কী? দেশের বাজারে কমলো সোনার দাম বাংলাদেশের সেরা বক্তা আলেমদের বক্তাদের তালিকা অনলাইন থেকে আনলিমিটেড টাকা ইনকাম করার সহজ উপায় বাংলাদেশে মিলনের সময় নারীদের করণীয় । লজ্জা নয় জানুন এশার নামাজ কয় রাকাত অভিজ্ঞতা ছাড়াই চাকরি দেবে এসিআই মোটরস ৩৫টি বাদে সব কোম্পানির ফ্লোর প্রাইস উঠে গেল বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অভিজ্ঞতা ছাড়াই চাকরি দেবে এসিআই মোটরস 2024 শুভ রমজান শুভেচ্ছা বার্তা ও স্ট্যাটাস | 2024 Ramadan Mubarak Bengali Status ২০২৪ সালের রমজান ক্যালেন্ডার সময়সূচী-Ramadan Calendar 2024 ঢাকায় নিয়োগ দেবে মধুমতি ব্যাংক, আবেদন করন অনলাইনে